ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক Logo আবুল কালাম এম.পির আন্তরিক প্রচেষ্টায় লাকসামে উন্নয়নের বিপ্লব: ৭ মাসে সাড়ে ৩৩ কোটি টাকায় ৪৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন Logo বদলগাছীতে সহোদর দুই বোনকে বিয়ে করলেন টিকটকার মাসুদ Logo চাঁদপুরের প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে একটি করে পাঠাগার-জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান Logo গ্রাম্য আদালতকে উপেক্ষা করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ Logo কলমাকান্দায় কাঠের সেতু সংস্কার, উদ্বোধন করল শিক্ষার্থীরা Logo রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন না হলে তারেক রহমানও শেখ হাসিনার পথে হাঁটবেন-আহবায়ক নাহিদ ইসলাম Logo গণ-অধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য রেলি ও আলোচনা সভা Logo লালমোহনে স্পিকারের অনুদানের চেক পেলেন ১৯০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবার Logo মাতামুহুরীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব: ভারী ট্রাকে পিষ্ট হয়ে ভেঙে চৌচির ১৫ কিমি সড়ক হুমকিতে বেতুয়াবাজার ব্রিজ ও নদীর গাইড ওয়াল, প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় সুরক্ষিত রাখতে করণীয়

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ০৮:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • 115

ক্যাফে, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, শপিং মল কিংবা হোটেলে ফ্রি ওয়াই-ফাই এখন অনেকেরই দৈনন্দিন সুবিধা। তবে এই সুবিধাই কখনো কখনো বড় সাইবার ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ, একই জায়গায় ভুয়া ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে হ্যাকাররা ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে। অসাবধানতায় সংযোগ করলেই চুরি হতে পারে পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত তথ্য, এমনকি ব্যাংকিং সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও।
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় নিচের কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন।
১. সংযোগ দেওয়ার আগে ওয়াই-ফাইয়ের নাম নিশ্চিত করুন
একই ধরনের নামের একাধিক নেটওয়ার্ক দেখতে পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই কোনো ক্যাফে, হোটেল বা বিমানবন্দরে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে কর্মীদের কাছ থেকে অফিসিয়াল নেটওয়ার্কের নাম জেনে নিন। অচেনা বা সন্দেহজনক নেটওয়ার্কে কখনও সংযোগ করবেন না।
২. ফাইল শেয়ারিং সুবিধা বন্ধ রাখুন
ডিভাইসে এয়ারড্রপ, নেটওয়ার্ক ডিসকোভারি,নেয়ারবাই শেয়ার বা অন্য কোনো ফাইল শেয়ারিং ফিচার চালু থাকলে একই নেটওয়ার্কে থাকা অন্য কেউ আপনার ডিভাইসে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। তাই পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে এসব অপশন বন্ধ করে রাখাই নিরাপদ।
৩. ভিপিএন ব্যবহার করলে নিরাপত্তা বাড়ে
সম্ভব হলে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন। এটি আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে, ফলে মাঝপথে কেউ তথ্য আটকাতে বা পড়তে পারলেও তা বুঝতে পারবে না। বিশেষ করে অফিসের কাজ বা সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ভিপিএন অত্যন্ত কার্যকর।
৪. ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা যাচাই করুন
কোনও ওয়েবসাইটে লগইন করার আগে ঠিকানার শুরুতে যঃঃঢ়ং:// রয়েছে কি না এবং ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে তালা চিহ্ন দেখা যাচ্ছে কি না, তা দেখে নিন। এগুলো ওয়েবসাইটের নিরাপদ সংযোগের প্রাথমিক নির্দেশক।
৫. অ্যান্টিভাইরাস ও সিকিউরিটি সফটওয়্যার আপডেট রাখুন
বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস বা নিরাপত্তা সফটওয়্যার অনেক সময় ক্ষতিকর ওয়েবসাইট, ম্যালওয়্যার বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করে সতর্কবার্তা দেয়। তাই ডিভাইসে সর্বশেষ সংস্করণের নিরাপত্তা সফটওয়্যার সক্রিয় রাখুন।
অতিরিক্ত সতর্কতা
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করার সময় অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং বা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে লগইন না করাই ভালো। প্রয়োজনে নিজের মোবাইল ডাটা বা ব্যক্তিগত হটস্পট ব্যবহার করুন। সামান্য সচেতনতাই আপনাকে বড় ধরনের সাইবার প্রতারণা ও তথ্য চুরির ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ১০ কিলোমিটার মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, বেপরোয়া বাস ও অবৈধ পার্কিংয়ে আতঙ্ক

ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় সুরক্ষিত রাখতে করণীয়

আপডেট সময় ০৮:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ক্যাফে, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, শপিং মল কিংবা হোটেলে ফ্রি ওয়াই-ফাই এখন অনেকেরই দৈনন্দিন সুবিধা। তবে এই সুবিধাই কখনো কখনো বড় সাইবার ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ, একই জায়গায় ভুয়া ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে হ্যাকাররা ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে। অসাবধানতায় সংযোগ করলেই চুরি হতে পারে পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত তথ্য, এমনকি ব্যাংকিং সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও।
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় নিচের কয়েকটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন।
১. সংযোগ দেওয়ার আগে ওয়াই-ফাইয়ের নাম নিশ্চিত করুন
একই ধরনের নামের একাধিক নেটওয়ার্ক দেখতে পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তাই কোনো ক্যাফে, হোটেল বা বিমানবন্দরে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে কর্মীদের কাছ থেকে অফিসিয়াল নেটওয়ার্কের নাম জেনে নিন। অচেনা বা সন্দেহজনক নেটওয়ার্কে কখনও সংযোগ করবেন না।
২. ফাইল শেয়ারিং সুবিধা বন্ধ রাখুন
ডিভাইসে এয়ারড্রপ, নেটওয়ার্ক ডিসকোভারি,নেয়ারবাই শেয়ার বা অন্য কোনো ফাইল শেয়ারিং ফিচার চালু থাকলে একই নেটওয়ার্কে থাকা অন্য কেউ আপনার ডিভাইসে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। তাই পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহারের আগে এসব অপশন বন্ধ করে রাখাই নিরাপদ।
৩. ভিপিএন ব্যবহার করলে নিরাপত্তা বাড়ে
সম্ভব হলে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করুন। এটি আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে, ফলে মাঝপথে কেউ তথ্য আটকাতে বা পড়তে পারলেও তা বুঝতে পারবে না। বিশেষ করে অফিসের কাজ বা সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ভিপিএন অত্যন্ত কার্যকর।
৪. ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা যাচাই করুন
কোনও ওয়েবসাইটে লগইন করার আগে ঠিকানার শুরুতে যঃঃঢ়ং:// রয়েছে কি না এবং ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে তালা চিহ্ন দেখা যাচ্ছে কি না, তা দেখে নিন। এগুলো ওয়েবসাইটের নিরাপদ সংযোগের প্রাথমিক নির্দেশক।
৫. অ্যান্টিভাইরাস ও সিকিউরিটি সফটওয়্যার আপডেট রাখুন
বিশ্বস্ত অ্যান্টিভাইরাস বা নিরাপত্তা সফটওয়্যার অনেক সময় ক্ষতিকর ওয়েবসাইট, ম্যালওয়্যার বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করে সতর্কবার্তা দেয়। তাই ডিভাইসে সর্বশেষ সংস্করণের নিরাপত্তা সফটওয়্যার সক্রিয় রাখুন।
অতিরিক্ত সতর্কতা
পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করার সময় অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং বা গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে লগইন না করাই ভালো। প্রয়োজনে নিজের মোবাইল ডাটা বা ব্যক্তিগত হটস্পট ব্যবহার করুন। সামান্য সচেতনতাই আপনাকে বড় ধরনের সাইবার প্রতারণা ও তথ্য চুরির ঝুঁকি থেকে নিরাপদ রাখতে পারে।