ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মালয়েশিয়া যুবদলের সহ-সভাপতি টঙ্গীবাড়ীর আব্দুল হাকিম দেওয়ান, নিজ এলাকায় ফুলেল সংবর্ধনা Logo পাবনায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের প্রস্তুতিমূলক সভা Logo নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে কুড়িগ্রামে মাদ্রাসায় বিক্ষোভ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদত্যাগ Logo নিরাপদ সড়কের দাবিতে লালমনিরহাট বুড়িমারী সড়কের পাটগ্রামের ঘুন্টিবাজারে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন Logo মিরসরাইয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রদল Logo কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে ৮ বছরেও চালু হয়নি বারোবাজার হাটচাঁদনী Logo ইলিয়াস-নয়নের নেতৃত্বে লালমোহনে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল Logo চান্দগাঁও থানা মধ্যম মোহরায় ফ্রী চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন লায়ন্সক্লাব অব তিলোত্তমা Logo কেরাণীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের সচেতনতামূলক সভা Logo সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জনের দাফন

হাসিনাসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ: বিএফআইইউ প্রধান

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর দেশে ও বিদেশে থাকা মোট ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের আদেশে জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন। গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন বলেন, জব্দ করা সম্পদের মধ্যে দেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ ৫৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ ১৯ হাজার কোটি টাকা।
তিনি জানান, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরের শেষ নাগাদ সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে ইতিবাচক খবর দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিএফআইইউ প্রধান আরও বলেন, আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করে না। সন্দেহজনক লেনদেন বা কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব স্থগিত (ফ্রিজ) করা হয়।
তিনি বলেন, আমরা দল-মতের ভিত্তিতে কাজ করি না। সন্দেহজনক কার্যক্রমের প্রমাণ মিললেই ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধেও এমন তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্প গ্রুপের অবৈধ সম্পদ অর্জন, কর ফাঁকি ও অর্থপাচার খতিয়ে দেখতে যৌথ তদন্ত দল কাজ শুরু করে। গ্রুপগুলো হলো- এস আলম, বেক্সিমকো, নাবিল, সামিট, ওরিয়ন, নাসা, বসুন্ধরা, ডা. ইকবালের প্রিমিয়ার, সিকদার ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের আরামিট গ্রুপ।
তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে এরই মধ্যে সম্পদ জব্দ ছাড়াও মামলা, বিদেশ থেকে সম্পদ ফেরত আনতে আন্তর্জাতিক আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ চলছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়া যুবদলের সহ-সভাপতি টঙ্গীবাড়ীর আব্দুল হাকিম দেওয়ান, নিজ এলাকায় ফুলেল সংবর্ধনা

হাসিনাসহ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ: বিএফআইইউ প্রধান

আপডেট সময় ০২:২৬:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর দেশে ও বিদেশে থাকা মোট ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের আদেশে জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন। গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন বলেন, জব্দ করা সম্পদের মধ্যে দেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ ৫৭ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশে থাকা সম্পদের পরিমাণ ১৯ হাজার কোটি টাকা।
তিনি জানান, বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরের শেষ নাগাদ সম্পদ উদ্ধারের বিষয়ে ইতিবাচক খবর দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিএফআইইউ প্রধান আরও বলেন, আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করে না। সন্দেহজনক লেনদেন বা কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব স্থগিত (ফ্রিজ) করা হয়।
তিনি বলেন, আমরা দল-মতের ভিত্তিতে কাজ করি না। সন্দেহজনক কার্যক্রমের প্রমাণ মিললেই ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধেও এমন তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে শেখ হাসিনা পরিবার ও ১০ শিল্প গ্রুপের অবৈধ সম্পদ অর্জন, কর ফাঁকি ও অর্থপাচার খতিয়ে দেখতে যৌথ তদন্ত দল কাজ শুরু করে। গ্রুপগুলো হলো- এস আলম, বেক্সিমকো, নাবিল, সামিট, ওরিয়ন, নাসা, বসুন্ধরা, ডা. ইকবালের প্রিমিয়ার, সিকদার ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদের আরামিট গ্রুপ।
তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে এরই মধ্যে সম্পদ জব্দ ছাড়াও মামলা, বিদেশ থেকে সম্পদ ফেরত আনতে আন্তর্জাতিক আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ চলছে।