ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা Logo ঈশ্বরগঞ্জে গভীর রাতে কৃষি ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা-যুবক গ্রেফতার Logo সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন Logo বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, সিলেটের নতুন কমিটি গঠন Logo সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পূজামন্ডপে সম্পন্ন হলো শারদীয় দুর্গাপূজা, প্রতিমা বির্সজনে সমাপ্ত Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় সেই জলকদর খালে এবার নির্মিত হবে পাকা সেতু Logo রাউজান কদলপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রাক্তন ছাত্র সমিতির বই বিতরণ Logo মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৪ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জগন্নাথকাঠীতে রাতের অন্ধকারে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিষ্ঠানে তালা! Logo দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন, পহরডাঙ্গা ইউপিতে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ঠাকুর আবুল আজম

ডিলিট করলেই সব মুছে যায় না

অনেকেই ভাবেন, মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে কোনো ছবি, ভিডিও বা ডকুমেন্ট ডিলিট করলেই সেটি চিরতরে হারিয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবটা একটু ভিন্ন। আসলে আমরা যখন ‘ডিলিট’ বাটনে চাপ দিই, তখন ফাইলটি পুরোপুরি মুছে যায় না বরং সিস্টেম শুধু তার অবস্থান বা অ্যাক্সেস পথ সরিয়ে দেয়। ফলে ফাইলটি চোখের আড়ালে চলে গেলেও ডিভাইসের ভেতরে কিছু সময়ের জন্য থেকে যেতে পারে।
এই কারণেই বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনেক সময় মুছে ফেলা ডাটাও আবার উদ্ধার করা সম্ভব হয়। যতক্ষণ না নতুন কোনো ডাটা সেই জায়গা দখল করছে, ততক্ষণ পুরোনো তথ্য থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ফোন বিক্রি করা, কাউকে দেওয়া বা রিসেট করার আগে শুধু সাধারণভাবে ডিলিট করলেই নিরাপদ হওয়া যায় না।
এমনকি ক্লাউড সার্ভিস যেমন গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সে ফাইল মুছে ফেললেও তা সঙ্গে সঙ্গে স্থায়ীভাবে হারিয়ে যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফাইলগুলো প্রথমে ট্র্যাশ বা রিসাইকেল বিনে জমা থাকে এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করা যায়। আবার কিছু প্ল্যাটফর্মে ভার্সন হিস্ট্রি থাকার কারণে পুরোনো সংস্করণও থেকে যেতে পারে।
এখন নোটপ্যাডেও পাবেন ইমেজ সাপোর্ট
তাই ডিভাইস হস্তান্তরের আগে কিছু বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি। প্রথমে সব অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট করতে হবে এবং ডিভাইসটি এনক্রিপ্ট করা ভালো, যাতে কোনো তথ্য সহজে উদ্ধার করা না যায়। এরপর একাধিকবার ফ্যাক্টরি রিসেট করলে ডাটা আরও নিরাপদভাবে মুছে ফেলা সম্ভব হয়।
ক্লাউড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সচেতন থাকতে হবে। শুধু ডিলিট করলেই হবে না, ট্র্যাশ ফোল্ডার নিজে থেকে খালি করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাকআপ বা পুরোনো ভার্সনগুলোও দেখে নেওয়া উচিত, যাতে কোথাও তথ্য থেকে না যায়। শেয়ার করা ফাইল হলে আগে পারমিশন বন্ধ করে দেওয়া আরও নিরাপদ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সংবেদনশীল তথ্য কখনোই সাধারণভাবে সংরক্ষণ না করে এনক্রিপ্টেড ফোল্ডার বা নিরাপদ স্টোরেজে রাখা। আর কাজ শেষ হলে তা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা। ডিজিটাল দুনিয়ায় ঝুঁকি শুধু বাইরের আক্রমণ থেকে নয়, নিজের অবহেলা থেকেও তৈরি হতে পারে। তাই একটু সচেতন থাকলেই ব্যক্তিগত তথ্য অনেক বেশি সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারী প্রাণিসম্পদ দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ; প্রশ্নের মুখে উন্নয়ন বরাদ্দ ও মাঠসেবা

ডিলিট করলেই সব মুছে যায় না

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

অনেকেই ভাবেন, মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে কোনো ছবি, ভিডিও বা ডকুমেন্ট ডিলিট করলেই সেটি চিরতরে হারিয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবটা একটু ভিন্ন। আসলে আমরা যখন ‘ডিলিট’ বাটনে চাপ দিই, তখন ফাইলটি পুরোপুরি মুছে যায় না বরং সিস্টেম শুধু তার অবস্থান বা অ্যাক্সেস পথ সরিয়ে দেয়। ফলে ফাইলটি চোখের আড়ালে চলে গেলেও ডিভাইসের ভেতরে কিছু সময়ের জন্য থেকে যেতে পারে।
এই কারণেই বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনেক সময় মুছে ফেলা ডাটাও আবার উদ্ধার করা সম্ভব হয়। যতক্ষণ না নতুন কোনো ডাটা সেই জায়গা দখল করছে, ততক্ষণ পুরোনো তথ্য থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ফোন বিক্রি করা, কাউকে দেওয়া বা রিসেট করার আগে শুধু সাধারণভাবে ডিলিট করলেই নিরাপদ হওয়া যায় না।
এমনকি ক্লাউড সার্ভিস যেমন গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সে ফাইল মুছে ফেললেও তা সঙ্গে সঙ্গে স্থায়ীভাবে হারিয়ে যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফাইলগুলো প্রথমে ট্র্যাশ বা রিসাইকেল বিনে জমা থাকে এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করা যায়। আবার কিছু প্ল্যাটফর্মে ভার্সন হিস্ট্রি থাকার কারণে পুরোনো সংস্করণও থেকে যেতে পারে।
এখন নোটপ্যাডেও পাবেন ইমেজ সাপোর্ট
তাই ডিভাইস হস্তান্তরের আগে কিছু বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি। প্রথমে সব অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট করতে হবে এবং ডিভাইসটি এনক্রিপ্ট করা ভালো, যাতে কোনো তথ্য সহজে উদ্ধার করা না যায়। এরপর একাধিকবার ফ্যাক্টরি রিসেট করলে ডাটা আরও নিরাপদভাবে মুছে ফেলা সম্ভব হয়।
ক্লাউড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সচেতন থাকতে হবে। শুধু ডিলিট করলেই হবে না, ট্র্যাশ ফোল্ডার নিজে থেকে খালি করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাকআপ বা পুরোনো ভার্সনগুলোও দেখে নেওয়া উচিত, যাতে কোথাও তথ্য থেকে না যায়। শেয়ার করা ফাইল হলে আগে পারমিশন বন্ধ করে দেওয়া আরও নিরাপদ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সংবেদনশীল তথ্য কখনোই সাধারণভাবে সংরক্ষণ না করে এনক্রিপ্টেড ফোল্ডার বা নিরাপদ স্টোরেজে রাখা। আর কাজ শেষ হলে তা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা। ডিজিটাল দুনিয়ায় ঝুঁকি শুধু বাইরের আক্রমণ থেকে নয়, নিজের অবহেলা থেকেও তৈরি হতে পারে। তাই একটু সচেতন থাকলেই ব্যক্তিগত তথ্য অনেক বেশি সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।