ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন Logo বোয়ালমারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫ শতাধিক ছাত্রীর জন্য শিক্ষক মাত্র ৩ জন: ১২ পদের ৯টিই শূন্য Logo বদলগাছীতে জাতীয় কবি “ নজরুল বর্ষের “ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ Logo কয়রায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি Logo ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি Logo আগৈলঝাড়ায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত Logo মানবিক বিবেচনায় ছাড় না দিলে কঠোর কর্মসূচি আগামীতে Logo শতবর্ষী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান Logo কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে র‌্যালি-আলোচনা Logo প্রবীণরা বোঝা নয় তারা আমাদের শিকড়-আবুজার ইজাজুল হক

বিনা খরচে ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়ানোর কৌশল জানুন

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ১১:৫৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • 127

বাড়িতে ইন্টারনেট স্লো হয়ে যাওয়া এখন প্রায় সবারই পরিচিত সমস্যা। ভিডিও দেখতে গেলে বারবার বাফারিং, অনলাইন ক্লাসে শব্দ কেটে যাওয়া কিংবা কাজের সময় নেট ধীরগতির হয়ে পড়া এসবই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ভাবেন, এর একমাত্র সমাধান হলো নতুন প্যাকেজ নেওয়া বা বেশি টাকা খরচ করা। কিন্তু বাস্তবে কিছু সহজ পরিবর্তনেই আপনার বর্তমান ওয়াই-ফাইয়ের গতি অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।
প্রথমেই নজর দিন রাউটারের অবস্থানের দিকে। এটি যদি ঘরের এক কোণায় বা মেঝেতে রাখা থাকে, তাহলে সিগন্যাল ঠিকমতো ছড়াতে পারে না। ঘরের মাঝামাঝি জায়গায় এবং একটু উঁচুতে রাখলে সিগন্যাল সমানভাবে ছড়ায় এবং সংযোগ ভালো পাওয়া যায়। দেয়াল বা বড় আসবাবপত্র থেকে দূরে রাখাও জরুরি।
রাউটারের অ্যান্টেনার অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। একটি অ্যান্টেনা সোজা এবং অন্যটি আড়াআড়ি রাখলে সিগন্যাল বিভিন্ন দিকে ভালোভাবে ছড়ায়। এতে ঘরের বিভিন্ন অংশে সংযোগের মান উন্নত হয়।
বর্তমান রাউটারগুলোতে সাধারণত ২.৪জিএইচজেড এবং ৫জিএইচজেড দুটি ব্যান্ড থাকে। কাছাকাছি ব্যবহারের জন্য ৫জিএইচজেড ব্যান্ড দ্রুতগতির হলেও দূরে গেলে ২.৪জিএইচজেড বেশি কার্যকর। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ব্যান্ড ব্যবহার করলে ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা আরও ভালো হয়।
অনেক সময় পাশের বাসার ওয়াই-ফাইয়ের কারণে সিগন্যালের সমস্যা তৈরি হয়। এই ক্ষেত্রে রাউটারের সেটিংসে গিয়ে চ্যানেল পরিবর্তন করলে উপকার পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট কয়েকটি চ্যানেল ব্যবহার করলে ইন্টারফেরেন্স কমে যায় এবং স্পিড বাড়ে।
রাউটার নিয়মিত রিস্টার্ট করাও একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উপায়। সপ্তাহে একবার কিছুক্ষণ বন্ধ রেখে আবার চালু করলে ডিভাইসটি নতুন করে কাজ শুরু করে এবং পারফরম্যান্স উন্নত হয়।
এছাড়া যেসব ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেগুলো ওয়াই-ফাই থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা উচিত। কারণ একই নেটওয়ার্কে বেশি ডিভাইস থাকলে স্পিড ভাগ হয়ে যায়। কম ডিভাইস মানেই ভালো গতি।
রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপডেট থাকলে সেটিও করে নেওয়া দরকার। এতে নতুন ফিচার যোগ হওয়ার পাশাপাশি পারফরম্যান্সও উন্নত হয়।
আরেকটি বিষয় অনেকেই খেয়াল করেন না রাউটারের কাছাকাছি মাইক্রোওয়েভ বা ব্লুটুথ ডিভাইস থাকলে সেগুলো সিগন্যালের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই এগুলো দূরে রাখাই ভালো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

বিনা খরচে ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়ানোর কৌশল জানুন

আপডেট সময় ১১:৫৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বাড়িতে ইন্টারনেট স্লো হয়ে যাওয়া এখন প্রায় সবারই পরিচিত সমস্যা। ভিডিও দেখতে গেলে বারবার বাফারিং, অনলাইন ক্লাসে শব্দ কেটে যাওয়া কিংবা কাজের সময় নেট ধীরগতির হয়ে পড়া এসবই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ভাবেন, এর একমাত্র সমাধান হলো নতুন প্যাকেজ নেওয়া বা বেশি টাকা খরচ করা। কিন্তু বাস্তবে কিছু সহজ পরিবর্তনেই আপনার বর্তমান ওয়াই-ফাইয়ের গতি অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।
প্রথমেই নজর দিন রাউটারের অবস্থানের দিকে। এটি যদি ঘরের এক কোণায় বা মেঝেতে রাখা থাকে, তাহলে সিগন্যাল ঠিকমতো ছড়াতে পারে না। ঘরের মাঝামাঝি জায়গায় এবং একটু উঁচুতে রাখলে সিগন্যাল সমানভাবে ছড়ায় এবং সংযোগ ভালো পাওয়া যায়। দেয়াল বা বড় আসবাবপত্র থেকে দূরে রাখাও জরুরি।
রাউটারের অ্যান্টেনার অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। একটি অ্যান্টেনা সোজা এবং অন্যটি আড়াআড়ি রাখলে সিগন্যাল বিভিন্ন দিকে ভালোভাবে ছড়ায়। এতে ঘরের বিভিন্ন অংশে সংযোগের মান উন্নত হয়।
বর্তমান রাউটারগুলোতে সাধারণত ২.৪জিএইচজেড এবং ৫জিএইচজেড দুটি ব্যান্ড থাকে। কাছাকাছি ব্যবহারের জন্য ৫জিএইচজেড ব্যান্ড দ্রুতগতির হলেও দূরে গেলে ২.৪জিএইচজেড বেশি কার্যকর। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ব্যান্ড ব্যবহার করলে ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা আরও ভালো হয়।
অনেক সময় পাশের বাসার ওয়াই-ফাইয়ের কারণে সিগন্যালের সমস্যা তৈরি হয়। এই ক্ষেত্রে রাউটারের সেটিংসে গিয়ে চ্যানেল পরিবর্তন করলে উপকার পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট কয়েকটি চ্যানেল ব্যবহার করলে ইন্টারফেরেন্স কমে যায় এবং স্পিড বাড়ে।
রাউটার নিয়মিত রিস্টার্ট করাও একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উপায়। সপ্তাহে একবার কিছুক্ষণ বন্ধ রেখে আবার চালু করলে ডিভাইসটি নতুন করে কাজ শুরু করে এবং পারফরম্যান্স উন্নত হয়।
এছাড়া যেসব ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেগুলো ওয়াই-ফাই থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা উচিত। কারণ একই নেটওয়ার্কে বেশি ডিভাইস থাকলে স্পিড ভাগ হয়ে যায়। কম ডিভাইস মানেই ভালো গতি।
রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপডেট থাকলে সেটিও করে নেওয়া দরকার। এতে নতুন ফিচার যোগ হওয়ার পাশাপাশি পারফরম্যান্সও উন্নত হয়।
আরেকটি বিষয় অনেকেই খেয়াল করেন না রাউটারের কাছাকাছি মাইক্রোওয়েভ বা ব্লুটুথ ডিভাইস থাকলে সেগুলো সিগন্যালের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই এগুলো দূরে রাখাই ভালো।