ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন Logo ‘মা ভালো’: ১৭ বছরের সেবাযত্ন অচেতন পুত্রবধূকে জাগিয়ে তুললেন চীনা নারী Logo বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস উত্তোলনে সুইডিশ কোম্পানিকে স্পিকারের আমন্ত্রণ Logo ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্ট মার্টিন Logo আমরা যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. শফিকুর রহমান এমপি Logo অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের জন্মদিন আজ Logo সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত প্রবারণা পূর্ণিমা Logo জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম Logo টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির Logo বাংলাদেশে পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অটিজম চিকিৎসায় সাড়া ফেলেছেন হোমিও চিকিৎসক ডা. আবু মুছা খান

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শিশুদের অটিজম চিকিৎসায় অনন্য সফলতা অর্জন করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডা. আবু মুছা খান। জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় তার কার্যকর ভূমিকা ও সুচিকিৎসার সুবাদে আজ শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী সেবা নিতে তার কাছে ছুটে আসছেন। এছাড়া অনলাইনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রোগীদের নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন তিনি এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে পৌঁছে যাচ্ছে তার প্রস্তুতকৃত ওষুধ। শিশুদের নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার, ডাউন সিন্ড্রোমসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি ও কঠিন রোগের চিকিৎসা প্রদান করেন তিনি। ফলে তার আধুনিক ও ক্লাসিক্যাল চিকিৎসায় অনেক রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। শুধু রোগীদের সেবা দেওয়াই নয়, হোমিওপ্যাথি শিক্ষার প্রসার ও নতুন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতেও অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন এই গুণী চিকিৎসক। তিনি দুটি হোমিওপ্যাথিক কলেজ প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বোয়ালমারী উপজেলার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সংগঠনের (DHMS) সভাপতি হিসেবে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে আসা করিমুল ইসলাম তাঁর ছেলের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমার ছেলে আগে একেবারেই কথা বলতে পারত না। ডাক্তার স্যারের চিকিৎসা সেবা শুরু করার পর থেকে আমার ছেলে এখন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে। আশা করি খুব দ্রুতই সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে। মেয়ের চিকিৎসা সেবা নিতে আসা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার মেয়ে জন্মগতভাবে হাঁটতে পারত না। কিন্তু ডা. আবু মুছা খানের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ ও নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করার পর আমার মেয়ে এখন নিজে নিজেই হাঁটতে পারছে। বাসপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রুমানা বেগম বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ পাইলসের মারাত্মক ব্যথায় ভুগছিলাম। অনেক নামীদামি ওষুধ সেবনের পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছিলাম না। পরবর্তীতে স্যারকে দেখিয়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে আমি স্থায়ীভাবে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হয়েছি। এই বিষয়ে ডা. আবু মুছা খান বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে শিশুদের অটিজম চিকিৎসায় আমি বিশেষ সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন মানুষ আশার আলো নিয়ে আমার কাছে আসেন। এছাড়া প্রবাসীরাও অনলাইনে যোগাযোগ করে এই হোমিওপ্যাথিক সেবা নিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, টাকার অভাবে আমার চেম্বার থেকে কোনো রোগী কখনো খালি হাতে ফিরে যায়নি। যে যা সাধ্যমতো ফি দেয়, আমি তাতেই সন্তুষ্ট থাকি। অর্থ উপার্জন নয়, বরং সঠিক চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে একজন মানুষকে সুস্থ করে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য ও জীবনের পরম ব্রত।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন

অটিজম চিকিৎসায় সাড়া ফেলেছেন হোমিও চিকিৎসক ডা. আবু মুছা খান

আপডেট সময় ০৭:৫১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শিশুদের অটিজম চিকিৎসায় অনন্য সফলতা অর্জন করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডা. আবু মুছা খান। জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় তার কার্যকর ভূমিকা ও সুচিকিৎসার সুবাদে আজ শুধু স্থানীয়ভাবে নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী সেবা নিতে তার কাছে ছুটে আসছেন। এছাড়া অনলাইনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রোগীদের নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন তিনি এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে পৌঁছে যাচ্ছে তার প্রস্তুতকৃত ওষুধ। শিশুদের নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার, ডাউন সিন্ড্রোমসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি ও কঠিন রোগের চিকিৎসা প্রদান করেন তিনি। ফলে তার আধুনিক ও ক্লাসিক্যাল চিকিৎসায় অনেক রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। শুধু রোগীদের সেবা দেওয়াই নয়, হোমিওপ্যাথি শিক্ষার প্রসার ও নতুন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতেও অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন এই গুণী চিকিৎসক। তিনি দুটি হোমিওপ্যাথিক কলেজ প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বোয়ালমারী উপজেলার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সংগঠনের (DHMS) সভাপতি হিসেবে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে আসা করিমুল ইসলাম তাঁর ছেলের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমার ছেলে আগে একেবারেই কথা বলতে পারত না। ডাক্তার স্যারের চিকিৎসা সেবা শুরু করার পর থেকে আমার ছেলে এখন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে। আশা করি খুব দ্রুতই সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে। মেয়ের চিকিৎসা সেবা নিতে আসা ফাতেমা বেগম বলেন, আমার মেয়ে জন্মগতভাবে হাঁটতে পারত না। কিন্তু ডা. আবু মুছা খানের প্রেসক্রাইব করা ওষুধ ও নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করার পর আমার মেয়ে এখন নিজে নিজেই হাঁটতে পারছে। বাসপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রুমানা বেগম বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ পাইলসের মারাত্মক ব্যথায় ভুগছিলাম। অনেক নামীদামি ওষুধ সেবনের পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছিলাম না। পরবর্তীতে স্যারকে দেখিয়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে আমি স্থায়ীভাবে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হয়েছি। এই বিষয়ে ডা. আবু মুছা খান বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে শিশুদের অটিজম চিকিৎসায় আমি বিশেষ সফলতা অর্জন করতে পেরেছি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন মানুষ আশার আলো নিয়ে আমার কাছে আসেন। এছাড়া প্রবাসীরাও অনলাইনে যোগাযোগ করে এই হোমিওপ্যাথিক সেবা নিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, টাকার অভাবে আমার চেম্বার থেকে কোনো রোগী কখনো খালি হাতে ফিরে যায়নি। যে যা সাধ্যমতো ফি দেয়, আমি তাতেই সন্তুষ্ট থাকি। অর্থ উপার্জন নয়, বরং সঠিক চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে একজন মানুষকে সুস্থ করে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য ও জীবনের পরম ব্রত।