ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন Logo বোয়ালমারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫ শতাধিক ছাত্রীর জন্য শিক্ষক মাত্র ৩ জন: ১২ পদের ৯টিই শূন্য Logo বদলগাছীতে জাতীয় কবি “ নজরুল বর্ষের “ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ Logo কয়রায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি Logo ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি Logo আগৈলঝাড়ায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত Logo মানবিক বিবেচনায় ছাড় না দিলে কঠোর কর্মসূচি আগামীতে Logo শতবর্ষী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান Logo কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে র‌্যালি-আলোচনা Logo প্রবীণরা বোঝা নয় তারা আমাদের শিকড়-আবুজার ইজাজুল হক

ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় সুরক্ষিত রাখতে করণীয়

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ০৮:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • 83

ক্যাফে, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, শপিং মল কিংবা হোটেলে ফ্রি ওয়াই-ফাই এখন অনেকেরই দৈনন্দিন সুবিধা। তবে এই সুবিধাই কখনো কখনো বড় সাইবার ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ, একই জায়গায় ভুয়া ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে হ্যাকাররা ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে। অসাবধানতায় সংযোগ করলেই চুরি হতে পারে পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত তথ্য, এমনকি ব্যাংকিং সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও।
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় নিচের কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন।
১. সংযোগ দেওয়ার আগে ওয়াই-ফাইয়ের নাম নিশ্চিত করুন
একই ধরনের নামের একাধিক নেটওয়ার্ক দেখতে পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই কোনো ক্যাফে, হোটেল বা বিমানবন্দরে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে কর্মীদের কাছ থেকে অফিসিয়াল নেটওয়ার্কের নাম জেনে নিন। অচেনা বা সন্দেহজনক নেটওয়ার্কে কখনও সংযোগ করবেন না।
২. ফাইল শেয়ারিং সুবিধা বন্ধ রাখুন
ডিভাইসে এয়ারড্রপ, নেটওয়ার্ক ডিসকোভারি,নেয়ারবাই শেয়ার বা অন্য কোনো ফাইল শেয়ারিং ফিচার চালু থাকলে একই নেটওয়ার্কে থাকা অন্য কেউ আপনার ডিভাইসে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। তাই পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে এসব অপশন বন্ধ করে রাখাই নিরাপদ।
৩. ভিপিএন ব্যবহার করলে নিরাপত্তা বাড়ে
সম্ভব হলে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন। এটি আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে, ফলে মাঝপথে কেউ তথ্য আটকাতে বা পড়তে পারলেও তা বুঝতে পারবে না। বিশেষ করে অফিসের কাজ বা সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ভিপিএন অত্যন্ত কার্যকর।
৪. ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা যাচাই করুন
কোনও ওয়েবসাইটে লগইন করার আগে ঠিকানার শুরুতে যঃঃঢ়ং:// রয়েছে কি না এবং ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে তালা চিহ্ন দেখা যাচ্ছে কি না, তা দেখে নিন। এগুলো ওয়েবসাইটের নিরাপদ সংযোগের প্রাথমিক নির্দেশক।
৫. অ্যান্টিভাইরাস ও সিকিউরিটি সফটওয়্যার আপডেট রাখুন
বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস বা নিরাপত্তা সফটওয়্যার অনেক সময় ক্ষতিকর ওয়েবসাইট, ম্যালওয়্যার বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করে সতর্কবার্তা দেয়। তাই ডিভাইসে সর্বশেষ সংস্করণের নিরাপত্তা সফটওয়্যার সক্রিয় রাখুন।
অতিরিক্ত সতর্কতা
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করার সময় অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং বা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে লগইন না করাই ভালো। প্রয়োজনে নিজের মোবাইল ডাটা বা ব্যক্তিগত হটস্পট ব্যবহার করুন। সামান্য সচেতনতাই আপনাকে বড় ধরনের সাইবার প্রতারণা ও তথ্য চুরির ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় সুরক্ষিত রাখতে করণীয়

আপডেট সময় ০৮:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ক্যাফে, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, শপিং মল কিংবা হোটেলে ফ্রি ওয়াই-ফাই এখন অনেকেরই দৈনন্দিন সুবিধা। তবে এই সুবিধাই কখনো কখনো বড় সাইবার ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ, একই জায়গায় ভুয়া ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে হ্যাকাররা ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে। অসাবধানতায় সংযোগ করলেই চুরি হতে পারে পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত তথ্য, এমনকি ব্যাংকিং সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও।
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় নিচের কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন।
১. সংযোগ দেওয়ার আগে ওয়াই-ফাইয়ের নাম নিশ্চিত করুন
একই ধরনের নামের একাধিক নেটওয়ার্ক দেখতে পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই কোনো ক্যাফে, হোটেল বা বিমানবন্দরে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে কর্মীদের কাছ থেকে অফিসিয়াল নেটওয়ার্কের নাম জেনে নিন। অচেনা বা সন্দেহজনক নেটওয়ার্কে কখনও সংযোগ করবেন না।
২. ফাইল শেয়ারিং সুবিধা বন্ধ রাখুন
ডিভাইসে এয়ারড্রপ, নেটওয়ার্ক ডিসকোভারি,নেয়ারবাই শেয়ার বা অন্য কোনো ফাইল শেয়ারিং ফিচার চালু থাকলে একই নেটওয়ার্কে থাকা অন্য কেউ আপনার ডিভাইসে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। তাই পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে এসব অপশন বন্ধ করে রাখাই নিরাপদ।
৩. ভিপিএন ব্যবহার করলে নিরাপত্তা বাড়ে
সম্ভব হলে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন। এটি আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে, ফলে মাঝপথে কেউ তথ্য আটকাতে বা পড়তে পারলেও তা বুঝতে পারবে না। বিশেষ করে অফিসের কাজ বা সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ভিপিএন অত্যন্ত কার্যকর।
৪. ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা যাচাই করুন
কোনও ওয়েবসাইটে লগইন করার আগে ঠিকানার শুরুতে যঃঃঢ়ং:// রয়েছে কি না এবং ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে তালা চিহ্ন দেখা যাচ্ছে কি না, তা দেখে নিন। এগুলো ওয়েবসাইটের নিরাপদ সংযোগের প্রাথমিক নির্দেশক।
৫. অ্যান্টিভাইরাস ও সিকিউরিটি সফটওয়্যার আপডেট রাখুন
বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস বা নিরাপত্তা সফটওয়্যার অনেক সময় ক্ষতিকর ওয়েবসাইট, ম্যালওয়্যার বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করে সতর্কবার্তা দেয়। তাই ডিভাইসে সর্বশেষ সংস্করণের নিরাপত্তা সফটওয়্যার সক্রিয় রাখুন।
অতিরিক্ত সতর্কতা
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করার সময় অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং বা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে লগইন না করাই ভালো। প্রয়োজনে নিজের মোবাইল ডাটা বা ব্যক্তিগত হটস্পট ব্যবহার করুন। সামান্য সচেতনতাই আপনাকে বড় ধরনের সাইবার প্রতারণা ও তথ্য চুরির ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখতে পারে।