ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

আমরা বিরোধী দল ১১ দল একসঙ্গে আগেও ছিলাম, এখনো আছি : হামিদুর রহমান আযাদ

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, ‘চট্টগ্রামের লংমার্চ থেকে আমরা যেটা অর্জন করতে চেয়েছি, সেটা খুবই পরিষ্কার। সংসদ নেতা দাঁড়িয়ে লংমার্চকে সম্বোধন করতে বাধ্য হয়েছেন। তার মানে সরকারের জবাবদিহিতার আওতায় জনগণের দাবি পালনে দৃষ্টি আকর্ষণ ও চাপ সৃষ্টি করতে আমরা বাধ্য করেছি। যে ভাষায় বলেন না কেন, আমাদের বড় অর্জন হলোÑসরকারের কানে পানি ঢুকেছে।’
গতকাল রোববার বিরোধীদলীয় নেতার বাসায় ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের প্রস্তুতি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘দেশের জনজীবন দুর্বিষহ, নাভিশ্বাস ও সংকটের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। এই সংকট সমাধান করতে হলে রাজনৈতিক ঐকমত্য দরকার। সমবেতভাবে এটা সমাধানের জন্য এগিয়ে আসা দরকার। সেই জায়গায় সরকার কোনো প্রস্তাব আমলে নিচ্ছে না। ফলে আমরা বিরোধী দল ১১ দল একসঙ্গে আগেও ছিলাম, এখনো আছি। রাজপথে আমরা লড়াইয়ে নেমেছি।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রংপুরে একই পরিবারের চারজন নিজের বাসায় খুন হয়েছেন। বাংলাদেশে বলতে গেলে এগুলো যদি বর্ণনা করা হয়, অসংখ্য ঘটনা ঘটছে।’
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘এই যে অবস্থাটা দেশের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলাÑএটার উন্নয়নের জন্য আমরা সংসদে আলোচনা করেছি। আমাদের সংসদ সদস্যগণ রাজপথেও ভূমিকা রাখছেন।’
তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি দমনের কথা উনারা বলেছিলেন। কিন্তু দুর্নীতি দমন হয়েছে, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়েছে, দখলদারিত্ব বন্ধ হয়েছেÑহয়নি।’
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আগামী ১৯ তারিখ আবার সেই দ্বিতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। মানিক মিয়া এভিনিউতে সকাল ৭টায় আমরা জমায়েত করব। ৮টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার একটি উদ্বোধনী সভা হবে। পথে পাঁচটি পথসভা আছে। রংপুর জেলা স্কুল মাঠে গিয়ে আমাদের সমাপনী জনসভা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা মানিক মিয়া শুরু করে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, তারপর সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা হয়ে রংপুরে শেষ করব।
১১ দলের আন্দোলনের দাবি ছয় দফা থেকে সাত দফায় রূপান্তরিত হয়েছে জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘দুর্নীতি যেহেতু প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে চলছে, সেই দুর্নীতি, দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজি বিগত ফ্যাসিস্ট আমলকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। সে কারণে আমরা এই দাবিটা নতুন করে যোগ করে সাত দফায় রূপান্তর করেছি।’
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর ও মহাসচিব মুফতি আবদুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, এবি পার্টির অ্যাডভোকেট আবদুল আল মামুন রানা, বিডিপির মহাসচিব নিজামুদ্দিন নাইম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলীসহ ১১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

আমরা বিরোধী দল ১১ দল একসঙ্গে আগেও ছিলাম, এখনো আছি : হামিদুর রহমান আযাদ

আপডেট সময় ১০:০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, ‘চট্টগ্রামের লংমার্চ থেকে আমরা যেটা অর্জন করতে চেয়েছি, সেটা খুবই পরিষ্কার। সংসদ নেতা দাঁড়িয়ে লংমার্চকে সম্বোধন করতে বাধ্য হয়েছেন। তার মানে সরকারের জবাবদিহিতার আওতায় জনগণের দাবি পালনে দৃষ্টি আকর্ষণ ও চাপ সৃষ্টি করতে আমরা বাধ্য করেছি। যে ভাষায় বলেন না কেন, আমাদের বড় অর্জন হলোÑসরকারের কানে পানি ঢুকেছে।’
গতকাল রোববার বিরোধীদলীয় নেতার বাসায় ১১ দলের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের প্রস্তুতি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘দেশের জনজীবন দুর্বিষহ, নাভিশ্বাস ও সংকটের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। এই সংকট সমাধান করতে হলে রাজনৈতিক ঐকমত্য দরকার। সমবেতভাবে এটা সমাধানের জন্য এগিয়ে আসা দরকার। সেই জায়গায় সরকার কোনো প্রস্তাব আমলে নিচ্ছে না। ফলে আমরা বিরোধী দল ১১ দল একসঙ্গে আগেও ছিলাম, এখনো আছি। রাজপথে আমরা লড়াইয়ে নেমেছি।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রংপুরে একই পরিবারের চারজন নিজের বাসায় খুন হয়েছেন। বাংলাদেশে বলতে গেলে এগুলো যদি বর্ণনা করা হয়, অসংখ্য ঘটনা ঘটছে।’
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘এই যে অবস্থাটা দেশের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলাÑএটার উন্নয়নের জন্য আমরা সংসদে আলোচনা করেছি। আমাদের সংসদ সদস্যগণ রাজপথেও ভূমিকা রাখছেন।’
তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি দমনের কথা উনারা বলেছিলেন। কিন্তু দুর্নীতি দমন হয়েছে, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়েছে, দখলদারিত্ব বন্ধ হয়েছেÑহয়নি।’
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আগামী ১৯ তারিখ আবার সেই দ্বিতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। মানিক মিয়া এভিনিউতে সকাল ৭টায় আমরা জমায়েত করব। ৮টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার একটি উদ্বোধনী সভা হবে। পথে পাঁচটি পথসভা আছে। রংপুর জেলা স্কুল মাঠে গিয়ে আমাদের সমাপনী জনসভা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা মানিক মিয়া শুরু করে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, তারপর সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা হয়ে রংপুরে শেষ করব।
১১ দলের আন্দোলনের দাবি ছয় দফা থেকে সাত দফায় রূপান্তরিত হয়েছে জানিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘দুর্নীতি যেহেতু প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে চলছে, সেই দুর্নীতি, দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজি বিগত ফ্যাসিস্ট আমলকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। সে কারণে আমরা এই দাবিটা নতুন করে যোগ করে সাত দফায় রূপান্তর করেছি।’
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমীর ও মহাসচিব মুফতি আবদুল মাজেদ আতহারী, খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ফখরুল ইসলাম, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল মিয়াজী, এবি পার্টির অ্যাডভোকেট আবদুল আল মামুন রানা, বিডিপির মহাসচিব নিজামুদ্দিন নাইম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলীসহ ১১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।