ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর Logo গজারিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক Logo ক্যান্সার সচেতনতামূলক সংলাপ ও পথশিশুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ Logo উপকুলের লবনাক্ত আবহাওয়া মাটিতে সাবেক ব্যাংকার জিয়াউদ্দিনের মাল্টা চাষে সফলতা Logo টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজে নতুন এডহক কমিটি, সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ Logo শিবগঞ্জে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা Logo লোহাগাড়ায় ১০০ মিটারের মধ্যে ৯টি অবৈধ করাতকল গিলে খাচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল Logo চৌদ্দগ্রামে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার Logo জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরীর মহা তাবু জলসা ও সমাপনী

বিনা খরচে ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়ানোর কৌশল জানুন

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ১১:৫৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • 128

বাড়িতে ইন্টারনেট স্লো হয়ে যাওয়া এখন প্রায় সবারই পরিচিত সমস্যা। ভিডিও দেখতে গেলে বারবার বাফারিং, অনলাইন ক্লাসে শব্দ কেটে যাওয়া কিংবা কাজের সময় নেট ধীরগতির হয়ে পড়া এসবই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ভাবেন, এর একমাত্র সমাধান হলো নতুন প্যাকেজ নেওয়া বা বেশি টাকা খরচ করা। কিন্তু বাস্তবে কিছু সহজ পরিবর্তনেই আপনার বর্তমান ওয়াই-ফাইয়ের গতি অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।
প্রথমেই নজর দিন রাউটারের অবস্থানের দিকে। এটি যদি ঘরের এক কোণায় বা মেঝেতে রাখা থাকে, তাহলে সিগন্যাল ঠিকমতো ছড়াতে পারে না। ঘরের মাঝামাঝি জায়গায় এবং একটু উঁচুতে রাখলে সিগন্যাল সমানভাবে ছড়ায় এবং সংযোগ ভালো পাওয়া যায়। দেয়াল বা বড় আসবাবপত্র থেকে দূরে রাখাও জরুরি।
রাউটারের অ্যান্টেনার অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। একটি অ্যান্টেনা সোজা এবং অন্যটি আড়াআড়ি রাখলে সিগন্যাল বিভিন্ন দিকে ভালোভাবে ছড়ায়। এতে ঘরের বিভিন্ন অংশে সংযোগের মান উন্নত হয়।
বর্তমান রাউটারগুলোতে সাধারণত ২.৪জিএইচজেড এবং ৫জিএইচজেড দুটি ব্যান্ড থাকে। কাছাকাছি ব্যবহারের জন্য ৫জিএইচজেড ব্যান্ড দ্রুতগতির হলেও দূরে গেলে ২.৪জিএইচজেড বেশি কার্যকর। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ব্যান্ড ব্যবহার করলে ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা আরও ভালো হয়।
অনেক সময় পাশের বাসার ওয়াই-ফাইয়ের কারণে সিগন্যালের সমস্যা তৈরি হয়। এই ক্ষেত্রে রাউটারের সেটিংসে গিয়ে চ্যানেল পরিবর্তন করলে উপকার পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট কয়েকটি চ্যানেল ব্যবহার করলে ইন্টারফেরেন্স কমে যায় এবং স্পিড বাড়ে।
রাউটার নিয়মিত রিস্টার্ট করাও একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উপায়। সপ্তাহে একবার কিছুক্ষণ বন্ধ রেখে আবার চালু করলে ডিভাইসটি নতুন করে কাজ শুরু করে এবং পারফরম্যান্স উন্নত হয়।
এছাড়া যেসব ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেগুলো ওয়াই-ফাই থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা উচিত। কারণ একই নেটওয়ার্কে বেশি ডিভাইস থাকলে স্পিড ভাগ হয়ে যায়। কম ডিভাইস মানেই ভালো গতি।
রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপডেট থাকলে সেটিও করে নেওয়া দরকার। এতে নতুন ফিচার যোগ হওয়ার পাশাপাশি পারফরম্যান্সও উন্নত হয়।
আরেকটি বিষয় অনেকেই খেয়াল করেন না রাউটারের কাছাকাছি মাইক্রোওয়েভ বা ব্লুটুথ ডিভাইস থাকলে সেগুলো সিগন্যালের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই এগুলো দূরে রাখাই ভালো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথপুরে বাঁশের সাঁকোর বদলে ব্রিজ নির্মাণের দাবি, কয়ছর আহমদ এমপির সহযোগিতা কামনা এলাকাবাসীর

বিনা খরচে ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়ানোর কৌশল জানুন

আপডেট সময় ১১:৫৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বাড়িতে ইন্টারনেট স্লো হয়ে যাওয়া এখন প্রায় সবারই পরিচিত সমস্যা। ভিডিও দেখতে গেলে বারবার বাফারিং, অনলাইন ক্লাসে শব্দ কেটে যাওয়া কিংবা কাজের সময় নেট ধীরগতির হয়ে পড়া এসবই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ভাবেন, এর একমাত্র সমাধান হলো নতুন প্যাকেজ নেওয়া বা বেশি টাকা খরচ করা। কিন্তু বাস্তবে কিছু সহজ পরিবর্তনেই আপনার বর্তমান ওয়াই-ফাইয়ের গতি অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।
প্রথমেই নজর দিন রাউটারের অবস্থানের দিকে। এটি যদি ঘরের এক কোণায় বা মেঝেতে রাখা থাকে, তাহলে সিগন্যাল ঠিকমতো ছড়াতে পারে না। ঘরের মাঝামাঝি জায়গায় এবং একটু উঁচুতে রাখলে সিগন্যাল সমানভাবে ছড়ায় এবং সংযোগ ভালো পাওয়া যায়। দেয়াল বা বড় আসবাবপত্র থেকে দূরে রাখাও জরুরি।
রাউটারের অ্যান্টেনার অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। একটি অ্যান্টেনা সোজা এবং অন্যটি আড়াআড়ি রাখলে সিগন্যাল বিভিন্ন দিকে ভালোভাবে ছড়ায়। এতে ঘরের বিভিন্ন অংশে সংযোগের মান উন্নত হয়।
বর্তমান রাউটারগুলোতে সাধারণত ২.৪জিএইচজেড এবং ৫জিএইচজেড দুটি ব্যান্ড থাকে। কাছাকাছি ব্যবহারের জন্য ৫জিএইচজেড ব্যান্ড দ্রুতগতির হলেও দূরে গেলে ২.৪জিএইচজেড বেশি কার্যকর। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ব্যান্ড ব্যবহার করলে ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা আরও ভালো হয়।
অনেক সময় পাশের বাসার ওয়াই-ফাইয়ের কারণে সিগন্যালের সমস্যা তৈরি হয়। এই ক্ষেত্রে রাউটারের সেটিংসে গিয়ে চ্যানেল পরিবর্তন করলে উপকার পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট কয়েকটি চ্যানেল ব্যবহার করলে ইন্টারফেরেন্স কমে যায় এবং স্পিড বাড়ে।
রাউটার নিয়মিত রিস্টার্ট করাও একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উপায়। সপ্তাহে একবার কিছুক্ষণ বন্ধ রেখে আবার চালু করলে ডিভাইসটি নতুন করে কাজ শুরু করে এবং পারফরম্যান্স উন্নত হয়।
এছাড়া যেসব ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে না, সেগুলো ওয়াই-ফাই থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা উচিত। কারণ একই নেটওয়ার্কে বেশি ডিভাইস থাকলে স্পিড ভাগ হয়ে যায়। কম ডিভাইস মানেই ভালো গতি।
রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপডেট থাকলে সেটিও করে নেওয়া দরকার। এতে নতুন ফিচার যোগ হওয়ার পাশাপাশি পারফরম্যান্সও উন্নত হয়।
আরেকটি বিষয় অনেকেই খেয়াল করেন না রাউটারের কাছাকাছি মাইক্রোওয়েভ বা ব্লুটুথ ডিভাইস থাকলে সেগুলো সিগন্যালের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই এগুলো দূরে রাখাই ভালো।