ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন Logo ‘মা ভালো’: ১৭ বছরের সেবাযত্ন অচেতন পুত্রবধূকে জাগিয়ে তুললেন চীনা নারী Logo বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস উত্তোলনে সুইডিশ কোম্পানিকে স্পিকারের আমন্ত্রণ Logo ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্ট মার্টিন Logo আমরা যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. শফিকুর রহমান এমপি Logo অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের জন্মদিন আজ Logo সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত প্রবারণা পূর্ণিমা Logo জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম Logo টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির Logo বাংলাদেশে পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কালকিনিতে আখের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

‘শরতের রোদ আর বাতাসে ভেসে আসা দিগন্ত জোড়া সবুজ পাতার মড়মড় শব্দ, এ শব্দ সুমিষ্ট, রসালো আখের পাতার’। মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় এবার ১১৫ হেক্টর জমিতে হয়েছে আখের বাম্পার ফলন। বিঘা প্রতি চার গুণ লাভের সম্ভাবনাময় এ আবাদে কৃষকের মুখে ফুটছে হাসি। উৎপাদন খরচ কম লাভ বেশি। উৎপাদনে সার, কীটনাশক খরচ কম হওয়ায় প্রতি বছর বাড়ছে এর আবাদ। তবে নিজেদের চেষ্টায় আখ চাষে সফলতা পেলেও উপজেলা কৃষি অফিসের মিলছে না কাঙ্খিত সহায়তা। তবে কৃষি অফিস বলছে সরকারী বরাদ্দ কম থাকায় সকল চাষীকে আনা যাচ্ছে না সহায়তার আওতায়। সরকারের রয়েছে এ চাষের পরিধি বৃদ্ধির পরিকল্পনা এবং বাড়ানো হবে প্রণোদনা। সোনা ঝরা রোদ গায়ে মেখে সবুজ পাতায় দোল খাচ্ছে রসালো আখ। মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদের কোল ঘেঁষে রামচন্দ্রপুর ও খুনের চর গ্রামের মেঠো পথের মাঠজুড়ে এখন কেবলই আখের রাজত্ব। মাটির বুক চিরে জাগা এসব আখের মিষ্টতা আর রসালো স্বাদে লুকিয়ে আছে এ অঞ্চলের কৃষকদের ঘামঝরা স্বপ্নের গল্প। এখানে মূলত চাষ হচ্ছে চার জাতের জনপ্রিয় আখ -সাদা বম্বাই, কাজলী গেন্ডারি, রং বিলাস আর বাঁশ গেন্ডারি। টসটসে ও সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এই চার জাতের আখের চাহিদা আর কদর দুটোই আকাশচুম্বী। এ বছর কালকিনিতে ১১৫ হেক্টর জমিতে হয়েছে আখের আবাদ। কৃষক জমির মিয়া ও জামাল সরদার বলেন, উৎপাদনে খরচ কম লাভ বেশি। সাদা বোম্বাই, কাজলী গেন্ডারি, রং বিলাস আর বাঁশ গেন্ডারি আবাদ বেশি হওয়ায় এর চাহিদাও ব্যাপক। বিঘা প্রতি ৩০-৪০ হাজার টাকা করচ হলেও লাভ হয় চার গুন। এ আখের চাষাবাদ করে অনেকে পেয়েছে অর্থনৈতিক দুর্দশা থেকে মুক্তি। কৃষকেরা আরো বলেন, চাষিরা নিজেদের চেষ্টা, পরিশ্রম করেই পেয়েছেন সফলতা। তাদের দাবি উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সহায়তা কিংবা পরামর্শ পেলেই এ অঞ্চলে ঘটবে আখ চাষে কৃষি বিল্পব। এ ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা কৃষি অফিসার সুদিপ বিশ্বাস বলেন, আখ চাষে সরকারি প্রণোদনা বা বরাদ্দ কিছুটা কম থাকায় মাত্র অল্পসংখ্যক চাষিকে এই সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আগামীতে আখ চাষির সংখ্যা ও পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, এবং সে অনুযায়ী প্রণোদনা আরও বাড়ানো হবে এবং কালকিনিতে ছড়িয়ে পড়বে আখের আবাদ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন

কালকিনিতে আখের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় ০৭:৫২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

‘শরতের রোদ আর বাতাসে ভেসে আসা দিগন্ত জোড়া সবুজ পাতার মড়মড় শব্দ, এ শব্দ সুমিষ্ট, রসালো আখের পাতার’। মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় এবার ১১৫ হেক্টর জমিতে হয়েছে আখের বাম্পার ফলন। বিঘা প্রতি চার গুণ লাভের সম্ভাবনাময় এ আবাদে কৃষকের মুখে ফুটছে হাসি। উৎপাদন খরচ কম লাভ বেশি। উৎপাদনে সার, কীটনাশক খরচ কম হওয়ায় প্রতি বছর বাড়ছে এর আবাদ। তবে নিজেদের চেষ্টায় আখ চাষে সফলতা পেলেও উপজেলা কৃষি অফিসের মিলছে না কাঙ্খিত সহায়তা। তবে কৃষি অফিস বলছে সরকারী বরাদ্দ কম থাকায় সকল চাষীকে আনা যাচ্ছে না সহায়তার আওতায়। সরকারের রয়েছে এ চাষের পরিধি বৃদ্ধির পরিকল্পনা এবং বাড়ানো হবে প্রণোদনা। সোনা ঝরা রোদ গায়ে মেখে সবুজ পাতায় দোল খাচ্ছে রসালো আখ। মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদের কোল ঘেঁষে রামচন্দ্রপুর ও খুনের চর গ্রামের মেঠো পথের মাঠজুড়ে এখন কেবলই আখের রাজত্ব। মাটির বুক চিরে জাগা এসব আখের মিষ্টতা আর রসালো স্বাদে লুকিয়ে আছে এ অঞ্চলের কৃষকদের ঘামঝরা স্বপ্নের গল্প। এখানে মূলত চাষ হচ্ছে চার জাতের জনপ্রিয় আখ -সাদা বম্বাই, কাজলী গেন্ডারি, রং বিলাস আর বাঁশ গেন্ডারি। টসটসে ও সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এই চার জাতের আখের চাহিদা আর কদর দুটোই আকাশচুম্বী। এ বছর কালকিনিতে ১১৫ হেক্টর জমিতে হয়েছে আখের আবাদ। কৃষক জমির মিয়া ও জামাল সরদার বলেন, উৎপাদনে খরচ কম লাভ বেশি। সাদা বোম্বাই, কাজলী গেন্ডারি, রং বিলাস আর বাঁশ গেন্ডারি আবাদ বেশি হওয়ায় এর চাহিদাও ব্যাপক। বিঘা প্রতি ৩০-৪০ হাজার টাকা করচ হলেও লাভ হয় চার গুন। এ আখের চাষাবাদ করে অনেকে পেয়েছে অর্থনৈতিক দুর্দশা থেকে মুক্তি। কৃষকেরা আরো বলেন, চাষিরা নিজেদের চেষ্টা, পরিশ্রম করেই পেয়েছেন সফলতা। তাদের দাবি উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সহায়তা কিংবা পরামর্শ পেলেই এ অঞ্চলে ঘটবে আখ চাষে কৃষি বিল্পব। এ ব্যাপারে কালকিনি উপজেলা কৃষি অফিসার সুদিপ বিশ্বাস বলেন, আখ চাষে সরকারি প্রণোদনা বা বরাদ্দ কিছুটা কম থাকায় মাত্র অল্পসংখ্যক চাষিকে এই সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আগামীতে আখ চাষির সংখ্যা ও পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, এবং সে অনুযায়ী প্রণোদনা আরও বাড়ানো হবে এবং কালকিনিতে ছড়িয়ে পড়বে আখের আবাদ।