ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সোমেশ^রী নদী পারাপারে ভরসা কাঠের সেতু নির্মাণ করে দিচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার Logo রায়পুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দেয়াল ভাঙচুর, চার দোকানে তালা ও মালামাল লুটের অভিযোগ! Logo দুপচাঁচিয়া ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের উদ্বোধন Logo মৌলভীবাজারে রুমনের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে ২ কোটি ৬ লক্ষ টাকা আতœসাতের অভিযোগ Logo মৌচাক কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি: এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা Logo জগন্নাথপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা Logo দিনাজপুরে ৪২ বিজিবির রাতভর অভিযান, ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo ঈশ্বরগঞ্জে কৃষি ব্যাংকে লুট চেষ্টার ঘটনায় নতুন মোড়, এবার নিরাপত্তাকর্মী গ্রেপ্তার Logo আমন্ত্রণপত্রে সকাল ১১টা-জুড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি শুরু ১০টায় Logo কুলিয়ার মধ্যেপাড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. মেহেদী হাসান মেহেরের উঠান বৈঠক

লাখ টাকা না দেওয়ায় দেওয়াল ভাঙচুরের অভিযোগ, মতলব উত্তরে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের উত্তর টরকী গ্রামে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলাকালে এক প্রবাসী পরিবারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর (দেওয়াল) জোরপূর্বক ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে উত্তর টরকী নাজিমুদ্দিন সরকার বাড়ির সামনে সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী এলাকাবাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভাঙা দেওয়াল পুনর্র্নিমাণের দাবি জানান। কর্মসূচির আয়োজন করে উত্তর টরকী গ্রামের সর্বস্তরের জনসাধারণ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টরকী বাজার-ইঞ্জিনিয়ার শান্তি সরকার বাড়ি-সুলতানাবাদ ইউপি অফিস-নন্দলালপুর বাজার সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় চলমান উন্নয়ন কাজের সময় উত্তর টরকী গ্রামের মৃত রুহুল আমিন সরকারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়। প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প (সিডব্লিউডিএসপি)-এর অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে। মৃত রুহুল আমিন সরকারের ছেলে ও প্রবাসী মাসুদ সরকার অভিযোগ করেন, তারা তিন ভাই বিদেশে অবস্থান করার সুযোগ নিয়ে ঠিকাদার স্বপন দেওয়ানজী তাদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলেছেন। তিনি দাবি করেন, তাদের সীমানা রাস্তার নির্ধারিত অংশের বাইরে ছিল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রাচীরটি ভাঙা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। ওই টাকা না দেওয়ায় তাদের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অনেকের স্থাপনা রাস্তার ভেতরে থাকা সত্ত্বেও সেগুলো অপসারণ করা হয়নি। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উন্নয়ন কর্মকা-ের নামে কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি জোরপূর্বক ধ্বংস করা আইনসঙ্গত নয়।
প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে কোনো স্থাপনা অপসারণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট মালিককে নোটিশ প্রদান, আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। তবে অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি স্বপন দেওয়ানজীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সোমেশ^রী নদী পারাপারে ভরসা কাঠের সেতু নির্মাণ করে দিচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার

লাখ টাকা না দেওয়ায় দেওয়াল ভাঙচুরের অভিযোগ, মতলব উত্তরে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১২:২৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের উত্তর টরকী গ্রামে সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলাকালে এক প্রবাসী পরিবারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর (দেওয়াল) জোরপূর্বক ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে উত্তর টরকী নাজিমুদ্দিন সরকার বাড়ির সামনে সড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী এলাকাবাসী ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ভাঙা দেওয়াল পুনর্র্নিমাণের দাবি জানান। কর্মসূচির আয়োজন করে উত্তর টরকী গ্রামের সর্বস্তরের জনসাধারণ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টরকী বাজার-ইঞ্জিনিয়ার শান্তি সরকার বাড়ি-সুলতানাবাদ ইউপি অফিস-নন্দলালপুর বাজার সড়ক পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় চলমান উন্নয়ন কাজের সময় উত্তর টরকী গ্রামের মৃত রুহুল আমিন সরকারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়। প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প (সিডব্লিউডিএসপি)-এর অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে। মৃত রুহুল আমিন সরকারের ছেলে ও প্রবাসী মাসুদ সরকার অভিযোগ করেন, তারা তিন ভাই বিদেশে অবস্থান করার সুযোগ নিয়ে ঠিকাদার স্বপন দেওয়ানজী তাদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলেছেন। তিনি দাবি করেন, তাদের সীমানা রাস্তার নির্ধারিত অংশের বাইরে ছিল এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রাচীরটি ভাঙা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে তাদের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। ওই টাকা না দেওয়ায় তাদের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, অনেকের স্থাপনা রাস্তার ভেতরে থাকা সত্ত্বেও সেগুলো অপসারণ করা হয়নি। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উন্নয়ন কর্মকা-ের নামে কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি জোরপূর্বক ধ্বংস করা আইনসঙ্গত নয়।
প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে কোনো স্থাপনা অপসারণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট মালিককে নোটিশ প্রদান, আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবি জানান। তবে অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি স্বপন দেওয়ানজীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।