ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন Logo বোয়ালমারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫ শতাধিক ছাত্রীর জন্য শিক্ষক মাত্র ৩ জন: ১২ পদের ৯টিই শূন্য Logo বদলগাছীতে জাতীয় কবি “ নজরুল বর্ষের “ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ Logo কয়রায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি Logo ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি Logo আগৈলঝাড়ায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত Logo মানবিক বিবেচনায় ছাড় না দিলে কঠোর কর্মসূচি আগামীতে Logo শতবর্ষী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান Logo কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে র‌্যালি-আলোচনা Logo প্রবীণরা বোঝা নয় তারা আমাদের শিকড়-আবুজার ইজাজুল হক

মেলান্দহের কিংবদন্তি নেতা মরহুম আব্দুল হাই বাচ্চু মিয়ার ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী

গত ২ জুন মঙ্গলবার জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এম,সি,এ) ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান জননেতা মরহুম আব্দুল হাই বাচ্চু মিয়ার ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী।এই উপলক্ষে মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির উপজেলা দলীয় কার্যালয় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০০০ সালের ২ জুন (শুক্রবার) তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে পশ্চিম জামালপুরের রাজনৈতিক অঙ্গন, বিশেষ করে মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ একজন জনদরদী, সৎ ও আদর্শবান নেতাকে হারিয়েছিল। আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, শুভানুধ্যায়ী, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং এলাকাবাসী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য আব্দুল হাই বাচ্চু মিয়া আজও মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছেন। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী, গরিব-অসহায় মানুষের নির্ভরতার প্রতীক এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে নিবেদিত একজন জনপ্রিয় নেতা। স্থানীয় প্রবীণদের মতে, মরহুম বাচ্চু মিয়া রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের জন্য কাজ করতেন। দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি ছিলেন গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর বাড়ির দরজা সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত ছিল। কোনো অসহায় মানুষ সাহায্যের জন্য তাঁর কাছে গেলে খালি হাতে ফিরতে হতো না। ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জামালপুর-৩ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। পরবর্তীতে মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে তোলেন। তাঁর নেতৃত্বে মেলান্দহে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নতুন গতি লাভ করে এবং দলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পায়।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, আদর্শ, শৃঙ্খলা ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। কর্মীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁকে পশ্চিম জামালপুরের এক কিংবদন্তি নেতায় পরিণত করেছে। সহকর্মীরা স্মরণ করেন, তিনি প্রায়ই বলতেন, “আমি যতদিন বেঁচে থাকব, আল্লাহ যেন আমাকে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবেই মৃত্যু দান করেন। তাঁর এই আদর্শিক অবস্থান আজও অনেক নেতাকর্মীর কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। মৃত্যুর ২৬ বছর পরও মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয় তাঁর নাম। উন্নয়ন, জনসেবা, সততা ও মানবিকতার জন্য তিনি আজও স্মরণীয় এবং অনুসরণীয়। মরহুম আব্দুল হাই বাচ্চু মিয়ার ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা যেন এই কিংবদন্তি জননেতার সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। আমিন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

মেলান্দহের কিংবদন্তি নেতা মরহুম আব্দুল হাই বাচ্চু মিয়ার ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় ১২:২১:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

গত ২ জুন মঙ্গলবার জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এম,সি,এ) ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান জননেতা মরহুম আব্দুল হাই বাচ্চু মিয়ার ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী।এই উপলক্ষে মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির উপজেলা দলীয় কার্যালয় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০০০ সালের ২ জুন (শুক্রবার) তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে পশ্চিম জামালপুরের রাজনৈতিক অঙ্গন, বিশেষ করে মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ একজন জনদরদী, সৎ ও আদর্শবান নেতাকে হারিয়েছিল। আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে পরিবার, শুভানুধ্যায়ী, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং এলাকাবাসী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য আব্দুল হাই বাচ্চু মিয়া আজও মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছেন। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী, গরিব-অসহায় মানুষের নির্ভরতার প্রতীক এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে নিবেদিত একজন জনপ্রিয় নেতা। স্থানীয় প্রবীণদের মতে, মরহুম বাচ্চু মিয়া রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের জন্য কাজ করতেন। দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি ছিলেন গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর বাড়ির দরজা সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত ছিল। কোনো অসহায় মানুষ সাহায্যের জন্য তাঁর কাছে গেলে খালি হাতে ফিরতে হতো না। ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জামালপুর-৩ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। পরবর্তীতে মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে তোলেন। তাঁর নেতৃত্বে মেলান্দহে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম নতুন গতি লাভ করে এবং দলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পায়।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, আদর্শ, শৃঙ্খলা ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। কর্মীদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁকে পশ্চিম জামালপুরের এক কিংবদন্তি নেতায় পরিণত করেছে। সহকর্মীরা স্মরণ করেন, তিনি প্রায়ই বলতেন, “আমি যতদিন বেঁচে থাকব, আল্লাহ যেন আমাকে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবেই মৃত্যু দান করেন। তাঁর এই আদর্শিক অবস্থান আজও অনেক নেতাকর্মীর কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। মৃত্যুর ২৬ বছর পরও মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয় তাঁর নাম। উন্নয়ন, জনসেবা, সততা ও মানবিকতার জন্য তিনি আজও স্মরণীয় এবং অনুসরণীয়। মরহুম আব্দুল হাই বাচ্চু মিয়ার ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা যেন এই কিংবদন্তি জননেতার সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। আমিন।