ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: মন্ত্রণালয়

গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
একইসঙ্গে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারসমূহও তুলে ধরেন তিনি।
গতকাল শুক্রবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সঙ্গে বৈঠককালে প্রতিমন্ত্রী এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রধান অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা; স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানো; সরকারি সেবার মানোন্নয়ন এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় নিম্নআয়ের মানুষ ও কৃষকদের আর্থ-সামাজিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোর কথাও তুলে ধরেন শামা ওবায়েদ।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ। এ বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতিসংঘে বর্তমানে আর্থিক সংকট থাকা সত্ত্বেও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ধারা অক্ষুন্ন রাখা জরুরি। তিনি সংঘাত-পরবর্তী শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী ও যুব সমাজের আরও বেশি অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংকটের একমাত্র কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বলেও পুনরায় উল্লেখ করেন তিনি। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ও সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন খালেদ খিয়ারি।
বিশেষ করে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

আপডেট সময় ০৯:২৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
একইসঙ্গে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারসমূহও তুলে ধরেন তিনি।
গতকাল শুক্রবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সঙ্গে বৈঠককালে প্রতিমন্ত্রী এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের প্রধান অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা; স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানো; সরকারি সেবার মানোন্নয়ন এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় নিম্নআয়ের মানুষ ও কৃষকদের আর্থ-সামাজিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোর কথাও তুলে ধরেন শামা ওবায়েদ।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ। এ বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতিসংঘে বর্তমানে আর্থিক সংকট থাকা সত্ত্বেও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ধারা অক্ষুন্ন রাখা জরুরি। তিনি সংঘাত-পরবর্তী শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী ও যুব সমাজের আরও বেশি অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংকটের একমাত্র কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বলেও পুনরায় উল্লেখ করেন তিনি। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ও সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
এদিকে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন খালেদ খিয়ারি।
বিশেষ করে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।