ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা!

জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।
গতকাল শনিবার (৯ মে) রাজধানীর একটি হোটেল ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি অবিলম্বে গণভোটের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠনের দাবি জানান।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে। তবে সরকার যদি ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তবে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।”
বিএনপির সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেও ক্ষমতায় আসার পর তারা এর বিরোধিতা করছে। এর মাধ্যমে বিএনপি মূলত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রত্যাখ্যান করছে।”
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, “জুলাই সনদ ও ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটে জনগণ বিপুল সমর্থন দেয়। গণভোট অনুযায়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠনের কথা ছিল, যা ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।”
তিনি বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব কোনো সাধারণ আন্দোলন ছিল না; এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক জাতীয় জাগরণ। ছাত্র, শ্রমিক, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষ এমন একটি কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছিল, যে ব্যবস্থা ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছিল, প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছিল, নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছিল এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করেছিল।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া মননশীল রাজনৈতিক কর্মী ও নেতা তৈরি হয় না:এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে: নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় ১২:২৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।
গতকাল শনিবার (৯ মে) রাজধানীর একটি হোটেল ‘সংস্কারে অচলাবস্থা সমাধানে করণীয় কী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এসময় তিনি অবিলম্বে গণভোটের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠনের দাবি জানান।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলবে। তবে সরকার যদি ইতিবাচক সাড়া না দেয়, তবে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে।”
বিএনপির সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, “নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেও ক্ষমতায় আসার পর তারা এর বিরোধিতা করছে। এর মাধ্যমে বিএনপি মূলত জনগণের আকাঙ্ক্ষাকেই প্রত্যাখ্যান করছে।”
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, “জুলাই সনদ ও ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটে জনগণ বিপুল সমর্থন দেয়। গণভোট অনুযায়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি সাংবিধানিক সংস্কার পরিষদ গঠনের কথা ছিল, যা ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।”
তিনি বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব কোনো সাধারণ আন্দোলন ছিল না; এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক জাতীয় জাগরণ। ছাত্র, শ্রমিক, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষ এমন একটি কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছিল, যে ব্যবস্থা ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছিল, প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছিল, নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছিল এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত করেছিল।”