গতকাল সোমবার দৈনিক সংগ্রামের বোর্ড রুমে বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা রচিত ‘হায়রে আমার মন মাতানো দেশ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম -সংগ্রাম
সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা একজন প্রতিশ্রুতিশীল, প্রজ্ঞাবান ও পরিশ্রমী লেখক; তার খুরধার লেখনী দেশ, জাতি ও দ্বীনের জন্য নিবেদিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।
গতকাল সোমবার রাজধানীর মগবাজারস্থ দৈনিক সংগ্রাম মিলনায়তনে ‘দ্য প্রোগ্রেসিভ রাইটার্স ফোরাম’ আয়োজিত বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামস্টি ও কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মাসুদ মোস্তফার ‘হায়রে আমার মন মাতানো দেশ’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন। দৈনিক সংগ্রামের সহকারী সম্পাদক সা’দাত হোসাইনের সভাপতিত্বে ও বাংলা সাহিত্য পরিষদের পরিচালক এবং গ্রন্থের প্রকাশক তৌহিদুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দৈনিক সংগ্রামের বার্তা সম্পাদক সামছুল আরেফীন, কথাসাহিত্যিক ও সিনিয়র সাংবাদিক হারুন ইবনে শাহাদাত ও আলোকিত জীবনে সংঘ, হাতিরঝিলের সভাপতি সৈয়দ আকিব হোসেন। উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংগ্রামের সার্কুলেশন ম্যানেজার খন্দকার এমদাদুল হক, আল ফালাহ প্রিন্টিং প্রেসের ম্যানেজার খন্দকার রুহুল আমিন, হাতিরছিল পশ্চিম থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সাংবাদিক আবুল হোসাইন, হোসাইন আহমদ, আব্দুল আজিজ ফারুকী, মাহবুবুর রহমান হিমেল ও মূসা আল আনসারী প্রমুখ।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, হাদিসে রাসূল (সা.)-এ বর্ণিত হয়েছে, মানুষের মৃত্যুর পর তার সাধারণ আমল বন্ধ হয়ে গেলেও তিনটি বিশেষ আমলের সওয়াব জারি থাকে। আমলগুলো হলো, সদাকায়ে জারিয়া, উপকারী জ্ঞান বা ইলম যা অন্যকে শিখিয়ে গেছেন, এবং নেক সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে। তাই লেখকদের ইতিবাচক লেখাও সাদাকায়ে জারিয়ার অংশ। মূলত, সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা একজন সৃজনশীল লেখক। তার প্রত্যেকটি লেখার মধ্যেই রয়েছে দেশাত্মবোধ, সমাজসচেতনতা ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। তিনি লেখকের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, দীর্ঘদিন আমরা একসাথে লেখালেখির অঙ্গনে কাজ করে গেছি। তার কাজের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে তাকে দায়িত্বশীল মনে হয়েছে। তিনি আগামী দিনে লেখকের উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করেন।
তিনি বলেন, মূলত, কলম ও বই খুবই শক্তিশালী মাধ্যম। এ চর্চাটা আমাদের দেশে তেমন শক্তিশালী নয়। সঙ্গত কারণেই দেশে প্রতিভাবান লেখকের সঙ্কট রয়েছে। তাই চলমান শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদেরকে বেশি বেশি লেখালেখি চর্চা ও লেখক সৃষ্টির জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আল্লাহ তা’য়ালার যাকে যে প্রতিভা দিয়েছেন তা-ই দেশ, জাতি ও দ্বীনের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে বুদ্ধিভিত্তিক চর্চা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই। তিনি লেখকদের দেশ, জাতি ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের লেখাকে আরো গতিশীল ও শাণিত করার আহবান জানান।
সামছুল আরেফীন বলেন, লেখালেখি ও গ্রন্থ প্রকাশ একটি সাহসী এবং প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিনি লেখকের উত্তরোত্তর সাফল্য ও অগ্রগতি কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে সা’দাত হোসাইন বলেন, সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা দীর্ঘ পরিসরে লেখালেখি করে যাচ্ছেন। তার লেখার মধ্যে দেশাত্ববোধ, সত্য ও সুন্দরের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা রয়েছে। সর্বোপরি তিনি একজন পরিশ্রমী ও প্রজ্ঞাবান লেখক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
খবরপত্র ডেস্ক: 
























