ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রমজানে নিত্যপণ্য সরবরাহ ও যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী Logo আর্লি-৪৫ জাতের শিম চাষে কৃষক ময়েজ উদ্দিনের সাফল্য Logo সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার লেখক অ্যান কারসন Logo জেট ফুয়েলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার Logo ইলিশ প্রজননের নিষেধাজ্ঞায় পদ্মা-মেঘনা ইলিশ অবতরণ কেন্দ্র ফাঁকা Logo সনদ-ক্রেস্ট বিতরণ ও মা সমাবেশে মুখরিত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ Logo জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই পানি ব্যবস্থাপনা জরুরি : এলজিআরডি মন্ত্রী Logo কালিয়ায় বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত Logo প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠক Logo মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

লাখ টাকা না দেওয়ায় দেওয়াল ভাঙচুরের অভিযোগ, মতলব উত্তরে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের উত্তর টরকী গ্রামে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলাকালে এক প্রবাসী পরিবারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর (দেওয়াল) জোরপূর্বক ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে উত্তর টরকী নাজিমুদ্দিন সরকার বাড়ির সামনে সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী এলাকাবাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভাঙা দেওয়াল পুনর্র্নিমাণের দাবি জানান। কর্মসূচির আয়োজন করে উত্তর টরকী গ্রামের সর্বস্তরের জনসাধারণ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টরকী বাজার-ইঞ্জিনিয়ার শান্তি সরকার বাড়ি-সুলতানাবাদ ইউপি অফিস-নন্দলালপুর বাজার সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় চলমান উন্নয়ন কাজের সময় উত্তর টরকী গ্রামের মৃত রুহুল আমিন সরকারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়। প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প (সিডব্লিউডিএসপি)-এর অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে। মৃত রুহুল আমিন সরকারের ছেলে ও প্রবাসী মাসুদ সরকার অভিযোগ করেন, তারা তিন ভাই বিদেশে অবস্থান করার সুযোগ নিয়ে ঠিকাদার স্বপন দেওয়ানজী তাদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলেছেন। তিনি দাবি করেন, তাদের সীমানা রাস্তার নির্ধারিত অংশের বাইরে ছিল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রাচীরটি ভাঙা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। ওই টাকা না দেওয়ায় তাদের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অনেকের স্থাপনা রাস্তার ভেতরে থাকা সত্ত্বেও সেগুলো অপসারণ করা হয়নি। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উন্নয়ন কর্মকা-ের নামে কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি জোরপূর্বক ধ্বংস করা আইনসঙ্গত নয়।
প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে কোনো স্থাপনা অপসারণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট মালিককে নোটিশ প্রদান, আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। তবে অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি স্বপন দেওয়ানজীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানে নিত্যপণ্য সরবরাহ ও যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

লাখ টাকা না দেওয়ায় দেওয়াল ভাঙচুরের অভিযোগ, মতলব উত্তরে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১২:২৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের উত্তর টরকী গ্রামে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলাকালে এক প্রবাসী পরিবারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর (দেওয়াল) জোরপূর্বক ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে উত্তর টরকী নাজিমুদ্দিন সরকার বাড়ির সামনে সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী এলাকাবাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভাঙা দেওয়াল পুনর্র্নিমাণের দাবি জানান। কর্মসূচির আয়োজন করে উত্তর টরকী গ্রামের সর্বস্তরের জনসাধারণ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টরকী বাজার-ইঞ্জিনিয়ার শান্তি সরকার বাড়ি-সুলতানাবাদ ইউপি অফিস-নন্দলালপুর বাজার সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় চলমান উন্নয়ন কাজের সময় উত্তর টরকী গ্রামের মৃত রুহুল আমিন সরকারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়। প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প (সিডব্লিউডিএসপি)-এর অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে। মৃত রুহুল আমিন সরকারের ছেলে ও প্রবাসী মাসুদ সরকার অভিযোগ করেন, তারা তিন ভাই বিদেশে অবস্থান করার সুযোগ নিয়ে ঠিকাদার স্বপন দেওয়ানজী তাদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলেছেন। তিনি দাবি করেন, তাদের সীমানা রাস্তার নির্ধারিত অংশের বাইরে ছিল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রাচীরটি ভাঙা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। ওই টাকা না দেওয়ায় তাদের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অনেকের স্থাপনা রাস্তার ভেতরে থাকা সত্ত্বেও সেগুলো অপসারণ করা হয়নি। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উন্নয়ন কর্মকা-ের নামে কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি জোরপূর্বক ধ্বংস করা আইনসঙ্গত নয়।
প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে কোনো স্থাপনা অপসারণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট মালিককে নোটিশ প্রদান, আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। তবে অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি স্বপন দেওয়ানজীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।