ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে সুন্দরবনের দুর্র্ধষ বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র তিন সদস্যের কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ

অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে সুন্দরবনের দুর্র্ধষ বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র ৩ সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মোংলার কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেন। কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মোংলায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্য অস্ত্র ও গুলিসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় দস্যুরা তাদের কাছে থাকা ২ টি দেশীয় একনালা বন্দুক, ১টি দেশীয় পাইপগান, ৪০ রাউন্ড তাঁজা গুলি ও ১টি ওয়াকিটকি কোস্ট গার্ডের কাছে জমা দেন। এছাড়া এই দস্যু বাহিনীর কাছি জিম্মি থাকা ১ জেলেকে উদ্ধার করা হয়। আত্মসমর্পণকারী দস্যু মোঃ আলামিন হোসেনের(৪০) বাড়ী মোংলায় ও তৈবুর রহমানের(২৪) বাড়ী সাতক্ষীরায় এবং মনিরুজ্জামান মামুনের(২০) খুলনায়। বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য হিসেবে তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। জব্দকৃত অস্ত্র, গুলি ও আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত জেলেকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আগে গত ২১ মে সুন্দরবনের দুর্র্ধষ বনদস্যু সুমন বাহিনী প্রধান সুমনসহ ৭ দস্যু ৫টি অস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড গুলি নিয়ে কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত ৪৯ টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩১৬ রাউন্ড তাঁজা গুলি, ১০৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি, ১৯৪ রাউন্ড এয়ারগান গুলি ও ২টি ওয়াকি-টকি উদ্ধারসহ ৪২ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এ সময় দস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৪১ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদাণ শেষে নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও সুন্দরবনের দুর্র্ধষ বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনী প্রধানসহ ৭ জন দস্যু অস্ত্র ও গুলিসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে সুন্দরবনের দুর্র্ধষ বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র তিন সদস্যের কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ

আপডেট সময় ০৩:১৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে সুন্দরবনের দুর্র্ধষ বনদস্যু ‘বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী’র ৩ সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মোংলার কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেন। কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মোংলায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্য অস্ত্র ও গুলিসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ সময় দস্যুরা তাদের কাছে থাকা ২ টি দেশীয় একনালা বন্দুক, ১টি দেশীয় পাইপগান, ৪০ রাউন্ড তাঁজা গুলি ও ১টি ওয়াকিটকি কোস্ট গার্ডের কাছে জমা দেন। এছাড়া এই দস্যু বাহিনীর কাছি জিম্মি থাকা ১ জেলেকে উদ্ধার করা হয়। আত্মসমর্পণকারী দস্যু মোঃ আলামিন হোসেনের(৪০) বাড়ী মোংলায় ও তৈবুর রহমানের(২৪) বাড়ী সাতক্ষীরায় এবং মনিরুজ্জামান মামুনের(২০) খুলনায়। বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য হিসেবে তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। জব্দকৃত অস্ত্র, গুলি ও আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত জেলেকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এর আগে গত ২১ মে সুন্দরবনের দুর্র্ধষ বনদস্যু সুমন বাহিনী প্রধান সুমনসহ ৭ দস্যু ৫টি অস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড গুলি নিয়ে কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত ৪৯ টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ৩১৬ রাউন্ড তাঁজা গুলি, ১০৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি, ১৯৪ রাউন্ড এয়ারগান গুলি ও ২টি ওয়াকি-টকি উদ্ধারসহ ৪২ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এ সময় দস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৪১ জনকে জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদাণ শেষে নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়াও সুন্দরবনের দুর্র্ধষ বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনী প্রধানসহ ৭ জন দস্যু অস্ত্র ও গুলিসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।