ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo হানিফের মৃত্যুদণ্ড , ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড Logo ​নানা আয়োজনে বোরহানউদ্দিন যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ Logo ডিসকর্ডে থাকা আপনার ব্যক্তিগত বার্তাও চলে যেতে পারে গুগল সার্চে Logo ডায়াবেটিস থাকলে আঙুর নাকি আপেল খাবেন? Logo শরৎচন্দ্রের সাহিত্যকর্ম নিয়ে নতুন সিনেমা Logo মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের ১০ উপায় Logo আমার ছেলে আত্মহত্যা করেনি, তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলা হয়েছে : তাহসিফের বাবা

বুড়িচংয়ে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট ২ লাখ ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি “নরেন্দ্র মোদি” নামের গরু

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুমিল্লার বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দুপুরে প্রায় এক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু সময়ের জন্য বেচাকেনায় মন্দাভাব দেখা দিলেও বিকেলের পর আবারও প্রাণ ফিরে আসে হাটগুলোতে।
বুড়িচং উপজেলায় মোট ২৪টি পশুর হাট রয়েছে। এর মধ্যে কালিকাপুর, কংশনগর, পীরযাত্রাপুর, শংকুচাইল, মাওরা, কোরপাই, আবিদপুর, ভারেল্লা মালাপাড়া ও সাদকপুরসহ বিভিন্ন হাটে ছিল কোরবানির পশুর ব্যাপক সমাগম।
এবারের হাটে মাঝারি আকারের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। তুলনামূলক বড় গরুর প্রতি আগ্রহ কিছুটা কম হলেও বাজারে বেশ কিছু বড় আকৃতির গরু উঠেছে। এসব গরুর দাম হাঁকা হয়েছে ২ লাখ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত।
এর মধ্যে কালিকাপুর পশুর হাটে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে “নরেন্দ্র মোদি” নামের একটি বিশাল আকৃতির গরু। গরুটি বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার টাকায়। স্থানীয় নুরুল ইসলাম পরিবারসহ যৌথভাবে কোরবানির জন্য গরুটি কিনেছেন বলে জানা গেছে।
হাটে আসা ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান, নজরুল, পলাশ, হাবিবুর ও জামাল জানান, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পশু লালন-পালনের খরচ অনেক বেড়েছে। ফলে বিক্রেতারা আশানুরূপ লাভ নিয়ে কিছুটা শঙ্কায় রয়েছেন। তবে ক্রেতারা তুলনামূলক ভালো দামে পশু কিনতে পারায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান জানান, সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের কঠোর নজরদারির কারণে এবার ভারতীয় গরুর প্রবেশ অনেক কম। ফলে হাটজুড়ে দেশি গরুর আধিপত্যই বেশি দেখা যাচ্ছে। কালিকাপুর বাজারের ইজারাদার বাবুল মিয়া ও অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর বাজারে দেশি গরুর সরবরাহ ও চাহিদা—দুইই ভালো। ভারতীয় গরু প্রায় না থাকায় স্থানীয় খামারিরা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা গেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বুড়িচংয়ে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট ২ লাখ ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি “নরেন্দ্র মোদি” নামের গরু

আপডেট সময় ০৮:১৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুমিল্লার বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দুপুরে প্রায় এক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু সময়ের জন্য বেচাকেনায় মন্দাভাব দেখা দিলেও বিকেলের পর আবারও প্রাণ ফিরে আসে হাটগুলোতে।
বুড়িচং উপজেলায় মোট ২৪টি পশুর হাট রয়েছে। এর মধ্যে কালিকাপুর, কংশনগর, পীরযাত্রাপুর, শংকুচাইল, মাওরা, কোরপাই, আবিদপুর, ভারেল্লা মালাপাড়া ও সাদকপুরসহ বিভিন্ন হাটে ছিল কোরবানির পশুর ব্যাপক সমাগম।
এবারের হাটে মাঝারি আকারের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। তুলনামূলক বড় গরুর প্রতি আগ্রহ কিছুটা কম হলেও বাজারে বেশ কিছু বড় আকৃতির গরু উঠেছে। এসব গরুর দাম হাঁকা হয়েছে ২ লাখ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত।
এর মধ্যে কালিকাপুর পশুর হাটে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে “নরেন্দ্র মোদি” নামের একটি বিশাল আকৃতির গরু। গরুটি বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার টাকায়। স্থানীয় নুরুল ইসলাম পরিবারসহ যৌথভাবে কোরবানির জন্য গরুটি কিনেছেন বলে জানা গেছে।
হাটে আসা ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান, নজরুল, পলাশ, হাবিবুর ও জামাল জানান, গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পশু লালন-পালনের খরচ অনেক বেড়েছে। ফলে বিক্রেতারা আশানুরূপ লাভ নিয়ে কিছুটা শঙ্কায় রয়েছেন। তবে ক্রেতারা তুলনামূলক ভালো দামে পশু কিনতে পারায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান জানান, সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের কঠোর নজরদারির কারণে এবার ভারতীয় গরুর প্রবেশ অনেক কম। ফলে হাটজুড়ে দেশি গরুর আধিপত্যই বেশি দেখা যাচ্ছে। কালিকাপুর বাজারের ইজারাদার বাবুল মিয়া ও অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর বাজারে দেশি গরুর সরবরাহ ও চাহিদা—দুইই ভালো। ভারতীয় গরু প্রায় না থাকায় স্থানীয় খামারিরা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই সন্তুষ্টি লক্ষ্য করা গেছে।