ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

সালথায় শালিসে অংশগ্রহণ করা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত – ২০ জন

ফরিদপুরের সালথায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনা মীমাংসার জন্য স্থানীয় থানায় আয়োজিত শালিসে অংশগ্রহণ নিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানাগেছে।
এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ১৫/২০ টি বাড়িতে তা-ব চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করার খবর পাওয়া গেছে।
এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কাঠালবাড়িয়া গ্রামের মোঃ হাবিব মোল্যার সঙ্গে আজিজুল মোল্যার বিরোধ চলে আসছিল। চলমান বিরোধের জেরে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি চায়ের দোকানের সামনে হাবিবুর মোল্যার সমর্থক হাফিজুর মাতুব্বরকে কুপিয়ে আহত করে আজিজুল মোল্যার সমর্থকেরা। হাফিজুরকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনাটি মীমাংসার জন্য রোববার সন্ধ্যায় সালথা থানায় একটি শালিস-বৈঠকের আয়োজন করে পুলিশ।
তবে ওই শালিসে হাবিবুর মোল্যার সমর্থকরা অংশ নিতে রাজি হলেও আজিজুল মোল্যার সমর্থকরা অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি নিয়ে সন্ধ্যায় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের দুই থেকে তিন শতাধিক সমর্থক দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ। সংঘর্ষ চলাকালে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

সালথায় শালিসে অংশগ্রহণ করা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত – ২০ জন

আপডেট সময় ০৬:৪৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ফরিদপুরের সালথায় এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনা মীমাংসার জন্য স্থানীয় থানায় আয়োজিত শালিসে অংশগ্রহণ নিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানাগেছে।
এ সময় উভয়পক্ষের অন্তত ১৫/২০ টি বাড়িতে তা-ব চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করার খবর পাওয়া গেছে।
এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কাঠালবাড়িয়া গ্রামের মোঃ হাবিব মোল্যার সঙ্গে আজিজুল মোল্যার বিরোধ চলে আসছিল। চলমান বিরোধের জেরে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি চায়ের দোকানের সামনে হাবিবুর মোল্যার সমর্থক হাফিজুর মাতুব্বরকে কুপিয়ে আহত করে আজিজুল মোল্যার সমর্থকেরা। হাফিজুরকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনাটি মীমাংসার জন্য রোববার সন্ধ্যায় সালথা থানায় একটি শালিস-বৈঠকের আয়োজন করে পুলিশ।
তবে ওই শালিসে হাবিবুর মোল্যার সমর্থকরা অংশ নিতে রাজি হলেও আজিজুল মোল্যার সমর্থকরা অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি নিয়ে সন্ধ্যায় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের দুই থেকে তিন শতাধিক সমর্থক দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ। সংঘর্ষ চলাকালে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে অন্তত ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।