লেখক সাহিত্যিক ও গবেষক ড. মোস্তফা মানোয়ার বলেছেন, ড. কবি আল মুজাহিদীকে এ সরকার ও রাষ্ট্র যথাযোগ্য মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ, বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমি, সাহিত্য সংষ্কৃতি কেন্দ্র ও কবিতা বাংলাদেশের মতো বেসরকারি কয়েকটি সংগঠন তার পাশে ছিলো। কবি আল মুজাহিদী অসুস্থ হওয়ার পর থেকে নিয়ে তার ইন্তেকাল এবং ইন্তেকালের পর দাফন-কাফনের সময়ও কবির পরিবারের পাশে ছিলেন উল্লখিত সাহিত্য-সংস্কৃতি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এরআগে তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন তার সুচিকিৎসার জন্য। কিন্তু একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদক প্রাপ্ত কবির পাশে সরকার ও রাষ্ট্রকে না পাওয়াটা সত্যি দুঃখজনক। সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এমন আচরণে আমরা হতাশ হয়েছি, জাতি হয়েছে হতবাক।
তিনি বাংলার মৃত্তিকার কবি আল মুজাহিদী স্মরণে বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ কর্ণারে ৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ‘কবিতা বাংলাদেশে’র আয়োজনে আলোচনা সভায় বক্তৃতায় এ কথা বলেছেন।
কিশোরকণ্ঠ সম্পাদক ও কবি মোশাররফ হোসেন খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি ও গবেষক ড. মাহবুব হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি সোলায়মান আহসান, কবি হাসান আলীম, কথাসাহিত্যিক নাজিব ওয়াদুদ, কবি শরীফ আবদুল গোফরান, কবি নাসির হেলাল।
কবিতা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক কবি ও গবেষক মাহফুজুর রহমান আখন্দের সঞ্চালনায় আলোচক ছিলেন কবি মুহাম্মদ আবদুল বাতেন, কবি হারুন ইবনে শাহাদাত, দেশীয় সংস্কৃতি সংসদের সেক্রেটারী ড. মোস্তফা মানোয়ার, সাংস্কৃতিক সংগঠক আবেদুর রহমান, লেখক ও গবেষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কবি ও গবেষক এবং নতুন এক মাত্রা পত্রিকার নিবার্হী সম্পাদক ড. ফজলুল হক তুহিন, কবি হাসিনা মমতাজ। অনুষ্ঠানে কবি আল মুজাহিদীর কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী মাহবুব মুকুল, কবি আরিফ হোসেন সবুজ। নিবেদিত কবিতা পাঠ করেন কবি শহীদ সিরাজী, কবি নাসরিন ইসলাম শেলী প্রমুখ।
বক্তারা বলেছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার তার বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানো ও হত্যা মামলা দিয়েছিলো। আল মুজাহিদী একজন মুক্তিযোদ্ধা, বাংলার মৃত্তিকালগ্ন কবি এবং একজন সাহিত্য সম্পাদক হিসাবে বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান অনন্য। লেখক তৈরি এবং লালনের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তার কাব্যচেতনার মূল প্রবণতা হচ্ছে গভীর দেশপ্রেম, যুদ্ধবিরোধী মানবতাবোধ ও মানবপ্রেমের মিথষ্ক্রিয়া।
খবরপত্র ডেস্ক: 
























