ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় যুক্তরাজ্য : ব্রিটিশ হাইকমিশনার Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের Logo ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে ঘাটতির আশংকা নেই Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বিএনপি সরকারের উদ্যোগ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া Logo ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘর থেকেই শুরু হোক Logo মনের জটিল জট খোলার মতো ১০টি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা

ডিলিট করলেই সব মুছে যায় না

অনেকেই ভাবেন, মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে কোনো ছবি, ভিডিও বা ডকুমেন্ট ডিলিট করলেই সেটি চিরতরে হারিয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবটা একটু ভিন্ন। আসলে আমরা যখন ‘ডিলিট’ বাটনে চাপ দিই, তখন ফাইলটি পুরোপুরি মুছে যায় না বরং সিস্টেম শুধু তার অবস্থান বা অ্যাক্সেস পথ সরিয়ে দেয়। ফলে ফাইলটি চোখের আড়ালে চলে গেলেও ডিভাইসের ভেতরে কিছু সময়ের জন্য থেকে যেতে পারে।
এই কারণেই বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনেক সময় মুছে ফেলা ডাটাও আবার উদ্ধার করা সম্ভব হয়। যতক্ষণ না নতুন কোনো ডাটা সেই জায়গা দখল করছে, ততক্ষণ পুরোনো তথ্য থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ফোন বিক্রি করা, কাউকে দেওয়া বা রিসেট করার আগে শুধু সাধারণভাবে ডিলিট করলেই নিরাপদ হওয়া যায় না।
এমনকি ক্লাউড সার্ভিস যেমন গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সে ফাইল মুছে ফেললেও তা সঙ্গে সঙ্গে স্থায়ীভাবে হারিয়ে যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফাইলগুলো প্রথমে ট্র্যাশ বা রিসাইকেল বিনে জমা থাকে এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করা যায়। আবার কিছু প্ল্যাটফর্মে ভার্সন হিস্ট্রি থাকার কারণে পুরোনো সংস্করণও থেকে যেতে পারে।
এখন নোটপ্যাডেও পাবেন ইমেজ সাপোর্ট
তাই ডিভাইস হস্তান্তরের আগে কিছু বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি। প্রথমে সব অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট করতে হবে এবং ডিভাইসটি এনক্রিপ্ট করা ভালো, যাতে কোনো তথ্য সহজে উদ্ধার করা না যায়। এরপর একাধিকবার ফ্যাক্টরি রিসেট করলে ডাটা আরও নিরাপদভাবে মুছে ফেলা সম্ভব হয়।
ক্লাউড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সচেতন থাকতে হবে। শুধু ডিলিট করলেই হবে না, ট্র্যাশ ফোল্ডার নিজে থেকে খালি করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাকআপ বা পুরোনো ভার্সনগুলোও দেখে নেওয়া উচিত, যাতে কোথাও তথ্য থেকে না যায়। শেয়ার করা ফাইল হলে আগে পারমিশন বন্ধ করে দেওয়া আরও নিরাপদ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সংবেদনশীল তথ্য কখনোই সাধারণভাবে সংরক্ষণ না করে এনক্রিপ্টেড ফোল্ডার বা নিরাপদ স্টোরেজে রাখা। আর কাজ শেষ হলে তা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা। ডিজিটাল দুনিয়ায় ঝুঁকি শুধু বাইরের আক্রমণ থেকে নয়, নিজের অবহেলা থেকেও তৈরি হতে পারে। তাই একটু সচেতন থাকলেই ব্যক্তিগত তথ্য অনেক বেশি সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডিলিট করলেই সব মুছে যায় না

আপডেট সময় ০৯:০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

অনেকেই ভাবেন, মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে কোনো ছবি, ভিডিও বা ডকুমেন্ট ডিলিট করলেই সেটি চিরতরে হারিয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবটা একটু ভিন্ন। আসলে আমরা যখন ‘ডিলিট’ বাটনে চাপ দিই, তখন ফাইলটি পুরোপুরি মুছে যায় না বরং সিস্টেম শুধু তার অবস্থান বা অ্যাক্সেস পথ সরিয়ে দেয়। ফলে ফাইলটি চোখের আড়ালে চলে গেলেও ডিভাইসের ভেতরে কিছু সময়ের জন্য থেকে যেতে পারে।
এই কারণেই বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনেক সময় মুছে ফেলা ডাটাও আবার উদ্ধার করা সম্ভব হয়। যতক্ষণ না নতুন কোনো ডাটা সেই জায়গা দখল করছে, ততক্ষণ পুরোনো তথ্য থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ফোন বিক্রি করা, কাউকে দেওয়া বা রিসেট করার আগে শুধু সাধারণভাবে ডিলিট করলেই নিরাপদ হওয়া যায় না।
এমনকি ক্লাউড সার্ভিস যেমন গুগল ড্রাইভ বা ড্রপবক্সে ফাইল মুছে ফেললেও তা সঙ্গে সঙ্গে স্থায়ীভাবে হারিয়ে যায় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফাইলগুলো প্রথমে ট্র্যাশ বা রিসাইকেল বিনে জমা থাকে এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করা যায়। আবার কিছু প্ল্যাটফর্মে ভার্সন হিস্ট্রি থাকার কারণে পুরোনো সংস্করণও থেকে যেতে পারে।
এখন নোটপ্যাডেও পাবেন ইমেজ সাপোর্ট
তাই ডিভাইস হস্তান্তরের আগে কিছু বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি। প্রথমে সব অ্যাকাউন্ট থেকে লগ আউট করতে হবে এবং ডিভাইসটি এনক্রিপ্ট করা ভালো, যাতে কোনো তথ্য সহজে উদ্ধার করা না যায়। এরপর একাধিকবার ফ্যাক্টরি রিসেট করলে ডাটা আরও নিরাপদভাবে মুছে ফেলা সম্ভব হয়।
ক্লাউড ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সচেতন থাকতে হবে। শুধু ডিলিট করলেই হবে না, ট্র্যাশ ফোল্ডার নিজে থেকে খালি করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাকআপ বা পুরোনো ভার্সনগুলোও দেখে নেওয়া উচিত, যাতে কোথাও তথ্য থেকে না যায়। শেয়ার করা ফাইল হলে আগে পারমিশন বন্ধ করে দেওয়া আরও নিরাপদ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সংবেদনশীল তথ্য কখনোই সাধারণভাবে সংরক্ষণ না করে এনক্রিপ্টেড ফোল্ডার বা নিরাপদ স্টোরেজে রাখা। আর কাজ শেষ হলে তা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা। ডিজিটাল দুনিয়ায় ঝুঁকি শুধু বাইরের আক্রমণ থেকে নয়, নিজের অবহেলা থেকেও তৈরি হতে পারে। তাই একটু সচেতন থাকলেই ব্যক্তিগত তথ্য অনেক বেশি সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।