ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

ইউটিউব থেকে আয় করা আরও কঠিন হচ্ছে

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ০৮:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 51

যারা নতুন করে ইউটিউব চ্যানেল শুরু করে আয় করতে চাইছেন, তাদের জন্য এই পথ আরও কঠিন হতে চলেছে।
ভিডিও তৈরি করে ইউটিউব থেকে আয় করা এখন অনেকেরই পেশা বা অতিরিক্ত আয়ের পথ। নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করে দর্শক ও সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকেও আয় করার সুযোগ রয়েছে। তবে যারা নতুন করে ইউটিউব চ্যানেল শুরু করে আয় করতে চাইছেন, তাদের জন্য এই পথ আরও কঠিন হতে চলেছে। বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের যোগ্যতা অর্জনে ওয়াচ আওয়ার ও শর্টস ভিউয়ের শর্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে ইউটিউব।
বদলে যাচ্ছে ইউটিউবের আয়ের শর্ত
ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম বা ণচচ-এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে হলে নির্মাতাদের নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে সেই যোগ্যতার সীমা বর্তমানের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনের আয়ের অংশ পেতে একজন নির্মাতার প্রয়োজন হবে-
গত ৩৬৫ দিনে অন্তত ৮ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার।
গত ৯০ দিনে কমপক্ষে ২ কোটি শর্টস ভিউ।
চ্যানেলে অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার।
অর্থাৎ দীর্ঘ ভিডিওর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওয়াচ আওয়ার এবং শর্টসের ক্ষেত্রে ভিউয়ের লক্ষ্যমাত্রা দুই ক্ষেত্রেই বর্তমান সীমার তুলনায় দ্বিগুণ করা হচ্ছে।
এখন কতটা সহজ?
বর্তমানে ইউটিউবের বিজ্ঞাপন আয়ের যোগ্যতা অর্জনের জন্য একজন নির্মাতাকে গত ১২ মাসে ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার অথবা গত ৯০ দিনে ১ কোটি শর্টস ভিউ সংগ্রহ করতে হয়। এর পাশাপাশি চ্যানেলে থাকতে হয় অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার। নতুন নিয়ম চালু হলে ৪ হাজারের জায়গায় ওয়াচ আওয়ারের লক্ষ্য হবে ৮ হাজার। একইভাবে শর্টসের ক্ষেত্রে ১ কোটি ভিউয়ের পরিবর্তে প্রয়োজন হবে ২ কোটি ভিউ। ফলে নতুন নির্মাতাদের বিজ্ঞাপন আয়ের পর্যায়ে পৌঁছাতে আগের তুলনায় বেশি দর্শক তৈরি করতে হবে।
পুরোনো নির্মাতাদের কী হবে?
এই পরিবর্তনের মূল প্রভাব পড়তে পারে নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের ওপর। যারা এরই মধ্যে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে নতুন যোগ্যতার নিয়ম সরাসরি প্রযোজ্য হবে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আগামী বছর যারা নতুন করে চ্যানেল খুলে ইউটিউবকে আয়ের মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের শুরু থেকেই দর্শক ধরে রাখার কৌশল নিয়ে কাজ করতে হবে। শুধু সাবস্ক্রাইবার বাড়ানো নয়, ভিডিও কতক্ষণ দেখা হচ্ছে এবং শর্টস কতজন দেখছেন সেদিকেও নজর দিতে হবে।
কবে থেকে চালু হবে নতুন নিয়ম?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউটিউবের নতুন যোগ্যতার শর্ত ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে নিয়ম পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কে ইউটিউবের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। নতুন শর্ত কার্যকর হলে কনটেন্ট নির্মাতাদের নিয়মিত ও মানসম্মত ভিডিও প্রকাশের পাশাপাশি দর্শক তৈরিতে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে ছোট চ্যানেলগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এত বেশি ওয়াচ আওয়ার বা শর্টস ভিউ অর্জন করা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
এর ফলে নতুন নির্মাতাদের কেউ কেউ ইউটিউবের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামের মতো অন্য প্ল্যাটফর্মেও কনটেন্ট প্রকাশ করে দর্শক তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। তবে শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে হলে ইউটিউবের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতেই হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

ইউটিউব থেকে আয় করা আরও কঠিন হচ্ছে

আপডেট সময় ০৮:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যারা নতুন করে ইউটিউব চ্যানেল শুরু করে আয় করতে চাইছেন, তাদের জন্য এই পথ আরও কঠিন হতে চলেছে।
ভিডিও তৈরি করে ইউটিউব থেকে আয় করা এখন অনেকেরই পেশা বা অতিরিক্ত আয়ের পথ। নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করে দর্শক ও সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকেও আয় করার সুযোগ রয়েছে। তবে যারা নতুন করে ইউটিউব চ্যানেল শুরু করে আয় করতে চাইছেন, তাদের জন্য এই পথ আরও কঠিন হতে চলেছে। বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের যোগ্যতা অর্জনে ওয়াচ আওয়ার ও শর্টস ভিউয়ের শর্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে ইউটিউব।
বদলে যাচ্ছে ইউটিউবের আয়ের শর্ত
ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম বা ণচচ-এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে হলে নির্মাতাদের নির্দিষ্ট কিছু যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে সেই যোগ্যতার সীমা বর্তমানের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনের আয়ের অংশ পেতে একজন নির্মাতার প্রয়োজন হবে-
গত ৩৬৫ দিনে অন্তত ৮ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার।
গত ৯০ দিনে কমপক্ষে ২ কোটি শর্টস ভিউ।
চ্যানেলে অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার।
অর্থাৎ দীর্ঘ ভিডিওর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওয়াচ আওয়ার এবং শর্টসের ক্ষেত্রে ভিউয়ের লক্ষ্যমাত্রা দুই ক্ষেত্রেই বর্তমান সীমার তুলনায় দ্বিগুণ করা হচ্ছে।
এখন কতটা সহজ?
বর্তমানে ইউটিউবের বিজ্ঞাপন আয়ের যোগ্যতা অর্জনের জন্য একজন নির্মাতাকে গত ১২ মাসে ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার অথবা গত ৯০ দিনে ১ কোটি শর্টস ভিউ সংগ্রহ করতে হয়। এর পাশাপাশি চ্যানেলে থাকতে হয় অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার। নতুন নিয়ম চালু হলে ৪ হাজারের জায়গায় ওয়াচ আওয়ারের লক্ষ্য হবে ৮ হাজার। একইভাবে শর্টসের ক্ষেত্রে ১ কোটি ভিউয়ের পরিবর্তে প্রয়োজন হবে ২ কোটি ভিউ। ফলে নতুন নির্মাতাদের বিজ্ঞাপন আয়ের পর্যায়ে পৌঁছাতে আগের তুলনায় বেশি দর্শক তৈরি করতে হবে।
পুরোনো নির্মাতাদের কী হবে?
এই পরিবর্তনের মূল প্রভাব পড়তে পারে নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের ওপর। যারা এরই মধ্যে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে নতুন যোগ্যতার নিয়ম সরাসরি প্রযোজ্য হবে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আগামী বছর যারা নতুন করে চ্যানেল খুলে ইউটিউবকে আয়ের মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের শুরু থেকেই দর্শক ধরে রাখার কৌশল নিয়ে কাজ করতে হবে। শুধু সাবস্ক্রাইবার বাড়ানো নয়, ভিডিও কতক্ষণ দেখা হচ্ছে এবং শর্টস কতজন দেখছেন সেদিকেও নজর দিতে হবে।
কবে থেকে চালু হবে নতুন নিয়ম?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউটিউবের নতুন যোগ্যতার শর্ত ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে নিয়ম পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কে ইউটিউবের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। নতুন শর্ত কার্যকর হলে কনটেন্ট নির্মাতাদের নিয়মিত ও মানসম্মত ভিডিও প্রকাশের পাশাপাশি দর্শক তৈরিতে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে ছোট চ্যানেলগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এত বেশি ওয়াচ আওয়ার বা শর্টস ভিউ অর্জন করা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
এর ফলে নতুন নির্মাতাদের কেউ কেউ ইউটিউবের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামের মতো অন্য প্ল্যাটফর্মেও কনটেন্ট প্রকাশ করে দর্শক তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। তবে শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপন থেকে আয় করতে হলে ইউটিউবের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতেই হবে।