ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

গোপালগঞ্জ-ঢাকা সরাসরি রেলযাত্রার নতুন অধ্যায়, ১০ আগস্ট থেকে ছুটবে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে চালু হচ্ছে সরাসরি ট্রেন সার্ভিস। আগামী ১০ আগস্ট থেকে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে নতুন এই ট্রেনটি নিয়মিত চলাচল শুরু করবে। রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত গোপালগঞ্জবাসী। কম খরচে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াতের পাশাপাশি নতুন এই রেল যোগাযোগ জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল ১০ আগস্ট সোমবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে প্রথম যাত্রা করবে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’। ট্রেনটি সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে গোপালগঞ্জে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রায় ৭০০ আসনবিশিষ্ট এই কমিউটার ট্রেনে সরাসরি ঢাকা যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হওয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে বলে মনে করছেন গোপালগঞ্জবাসী। বিশেষ করে নি¤œ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য ট্রেনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কারণ সড়কপথে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাতায়াতে যেখানে সাধারণত ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়, সেখানে ট্রেনে মাত্র ১৪৫ টাকা ভাড়ায় ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হবে। স্থানীয়দের মতে, সড়কপথের অতিরিক্ত ভাড়া, যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকির তুলনায় রেলপথে কম খরচে তুলনামূলক নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত সম্ভব হবে। ফলে চাকরি, ব্যবসা, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে। গোপালগঞ্জের রেলযান পরীক্ষক পল্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে সরাসরি এক জোড়া ট্রেন চালু করা স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। প্রায় ৭০০ আসনের এই ট্রেনে ১৪৫ টাকায় ঢাকায় যাতায়াত করা যাবে। ভবিষ্যতে অতিরিক্ত লাগেজ বগি যুক্ত করা হলে গোপালগঞ্জের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য কম খরচে রাজধানীর বাজারে পাঠানোর সুযোগ পাবেন। গোপালগঞ্জ কৃষিপ্রধান জেলা হওয়ায় নতুন রেলসেবা কৃষিপণ্য পরিবহনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দ্রুত ঢাকার বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হলে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাওয়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও কমাতে পারবেন। এতে কৃষক ও ভোক্তা—উভয় পক্ষই লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় অটোচালক মো. সবুজ বলেন, নতুন ট্রেনটি নি¤œ ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য বড় সুবিধা নিয়ে আসবে। বাসের তুলনায় অনেক কম খরচে ঢাকায় যাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে কৃষিপণ্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা গেলে গোপালগঞ্জের কৃষকরাও সরাসরি উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাসান মোল্লা বলেন, বাসে ঢাকায় যেতে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় হয়। এর পাশাপাশি সড়কপথে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়েছে। ট্রেন চালু হওয়ায় কম খরচে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে রাজধানীতে যাতায়াত করা সম্ভব হবে। গোপালগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার রতœা বৈদ্য জানান, গোপালগঞ্জ থেকে রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল করলেও ঢাকার সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ ছিল না। নতুন এই ট্রেন চালুর ফলে দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যা অনেকটাই কমবে। যাত্রী সংখ্যা বাড়লে রেলওয়ের রাজস্ব আয়ও বাড়তে পারে। তবে নতুন ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষও রয়েছে। গোপালগঞ্জ শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মো. স্বপন বলেন, ট্রেন চালু হওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর। তবে সকালে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ট্রেন ছাড়লে অফিস, ব্যবসা কিংবা অন্যান্য জরুরি কাজে ঢাকায় যাওয়া মানুষ একই দিনে কাজ শেষ করে আবার গোপালগঞ্জে ফিরতে পারতেন। তাই ভবিষ্যতে যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি রেল যোগাযোগ চালুর ফলে শুধু যাতায়াতের খরচ ও সময়ই কমবে না; বরং শিক্ষা, চিকিৎসা, চাকরি, ব্যবসা ও কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। গোপালগঞ্জের পাশাপাশি আশপাশের বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার মানুষও এই রেলসেবার সুফল পেতে পারেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ তাই গোপালগঞ্জবাসীর কাছে কেবল একটি নতুন ট্রেন নয়; বরং রাজধানীর সঙ্গে জেলার সরাসরি যোগাযোগ, স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনে পরিবর্তনের সম্ভাবনাময় একটি নতুন অধ্যায়। নিয়মিত ও কার্যকর রেলসেবা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে গোপালগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

গোপালগঞ্জ-ঢাকা সরাসরি রেলযাত্রার নতুন অধ্যায়, ১০ আগস্ট থেকে ছুটবে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’

আপডেট সময় ০১:৪০:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে চালু হচ্ছে সরাসরি ট্রেন সার্ভিস। আগামী ১০ আগস্ট থেকে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে নতুন এই ট্রেনটি নিয়মিত চলাচল শুরু করবে। রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত গোপালগঞ্জবাসী। কম খরচে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াতের পাশাপাশি নতুন এই রেল যোগাযোগ জেলার ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল ১০ আগস্ট সোমবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে প্রথম যাত্রা করবে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’। ট্রেনটি সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে গোপালগঞ্জে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রায় ৭০০ আসনবিশিষ্ট এই কমিউটার ট্রেনে সরাসরি ঢাকা যাতায়াতের সুযোগ তৈরি হওয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে বলে মনে করছেন গোপালগঞ্জবাসী। বিশেষ করে নি¤œ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য ট্রেনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কারণ সড়কপথে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় যাতায়াতে যেখানে সাধারণত ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়, সেখানে ট্রেনে মাত্র ১৪৫ টাকা ভাড়ায় ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হবে। স্থানীয়দের মতে, সড়কপথের অতিরিক্ত ভাড়া, যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকির তুলনায় রেলপথে কম খরচে তুলনামূলক নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত সম্ভব হবে। ফলে চাকরি, ব্যবসা, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে। গোপালগঞ্জের রেলযান পরীক্ষক পল্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে সরাসরি এক জোড়া ট্রেন চালু করা স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। প্রায় ৭০০ আসনের এই ট্রেনে ১৪৫ টাকায় ঢাকায় যাতায়াত করা যাবে। ভবিষ্যতে অতিরিক্ত লাগেজ বগি যুক্ত করা হলে গোপালগঞ্জের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য কম খরচে রাজধানীর বাজারে পাঠানোর সুযোগ পাবেন। গোপালগঞ্জ কৃষিপ্রধান জেলা হওয়ায় নতুন রেলসেবা কৃষিপণ্য পরিবহনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দ্রুত ঢাকার বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হলে কৃষকরা ন্যায্য দাম পাওয়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও কমাতে পারবেন। এতে কৃষক ও ভোক্তা—উভয় পক্ষই লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় অটোচালক মো. সবুজ বলেন, নতুন ট্রেনটি নি¤œ ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য বড় সুবিধা নিয়ে আসবে। বাসের তুলনায় অনেক কম খরচে ঢাকায় যাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে কৃষিপণ্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা গেলে গোপালগঞ্জের কৃষকরাও সরাসরি উপকৃত হবেন। স্থানীয় বাসিন্দা মো. হাসান মোল্লা বলেন, বাসে ঢাকায় যেতে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় হয়। এর পাশাপাশি সড়কপথে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও রয়েছে। ট্রেন চালু হওয়ায় কম খরচে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে রাজধানীতে যাতায়াত করা সম্ভব হবে। গোপালগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার রতœা বৈদ্য জানান, গোপালগঞ্জ থেকে রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল করলেও ঢাকার সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ ছিল না। নতুন এই ট্রেন চালুর ফলে দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যা অনেকটাই কমবে। যাত্রী সংখ্যা বাড়লে রেলওয়ের রাজস্ব আয়ও বাড়তে পারে। তবে নতুন ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষও রয়েছে। গোপালগঞ্জ শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মো. স্বপন বলেন, ট্রেন চালু হওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর। তবে সকালে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে ট্রেন ছাড়লে অফিস, ব্যবসা কিংবা অন্যান্য জরুরি কাজে ঢাকায় যাওয়া মানুষ একই দিনে কাজ শেষ করে আবার গোপালগঞ্জে ফিরতে পারতেন। তাই ভবিষ্যতে যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সময়সূচি পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি রেল যোগাযোগ চালুর ফলে শুধু যাতায়াতের খরচ ও সময়ই কমবে না; বরং শিক্ষা, চিকিৎসা, চাকরি, ব্যবসা ও কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। গোপালগঞ্জের পাশাপাশি আশপাশের বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার মানুষও এই রেলসেবার সুফল পেতে পারেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর চালু হতে যাওয়া ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ তাই গোপালগঞ্জবাসীর কাছে কেবল একটি নতুন ট্রেন নয়; বরং রাজধানীর সঙ্গে জেলার সরাসরি যোগাযোগ, স্থানীয় অর্থনীতি ও জনজীবনে পরিবর্তনের সম্ভাবনাময় একটি নতুন অধ্যায়। নিয়মিত ও কার্যকর রেলসেবা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে গোপালগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।