ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

কাশিয়ানীতে ইউনিয়ন সমাজ কর্মীর স্ত্রী, শশুর ও শ্বাশুড়ীর নামে ভূয়া প্রতিবন্ধী ভাতানেওয়ার অভিযোগ

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীতে ইউনিয়ন সমাজ কর্মীর স্ত্রী,শশুর-শাশুড়ীর নামে ভূয়া প্রতিবন্ধী ভাতা। তাদের প্রতিবন্ধী সাজিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ভাতা উত্তলোন করে আসছে এক ইউনিয়ন সমাজকর্মী। জানাগেছে, কাশিয়ানী উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ইউনিয়ন সমাজ কর্মী মোঃ মশিউর রহমান তালুকদার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের মাইজকান্দি গ্রামের প্রভাবশালী মৃত-মকবুল হোসেন তালুকদারের ছেলে। তিনি নিজের ইউনিয়নে সমাজকর্মী হিসাবে কর্মরত থাকায় অফিসে এবং এলাকায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছেন। এলাকায় কেউ তার উপর কথা বলার সাহস পযর্ন্ত পায় না। তিনি দীর্ঘদিন যাবত কাশিয়ানীতে অফিসে কর্মরত থাকায় এবং এলাকায় প্রভাবশালী থাকার কারনে অর্থের বিনিময়ে অনেক সুস্থ্য মানুষকে প্রতিবন্ধী দেখিয়ে প্রতিবন্ধী সুরক্ষা আইনের সুযোগ নিয়ে অবৈধ্য ভাবে ভাতা করে দিয়েছেন। তিনি নিজের সর্ম্পূন সুস্থ্য স্ত্রী রিক্তা খানম, শশুর মোঃ ফরিদ মোল্যা,শশুর আমেনা বেগমকে প্রতিবন্ধী দেখিয়ে ভাতা করে দিয়েছেন। এ খানেই শেষ না। তিনি মাইজকান্দি গ্রামের খাদিজা খানম, কেয়া বেগম, শাহানারা বেগম, আদরী বেগম, রাশেদা বেগম, কোমেলা বেগম সহ অনেককেই তিনি অর্থের বিনিময়ে প্রতিবন্ধী দেখিয়ে ভাতা করে দিয়েছেন। এ প্রতিবেদক এলাকায় গেলে নব্বই বছর বয়সী মোঃ কালাম তালুকদার,আশি বছর বয়সী হানিফ খা,পচাঁত্তর বছর বয়সী মোঃ এনায়েত হোসেন জানান, অভিযুক্ত মোঃ মশিউর রহমান যাদের ভাতা দিয়েছে তারা সবাই সুস্থ্য ও সবল মানুষ। কেউ প্রতিবন্ধী না। প্রতিবন্ধী সুরক্ষা আইনের সুযোগ নিয়ে সুস্থ্যদের কাগজে কলমে প্রতিবন্ধী দেখিয়ে ভাতা করে দিয়ে অচ্ছল লোকজনের কাছ থেকে করছেন রমরমা বানিজ্য! এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার বরাবরে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহীন মিয়া অভিযোগের কথা নিশ্চিত করে বলেন, নিয়ম মোতাবেক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা এ বি এম সৌরভ রেজা শিহাব প্রতিবেদককে জনান, অভিযোগ পেয়ে ওই অভিযুক্ত কর্মচারী মোঃ মশিউর রহমানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি নিজের স্ত্রী,শশুর ও শাশুড়ী প্রতিবন্ধী ভাতা ভোগী বলে স্বীকার করেছেন। তদন্তপূর্বক বিধি মোতাবেক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

কাশিয়ানীতে ইউনিয়ন সমাজ কর্মীর স্ত্রী, শশুর ও শ্বাশুড়ীর নামে ভূয়া প্রতিবন্ধী ভাতানেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীতে ইউনিয়ন সমাজ কর্মীর স্ত্রী,শশুর-শাশুড়ীর নামে ভূয়া প্রতিবন্ধী ভাতা। তাদের প্রতিবন্ধী সাজিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ভাতা উত্তলোন করে আসছে এক ইউনিয়ন সমাজকর্মী। জানাগেছে, কাশিয়ানী উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ইউনিয়ন সমাজ কর্মী মোঃ মশিউর রহমান তালুকদার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের মাইজকান্দি গ্রামের প্রভাবশালী মৃত-মকবুল হোসেন তালুকদারের ছেলে। তিনি নিজের ইউনিয়নে সমাজকর্মী হিসাবে কর্মরত থাকায় অফিসে এবং এলাকায় ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছেন। এলাকায় কেউ তার উপর কথা বলার সাহস পযর্ন্ত পায় না। তিনি দীর্ঘদিন যাবত কাশিয়ানীতে অফিসে কর্মরত থাকায় এবং এলাকায় প্রভাবশালী থাকার কারনে অর্থের বিনিময়ে অনেক সুস্থ্য মানুষকে প্রতিবন্ধী দেখিয়ে প্রতিবন্ধী সুরক্ষা আইনের সুযোগ নিয়ে অবৈধ্য ভাবে ভাতা করে দিয়েছেন। তিনি নিজের সর্ম্পূন সুস্থ্য স্ত্রী রিক্তা খানম, শশুর মোঃ ফরিদ মোল্যা,শশুর আমেনা বেগমকে প্রতিবন্ধী দেখিয়ে ভাতা করে দিয়েছেন। এ খানেই শেষ না। তিনি মাইজকান্দি গ্রামের খাদিজা খানম, কেয়া বেগম, শাহানারা বেগম, আদরী বেগম, রাশেদা বেগম, কোমেলা বেগম সহ অনেককেই তিনি অর্থের বিনিময়ে প্রতিবন্ধী দেখিয়ে ভাতা করে দিয়েছেন। এ প্রতিবেদক এলাকায় গেলে নব্বই বছর বয়সী মোঃ কালাম তালুকদার,আশি বছর বয়সী হানিফ খা,পচাঁত্তর বছর বয়সী মোঃ এনায়েত হোসেন জানান, অভিযুক্ত মোঃ মশিউর রহমান যাদের ভাতা দিয়েছে তারা সবাই সুস্থ্য ও সবল মানুষ। কেউ প্রতিবন্ধী না। প্রতিবন্ধী সুরক্ষা আইনের সুযোগ নিয়ে সুস্থ্যদের কাগজে কলমে প্রতিবন্ধী দেখিয়ে ভাতা করে দিয়ে অচ্ছল লোকজনের কাছ থেকে করছেন রমরমা বানিজ্য! এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার বরাবরে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহীন মিয়া অভিযোগের কথা নিশ্চিত করে বলেন, নিয়ম মোতাবেক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা এ বি এম সৌরভ রেজা শিহাব প্রতিবেদককে জনান, অভিযোগ পেয়ে ওই অভিযুক্ত কর্মচারী মোঃ মশিউর রহমানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি নিজের স্ত্রী,শশুর ও শাশুড়ী প্রতিবন্ধী ভাতা ভোগী বলে স্বীকার করেছেন। তদন্তপূর্বক বিধি মোতাবেক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।