ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

ফোন থেকে গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁস হয় কীভাবে?

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ১২:৫৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • 95

স্মার্টফোন এখন ব্যক্তিগত জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সঙ্গী। ছবি, ভিডিও, ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে শুরু করে ব্যাংকিং তথ্য সবই থাকে ফোনের ভেতর। ফলে ফোনে থাকা ব্যক্তিগত বা গোপন তথ্য ছবি-ভিডিও ফাঁস হয়ে গেলে তা শুধু বিব্রতকর পরিস্থিতিই তৈরি করে না, অনেক সময় বড় ধরনের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির কারণও হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ফোন থেকে এসব ছবি-ভিডিও আসলে কীভাবে বাইরে চলে যায়?
অনেকের ধারণা, ফোন হ্যাক করলেই কেবল ছবি-ভিডিও চুরি সম্ভব। বাস্তবে বিষয়টি এত সরল নয়। ব্যবহারকারীর অসতর্কতা, দুর্বল পাসওয়ার্ড, ক্ষতিকর অ্যাপ, ক্লাউড অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ কিংবা অন্য কারো হাতে ফোন চলে যাওয়া বিভিন্ন পথেই ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ফাঁস হতে পারে।
যা করবেন-
১. দুর্বল পাসওয়ার্ডই বড় ঝুঁকি
ফোনের লক বা গুগল, অ্যাপলসহ বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড সহজ হলে অন্য কেউ সেটি অনুমান বা অন্যভাবে হাতিয়ে নিতে পারে। একই পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করলেও বিপদ বাড়ে। একটি অ্যাকাউন্টের তথ্য ফাঁস হলে একই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্য অ্যাকাউন্টেও ঢোকার চেষ্টা করতে পারে অপরাধীরা। তাই ফোনে শক্তিশালী পাসকোড ব্যবহার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে আলাদা পাসওয়ার্ড রাখা জরুরি।
২. ক্লাউডে থাকা ছবিও ফাঁস হতে পারে
অনেক ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ও ভিডিও ক্লাউডে ব্যাকআপ করে। এটি ফোন হারিয়ে গেলে ছবি ফিরে পাওয়ার জন্য সুবিধাজনক হলেও অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত না থাকলে ঝুঁকি তৈরি হয়। কেউ যদি আপনার ক্লাউড অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারে, তাহলে ফোন হাতে না নিয়েও সেখানে থাকা ব্যক্তিগত ছবি দেখতে বা ডাউনলোড করতে পারে। বিশেষ করে ই-মেইল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড অন্যের হাতে চলে গেলে সমস্যা আরও বড় হতে পারে, কারণ অনেক ক্লাউড সেবার নিয়ন্ত্রণ ওই ই-মেইল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত।
৩. সন্দেহজনক অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য চুরি
অফিশিয়াল অ্যাপ স্টোরের বাইরে থেকে অ্যাপ ইনস্টল করা ঝুঁকিপূর্ণ। কিছু ক্ষতিকর অ্যাপ প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত অনুমতি চাইতে পারে। ছবি, ভিডিও, ফাইল বা স্টোরেজ ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে কোনো ক্ষতিকর অ্যাপ ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার করতে পারে। তাই অপরিচিত ওয়েবসাইট, লিংক বা ফাইল থেকে অ্যাপ ইনস্টল না করাই নিরাপদ। কোনো অ্যাপ অপ্রয়োজনীয়ভাবে ছবি, ভিডিও বা ফাইল ব্যবহারের অনুমতি চাইলে সেটিও সতর্ক হওয়ার কারণ।
৪. ফিশিং লিংকে ক্লিক করেও বিপদ
‘আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘ছবি দেখুন’, ‘আপনার নামে মামলা হয়েছে’ এ ধরনের ভয় বা কৌতূহল তৈরি করা বার্তা পাঠিয়ে প্রতারকরা ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। সেখানে লগইন তথ্য দিলে সেটি সরাসরি প্রতারকের হাতে চলে যেতে পারে। এই কৌশলকে ফিশিং বলা হয়। শুধু ছবি-ভিডিও নয়, ফিশিংয়ের মাধ্যমে পুরো অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণও হারাতে পারেন ব্যবহারকারী।
৫. ফোন অন্যের হাতে গেলে
কখনো কখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হয় প্রযুক্তিগত হ্যাকিং ছাড়াই। ফোন আনলক অবস্থায় অন্য কারো হাতে চলে গেলে গ্যালারি, ফাইল, মেসেজ বা বিভিন্ন অ্যাপ থেকে ছবি-ভিডিও কপি করা সম্ভব হতে পারে। তাই কাউকে ফোন দেওয়ার সময় ডিভাইস আনলক করে রেখে না দেওয়া এবং সংবেদনশীল তথ্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রাখা ভালো।
৬. পুরোনো ফোন বিক্রির আগে সতর্কতা
ফোন বদলানোর সময় পুরোনো ডিভাইস বিক্রি বা অন্যকে দেওয়ার আগে শুধু ছবি মুছে ফেললেই নিরাপদ হওয়া যায় না। ডিভাইসের ব্যাকআপ, অ্যাকাউন্ট, মেমোরি কার্ড এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যও ঠিকভাবে সরাতে হয়। ফোন হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় ডেটা ব্যাকআপ নিয়ে অ্যাকাউন্ট থেকে সাইন-আউট করে নিরাপদভাবে ফ্যাক্টরি রিসেট করা উচিত।
৭. পাবলিক বা অপরিচিত কম্পিউটারে ফোন যুক্ত করাও ঝুঁকিপূর্ণ
অপরিচিত কম্পিউটারে ফোন সংযুক্ত করার সময় ডেটা ট্রান্সফারের অনুমতি দিলে ব্যক্তিগত ফাইল অন্য ডিভাইসে কপি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একইভাবে অজানা ইউএসবি ডিভাইস বা অ্যাকসেসরিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?
ফোন ও অনলাইন অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বা পাসকোড ব্যবহার করুন। গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে দুই স্তরের নিরাপত্তা বা টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন। নিয়মিত ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ আপডেট করুন। অপরিচিত লিংকে ক্লিক কিংবা সন্দেহজনক অ্যাপ ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন।
এছাড়া ফোনে কোন কোন অ্যাপ ছবি, ভিডিও ও ফাইল ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে, সেটিও সময় সময় পরীক্ষা করা উচিত। কোনো অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লগইন বা অচেনা ডিভাইস দেখা গেলে দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও যত বেশি জায়গায় সংরক্ষিত থাকবে, ঝুঁকিও তত বাড়বে। তাই প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত কপি না রাখা, ক্লাউড ব্যাকআপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ফোনের মৌলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয় রাখাই ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার প্রথম ধাপ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

ফোন থেকে গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁস হয় কীভাবে?

আপডেট সময় ১২:৫৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

স্মার্টফোন এখন ব্যক্তিগত জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সঙ্গী। ছবি, ভিডিও, ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে শুরু করে ব্যাংকিং তথ্য সবই থাকে ফোনের ভেতর। ফলে ফোনে থাকা ব্যক্তিগত বা গোপন তথ্য ছবি-ভিডিও ফাঁস হয়ে গেলে তা শুধু বিব্রতকর পরিস্থিতিই তৈরি করে না, অনেক সময় বড় ধরনের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির কারণও হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ফোন থেকে এসব ছবি-ভিডিও আসলে কীভাবে বাইরে চলে যায়?
অনেকের ধারণা, ফোন হ্যাক করলেই কেবল ছবি-ভিডিও চুরি সম্ভব। বাস্তবে বিষয়টি এত সরল নয়। ব্যবহারকারীর অসতর্কতা, দুর্বল পাসওয়ার্ড, ক্ষতিকর অ্যাপ, ক্লাউড অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ কিংবা অন্য কারো হাতে ফোন চলে যাওয়া বিভিন্ন পথেই ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও ফাঁস হতে পারে।
যা করবেন-
১. দুর্বল পাসওয়ার্ডই বড় ঝুঁকি
ফোনের লক বা গুগল, অ্যাপলসহ বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড সহজ হলে অন্য কেউ সেটি অনুমান বা অন্যভাবে হাতিয়ে নিতে পারে। একই পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করলেও বিপদ বাড়ে। একটি অ্যাকাউন্টের তথ্য ফাঁস হলে একই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্য অ্যাকাউন্টেও ঢোকার চেষ্টা করতে পারে অপরাধীরা। তাই ফোনে শক্তিশালী পাসকোড ব্যবহার করা এবং গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে আলাদা পাসওয়ার্ড রাখা জরুরি।
২. ক্লাউডে থাকা ছবিও ফাঁস হতে পারে
অনেক ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ও ভিডিও ক্লাউডে ব্যাকআপ করে। এটি ফোন হারিয়ে গেলে ছবি ফিরে পাওয়ার জন্য সুবিধাজনক হলেও অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত না থাকলে ঝুঁকি তৈরি হয়। কেউ যদি আপনার ক্লাউড অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারে, তাহলে ফোন হাতে না নিয়েও সেখানে থাকা ব্যক্তিগত ছবি দেখতে বা ডাউনলোড করতে পারে। বিশেষ করে ই-মেইল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড অন্যের হাতে চলে গেলে সমস্যা আরও বড় হতে পারে, কারণ অনেক ক্লাউড সেবার নিয়ন্ত্রণ ওই ই-মেইল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত।
৩. সন্দেহজনক অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য চুরি
অফিশিয়াল অ্যাপ স্টোরের বাইরে থেকে অ্যাপ ইনস্টল করা ঝুঁকিপূর্ণ। কিছু ক্ষতিকর অ্যাপ প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত অনুমতি চাইতে পারে। ছবি, ভিডিও, ফাইল বা স্টোরেজ ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে কোনো ক্ষতিকর অ্যাপ ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার করতে পারে। তাই অপরিচিত ওয়েবসাইট, লিংক বা ফাইল থেকে অ্যাপ ইনস্টল না করাই নিরাপদ। কোনো অ্যাপ অপ্রয়োজনীয়ভাবে ছবি, ভিডিও বা ফাইল ব্যবহারের অনুমতি চাইলে সেটিও সতর্ক হওয়ার কারণ।
৪. ফিশিং লিংকে ক্লিক করেও বিপদ
‘আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘ছবি দেখুন’, ‘আপনার নামে মামলা হয়েছে’ এ ধরনের ভয় বা কৌতূহল তৈরি করা বার্তা পাঠিয়ে প্রতারকরা ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারে। সেখানে লগইন তথ্য দিলে সেটি সরাসরি প্রতারকের হাতে চলে যেতে পারে। এই কৌশলকে ফিশিং বলা হয়। শুধু ছবি-ভিডিও নয়, ফিশিংয়ের মাধ্যমে পুরো অনলাইন অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণও হারাতে পারেন ব্যবহারকারী।
৫. ফোন অন্যের হাতে গেলে
কখনো কখনো সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হয় প্রযুক্তিগত হ্যাকিং ছাড়াই। ফোন আনলক অবস্থায় অন্য কারো হাতে চলে গেলে গ্যালারি, ফাইল, মেসেজ বা বিভিন্ন অ্যাপ থেকে ছবি-ভিডিও কপি করা সম্ভব হতে পারে। তাই কাউকে ফোন দেওয়ার সময় ডিভাইস আনলক করে রেখে না দেওয়া এবং সংবেদনশীল তথ্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রাখা ভালো।
৬. পুরোনো ফোন বিক্রির আগে সতর্কতা
ফোন বদলানোর সময় পুরোনো ডিভাইস বিক্রি বা অন্যকে দেওয়ার আগে শুধু ছবি মুছে ফেললেই নিরাপদ হওয়া যায় না। ডিভাইসের ব্যাকআপ, অ্যাকাউন্ট, মেমোরি কার্ড এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যও ঠিকভাবে সরাতে হয়। ফোন হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় ডেটা ব্যাকআপ নিয়ে অ্যাকাউন্ট থেকে সাইন-আউট করে নিরাপদভাবে ফ্যাক্টরি রিসেট করা উচিত।
৭. পাবলিক বা অপরিচিত কম্পিউটারে ফোন যুক্ত করাও ঝুঁকিপূর্ণ
অপরিচিত কম্পিউটারে ফোন সংযুক্ত করার সময় ডেটা ট্রান্সফারের অনুমতি দিলে ব্যক্তিগত ফাইল অন্য ডিভাইসে কপি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একইভাবে অজানা ইউএসবি ডিভাইস বা অ্যাকসেসরিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?
ফোন ও অনলাইন অ্যাকাউন্টে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড বা পাসকোড ব্যবহার করুন। গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে দুই স্তরের নিরাপত্তা বা টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন। নিয়মিত ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ আপডেট করুন। অপরিচিত লিংকে ক্লিক কিংবা সন্দেহজনক অ্যাপ ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন।
এছাড়া ফোনে কোন কোন অ্যাপ ছবি, ভিডিও ও ফাইল ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে, সেটিও সময় সময় পরীক্ষা করা উচিত। কোনো অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লগইন বা অচেনা ডিভাইস দেখা গেলে দ্রুত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও যত বেশি জায়গায় সংরক্ষিত থাকবে, ঝুঁকিও তত বাড়বে। তাই প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত কপি না রাখা, ক্লাউড ব্যাকআপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ফোনের মৌলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয় রাখাই ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার প্রথম ধাপ।