ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন Logo ‘মা ভালো’: ১৭ বছরের সেবাযত্ন অচেতন পুত্রবধূকে জাগিয়ে তুললেন চীনা নারী Logo বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস উত্তোলনে সুইডিশ কোম্পানিকে স্পিকারের আমন্ত্রণ Logo ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্ট মার্টিন Logo আমরা যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. শফিকুর রহমান এমপি Logo অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের জন্মদিন আজ Logo সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত প্রবারণা পূর্ণিমা Logo জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম Logo টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির Logo বাংলাদেশে পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় অধ্যাপক হলেন অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ৫ বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নীতিমালা-২০২৩’ অনুযায়ী এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগের তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন। জাতীয় অধ্যাপক পদে কর্মরত থাকাকালীন তিনি জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর গ্রেড-১ অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি ও অন্যান্য সকল সরকারি সুবিধা প্রাপ্য হবেন। শর্তানুযায়ী, তিনি কোনো সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন না। তিনি নিজের পছন্দমতো যেকোনো গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত থেকে গবেষণামূলক কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন এবং তার গবেষণার ক্ষেত্র সম্পর্কে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে (ইউজিসি) অবহিত রাখবেন। এছাড়া সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রতি বছর কাজের বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে ইউজিসি চেয়ারম্যানকে অবহিত রাখবেন এবং গবেষণালব্ধ ফলাফল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিতে প্রেরণ করবেন। পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত থাকাকালে তিনি অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারবেন না। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ ও লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে ২০০৫ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ১৯৭৬ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় অধ্যাপনা করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ মেয়াদে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং ২০০৩ থেকে ২০০৬ মেয়াদে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর, ১৯৮০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর এবং ১৯৯০ সালে ভারতের ঐতিহ্যবাহী জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, মিলানে সেনা মোতায়েন

জাতীয় অধ্যাপক হলেন অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ

আপডেট সময় ০৯:০১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী ৫ বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নীতিমালা-২০২৩’ অনুযায়ী এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগের তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন। জাতীয় অধ্যাপক পদে কর্মরত থাকাকালীন তিনি জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর গ্রেড-১ অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি ও অন্যান্য সকল সরকারি সুবিধা প্রাপ্য হবেন। শর্তানুযায়ী, তিনি কোনো সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন না। তিনি নিজের পছন্দমতো যেকোনো গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত থেকে গবেষণামূলক কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন এবং তার গবেষণার ক্ষেত্র সম্পর্কে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে (ইউজিসি) অবহিত রাখবেন। এছাড়া সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিকট প্রতি বছর কাজের বার্ষিক অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে ইউজিসি চেয়ারম্যানকে অবহিত রাখবেন এবং গবেষণালব্ধ ফলাফল শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিতে প্রেরণ করবেন। পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত থাকাকালে তিনি অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারবেন না। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ ও লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে ২০০৫ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ১৯৭৬ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় অধ্যাপনা করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ মেয়াদে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এবং ২০০৩ থেকে ২০০৬ মেয়াদে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদ ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর, ১৯৮০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর এবং ১৯৯০ সালে ভারতের ঐতিহ্যবাহী জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।