ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: পারস্য উপসাগরে তেল নিঃসরণে মারাত্মক পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা Logo সতবিন্দর এবং হরজিৎ: ভারতকে না জানিয়েই যাদের শিরচ্ছেদ করে সউদী Logo একটার পর একটা অঘটন ঘটবে, আমরা কি বসে থাকব: বিরোধীদলীয় নেতা Logo বহুপাক্ষিকতা ও জাতিসংঘ সংস্কারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন হুমায়ুন Logo লক্ষ্মীপূজা আজ Logo শিক্ষাক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই, থাকছে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ Logo বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর Logo নতুন কোচ মাকেতার ক্লাসে মুশফিক-মুমিনুল-শান্তরা Logo কার্যকর এআই তৈরিতে মনোযোগ মাইক্রোসফটেরমাইক্রোসফট

কার্যকর এআই তৈরিতে মনোযোগ মাইক্রোসফটেরমাইক্রোসফট

  • আইটি
  • আপডেট সময় ০৮:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • 3

এআই নিয়ে প্রতিযোগিতার চেয়ে প্রযুক্তিটিকে বাস্তবে কার্যকর করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সত্য নাদেলার দৃষ্টিভঙ্গিতে এমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। এখন তার লক্ষ্য শুধু নতুন প্রযুক্তি তৈরি করা নয়, বরং এআইকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলা, যাতে মানুষ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সহজে এর সুবিধা নিতে পারে।প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম সেমাফোরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রেডমন্ডে মাইক্রোসফটের সদর দপ্তরে এক সাক্ষাৎকারে নাদেলার এই পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি উঠে এসেছে। ২০২৩ সালে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী গুগলকে চাপে ফেলার বিষয়ে বেশ আগ্রহী ছিলেন। সে সময় জেনারেটিভ এআই নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা ও উত্তেজনা চলছিল।চ্যাটজিপিটি তৈরিতে ওপেনএআইকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ ও কম্পিউটিং অবকাঠামো দিয়ে সহায়তা করেছে মাইক্রোসফট। এই সহায়তা না পেলে চ্যাটজিপিটি তৈরি করা ওপেনএআইয়ের জন্য কঠিন হয়ে পড়ত। সেক্ষেত্রে এআই খাতের অগ্রগতির ধারাও ভিন্ন হতে পারত।তবে চ্যাটজিপিটি চালুর পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও সফটওয়্যার উন্নয়নের বাইরে এআইয়ের প্রভাব এখনো প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বাড়লেও সব খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। এ কারণে মাইক্রোসফট এখন এআইকে আরও নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।নাদেলার মতে, শুধু নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মাতামাতি করা কিংবা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ভয়ে ছুটে চলা যথেষ্ট নয়। প্রযুক্তিকে বাস্তবে কাজে লাগানো এবং এর মাধ্যমে কার্যকর ফল পাওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ।মাইক্রোসফটের এই কৌশলে সন্তুষ্ট বিনিয়োগকারীরাও। গত ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৭ শতাংশ। বর্তমানে কোম্পানিটির বাজারমূল্য প্রায় চার ট্রিলিয়ন ডলার।তবে দীর্ঘ মেয়াদে এআইয়ের উন্নত মডেল তৈরি করা প্রতিষ্ঠানগুলো এবং চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় মাইক্রোসফট কতটা এগিয়ে থাকতে পারবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। নাদেলা এআইয়ের শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘জাদুকরি ব্যবসা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি তুলে ধরেছেন মাইক্রোসফটের ৫১ বছরের ইতিহাস ও অভিজ্ঞতার কথা।নাদেলার বক্তব্যের মূল কথা হলো, প্রযুক্তি খাতে শুরুতে সাফল্য পেলেই দীর্ঘ মেয়াদে এগিয়ে থাকা নিশ্চিত হয় না। বরং সময়ের সঙ্গে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রযুক্তিকে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর ব্যবসায় রূপ দেওয়ার ওপরই শেষ পর্যন্ত সাফল্য নির্ভর করে।সূত্র: সেমাফোর

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: পারস্য উপসাগরে তেল নিঃসরণে মারাত্মক পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা

কার্যকর এআই তৈরিতে মনোযোগ মাইক্রোসফটেরমাইক্রোসফট

আপডেট সময় ০৮:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

এআই নিয়ে প্রতিযোগিতার চেয়ে প্রযুক্তিটিকে বাস্তবে কার্যকর করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সত্য নাদেলার দৃষ্টিভঙ্গিতে এমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। এখন তার লক্ষ্য শুধু নতুন প্রযুক্তি তৈরি করা নয়, বরং এআইকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলা, যাতে মানুষ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সহজে এর সুবিধা নিতে পারে।প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম সেমাফোরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রেডমন্ডে মাইক্রোসফটের সদর দপ্তরে এক সাক্ষাৎকারে নাদেলার এই পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি উঠে এসেছে। ২০২৩ সালে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী গুগলকে চাপে ফেলার বিষয়ে বেশ আগ্রহী ছিলেন। সে সময় জেনারেটিভ এআই নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা ও উত্তেজনা চলছিল।চ্যাটজিপিটি তৈরিতে ওপেনএআইকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ ও কম্পিউটিং অবকাঠামো দিয়ে সহায়তা করেছে মাইক্রোসফট। এই সহায়তা না পেলে চ্যাটজিপিটি তৈরি করা ওপেনএআইয়ের জন্য কঠিন হয়ে পড়ত। সেক্ষেত্রে এআই খাতের অগ্রগতির ধারাও ভিন্ন হতে পারত।তবে চ্যাটজিপিটি চালুর পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও সফটওয়্যার উন্নয়নের বাইরে এআইয়ের প্রভাব এখনো প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বাড়লেও সব খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। এ কারণে মাইক্রোসফট এখন এআইকে আরও নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।নাদেলার মতে, শুধু নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মাতামাতি করা কিংবা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ভয়ে ছুটে চলা যথেষ্ট নয়। প্রযুক্তিকে বাস্তবে কাজে লাগানো এবং এর মাধ্যমে কার্যকর ফল পাওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ।মাইক্রোসফটের এই কৌশলে সন্তুষ্ট বিনিয়োগকারীরাও। গত ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ২৭ শতাংশ। বর্তমানে কোম্পানিটির বাজারমূল্য প্রায় চার ট্রিলিয়ন ডলার।তবে দীর্ঘ মেয়াদে এআইয়ের উন্নত মডেল তৈরি করা প্রতিষ্ঠানগুলো এবং চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় মাইক্রোসফট কতটা এগিয়ে থাকতে পারবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। নাদেলা এআইয়ের শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘জাদুকরি ব্যবসা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি তুলে ধরেছেন মাইক্রোসফটের ৫১ বছরের ইতিহাস ও অভিজ্ঞতার কথা।নাদেলার বক্তব্যের মূল কথা হলো, প্রযুক্তি খাতে শুরুতে সাফল্য পেলেই দীর্ঘ মেয়াদে এগিয়ে থাকা নিশ্চিত হয় না। বরং সময়ের সঙ্গে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রযুক্তিকে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর ব্যবসায় রূপ দেওয়ার ওপরই শেষ পর্যন্ত সাফল্য নির্ভর করে।সূত্র: সেমাফোর