এক লাখ ৭৫ হাজার ঘনফুট ধারণ ক্ষমতার একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাহী জাহাজ ভিড়েছে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে। ওই কার্গো থেকে মার্কিন কোম্পানির এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি সেখানে ভিড়েছে বলে জানিয়েছেন রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ওই জাহাজ থেকে এক্সিলারেট টার্মিনালে সরবরাহ শুরু হয়েছে। এর ফলে টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়বে। এতে দেশে চলমান গ্যাস সংকট কাটতে শুরু করবে।
এখন কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটে স্থির রয়েছে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, সকালে দেশীয় সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে ৫২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছিল। আর মার্কিন কোম্পানি পরিচালিত এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে পাওয়া যাচ্ছিল মাত্র ১৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। এলএনজিবাহী কার্গো আসায় গ্যাস সরবরাহ বাড়বে।
এলএনজি এবং গ্যাস ক্ষেত্র থেকে পাওয়া গ্যাস মিলিয়ে দেশে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ২৩৩৪ মিলিয়ন ঘনফুট। দেশে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ পাওয়া যায় ২৬০০-২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির সরবরাহ ক্ষমতা ১০৫০ থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে গত প্রায় দেড় মাস ধরে এলএনজি সংকটের কারণে সরবরাহ কমে গেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে গ্যাস সরবরাহ ৭০০-৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে স্থির রয়েছে। শিডিউল অনুযায়ী আমদানি করা এলএনজিবাহী জাহাজ আসায় টার্মিনাল দুটি থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংবাদ শিরোনাম
এলএনজিবাহী কার্গো ভিড়েছে এক্সিলারেট টার্মিনালে, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ
-
খবরপত্র প্রতিবেদক: - আপডেট সময় ০৯:৫৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- 75
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

























