ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন Logo বোয়ালমারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫ শতাধিক ছাত্রীর জন্য শিক্ষক মাত্র ৩ জন: ১২ পদের ৯টিই শূন্য Logo বদলগাছীতে জাতীয় কবি “ নজরুল বর্ষের “ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ Logo কয়রায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‌্যালি Logo ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি Logo আগৈলঝাড়ায় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত Logo মানবিক বিবেচনায় ছাড় না দিলে কঠোর কর্মসূচি আগামীতে Logo শতবর্ষী কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির একাডেমিক ভবনঘেঁষে ময়লার ভাগাড়, ছয় মাস ধরে বন্ধ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান Logo কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসে র‌্যালি-আলোচনা Logo প্রবীণরা বোঝা নয় তারা আমাদের শিকড়-আবুজার ইজাজুল হক

বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ হালাল স্ন্যাকস ব্র্যান্ড

স্ন্যাকস বা হালকা খাবার আধুনিক জীবনব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ কর্মজীবী মানুষের কাছে তা যেমন প্রয়োজনীয়, তেমনি জনপ্রিয়।
সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝে, ভ্রমণের সময়, বন্ধুদের আড্ডায় কিংবা ক্লান্তিকর কাজের ফাঁকে হালকা খাবার গ্রহণের প্রচলন আছে। মুসলমানের জন্য খাবার হালকা হোক কিংবা ভারী তা হালাল হওয়া আবশ্যক। তাই বিশ্বব্যাপী স্ন্যাকসের সঙ্গে সঙ্গে হালাল স্ন্যাকসের জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। নি¤েœ বিশ্বের ১০টি হালাল স্ন্যাকস ব্র্যান্ডের তালিকা পেশ করা হলো।
এই ব্র্যান্ডগুলো আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করে।
১. স্যাফ্রন রোড : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হালাল খাদ্য উৎপাদনকারী কম্পানি। তারা ফ্রোজেন খাবার, রেডি মিল, ফ্যামিলি সাইজ মিল, মজাদার আচার ও হরেক রকম হালকা খাবার পরিবেশন করে। তারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের রন্ধনশৈলী অনুসরণ করে।
হালাল উপাদান ও পদ্ধতি এবং খাদ্যের পুষ্টিগুণের প্রতি লক্ষ রাখে।
২. জিয়াদ ব্র্যান্ড : এটাও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক কম্পানি। তারা মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগরীয় দেশ ও আমেরিকা মহাদেশে খাদ্যপণ্য সরবারহ করে থাকে। স্ন্যাকস আইটেমের বাইরেও তাদের অনেক ধরনের খাবার আছে। জিয়াদ ব্র্যান্ডের হালকা খাবারের ভেতর বাদামের মিশ্রণ, ভাজা ছোলা, খেজুরের রোল ও ডুমুরের বার জনপ্রিয়।
জিয়াদ ব্র্যান্ডের হালকা খাবারগুলো যেমনই জনপ্রিয়, তেমনিই তৃপ্তিদায়ক।
৩. মিডামার : এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি হালাল খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত মিডামার প্রধানত মাংস রপ্তানি করলেও তাদের স্ন্যাকস ও প্রস্তুত খাবারও আছে। তাদের প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে গরুর মাংস, খাসির মাংস, মুরগির মাংস, সসেজ, কিমা, হটডগ, বার্গারের প্যাটি, মিটবল, কাবাব, স্টেক এবং বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুত খাবার। মিডামারের পণ্য যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। বিশেষ করে মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বিমান সংস্থা এবং হোটেল খাতে হালাল খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি সুপরিচিত।
৪. আল ইসলামী ফুডস : সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পণ্যের মধ্যে আছে মুরগির মাংস, গরুর মাংস, খাসির মাংস, কিমা, সসেজ, বার্গারের প্যাটি, মাংসের কাবাব, মাংসের বল, চিকেন নাগেটস, চিকেন স্ট্রিপস, সমুচা, স্প্রিং রোল, বিভিন্ন ধরনের সবজি, হিমায়িত রুটি ও পেস্ট্রি। আল ইসলামী ফুডস সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। পাশাপাশি ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও এর পণ্য পাওয়া যায়।
৫. কে অ্যান্ড এন’স : এটি পাকিস্তানের সবচেয়ে পরিচিত হালাল খাদ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম। আধুনিক পোলট্রিশিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে তাজা মুরগির মাংস, মুরগির কিমা, নাগেটস, সসেজ, বার্গারের প্যাটি, কাবাব, মাংসের বল, সমুচা, পরোটা, প্রস্তুত রান্না করা মুরগির বিভিন্ন পদ এবং হিমায়িত খাদ্য। পাকিস্তানের প্রায় প্রতিটি শহরে এর পণ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও রপ্তানি করা হয়।
৬. ক্রিসেন্ট ফুডস : যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ হালাল মুরগির মাংস উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ক্রিসেন্ট ফুডস। তাদের উৎপাদিত খাদ্যের মধ্যে আছে তাজা মুরগির মাংস, হিমায়িত মুরগি, চিকেন নাগেটস, চিকেন উইংস, চিকেন স্ট্রিপস, মুরগির সসেজ, মুরগির কিমা এবং প্রস্তুত রান্নার উপযোগী বিভিন্ন পণ্য। যুক্তরাষ্ট্রের বড় সুপার মার্কেটে ক্রিসেন্ট ফুডসের পণ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া কানাডা ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশেও এর বাজার রয়েছে।
৭. তাহিরা ফুডস : তাহিরা ফুডস যুক্তরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ হালাল প্রস্তুত খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এটি ব্রিটেনের মুসলিম পরিবারগুলোর প্রয়োজন সামনে রেখে নানা ধরনের হিমায়িত ও প্রস্তুত খাবার তৈরি করে। তাদের পণ্যের মধ্যে আছে মুরগির মাংস, গরুর মাংস, কাবাব, বার্গারের প্যাটি, সসেজ, সমুচা, বিভিন্ন ধরনের পিঠা, প্রস্তুত খাবার এবং হিমায়িত নাশতা। যুক্তরাজ্যের প্রায় সব বড় সুপারমার্কেটে তাহিরা ফুডসের পণ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া ইউরোপের কয়েকটি দেশেও এটি পরিচিত।
৮. আল কাবির : মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম পুরনো হালাল হিমায়িত খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি আন্তর্জাতিক বাজারে হালাল প্রস্তুত খাবার সরবরাহ করছে। তাদের পণ্যের মধ্যে আছে মুরগির মাংস, গরুর মাংস, মাছ, চিংড়ি, সমুচা, কাবাব, পরোটা, সবজি, বিভিন্ন ধরনের হিমায়িত নাশতা এবং প্রস্তুত খাবার। আল কাবিরের পণ্য উপসাগরীয় অঞ্চল, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ এবং আফ্রিকার বহু দেশে পাওয়া যায়।
৯. আয়ামাস : আয়ামাস মালয়েশিয়ার অন্যতম শীর্ষ হালাল পোলট্রি ও প্রস্তুত খাদ্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠান। তাদের উৎপাদিত খাদ্যের মধ্যে আছে মুরগির মাংস, নাগেটস, সসেজ, বার্গারের প্যাটি, কাবাব, মাংসের বল, মুরগির কিমা এবং বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুত খাবার। মালয়েশিয়ার পাশাপাশি সিঙ্গাপুর, ব্রুনেই এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরো কয়েকটি দেশে এর পণ্য রপ্তানি করা হয়।
১০. সিনিওরা ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ : জর্দানের হালাল খাদ্য উৎপাদনকারী এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু ১৯২০ সালে। সে হিসেবে এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রাচীন হালাল মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি হালাল খাদ্য উৎপাদন করে আসছে। তাদের প্রধান পণ্যের মধ্যে আছে গরুর মাংস, মুরগির মাংস, সসেজ, মরটাডেলা, কিমা, বার্গারের প্যাটি, কাবাব এবং বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত মাংসজাত খাদ্য। জর্দান, ফিলিস্তিন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশে সিনিওরার শক্তিশালী বাজার রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার কিছু বাজারেও তাদের পণ্য রপ্তানি করা হয়।
তথ্যসূত্র : বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা বাদীকে হত্যার হুমকি, বিচার দাবিতে মানববন্ধন

বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ হালাল স্ন্যাকস ব্র্যান্ড

আপডেট সময় ০৯:৫১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

স্ন্যাকস বা হালকা খাবার আধুনিক জীবনব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। বিশেষ কর্মজীবী মানুষের কাছে তা যেমন প্রয়োজনীয়, তেমনি জনপ্রিয়।
সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের মাঝে, ভ্রমণের সময়, বন্ধুদের আড্ডায় কিংবা ক্লান্তিকর কাজের ফাঁকে হালকা খাবার গ্রহণের প্রচলন আছে। মুসলমানের জন্য খাবার হালকা হোক কিংবা ভারী তা হালাল হওয়া আবশ্যক। তাই বিশ্বব্যাপী স্ন্যাকসের সঙ্গে সঙ্গে হালাল স্ন্যাকসের জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। নি¤েœ বিশ্বের ১০টি হালাল স্ন্যাকস ব্র্যান্ডের তালিকা পেশ করা হলো।
এই ব্র্যান্ডগুলো আস্থা ও বিশ্বাসের সঙ্গে সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করে।
১. স্যাফ্রন রোড : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হালাল খাদ্য উৎপাদনকারী কম্পানি। তারা ফ্রোজেন খাবার, রেডি মিল, ফ্যামিলি সাইজ মিল, মজাদার আচার ও হরেক রকম হালকা খাবার পরিবেশন করে। তারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের রন্ধনশৈলী অনুসরণ করে।
হালাল উপাদান ও পদ্ধতি এবং খাদ্যের পুষ্টিগুণের প্রতি লক্ষ রাখে।
২. জিয়াদ ব্র্যান্ড : এটাও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক কম্পানি। তারা মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগরীয় দেশ ও আমেরিকা মহাদেশে খাদ্যপণ্য সরবারহ করে থাকে। স্ন্যাকস আইটেমের বাইরেও তাদের অনেক ধরনের খাবার আছে। জিয়াদ ব্র্যান্ডের হালকা খাবারের ভেতর বাদামের মিশ্রণ, ভাজা ছোলা, খেজুরের রোল ও ডুমুরের বার জনপ্রিয়।
জিয়াদ ব্র্যান্ডের হালকা খাবারগুলো যেমনই জনপ্রিয়, তেমনিই তৃপ্তিদায়ক।
৩. মিডামার : এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি হালাল খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত মিডামার প্রধানত মাংস রপ্তানি করলেও তাদের স্ন্যাকস ও প্রস্তুত খাবারও আছে। তাদের প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে গরুর মাংস, খাসির মাংস, মুরগির মাংস, সসেজ, কিমা, হটডগ, বার্গারের প্যাটি, মিটবল, কাবাব, স্টেক এবং বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুত খাবার। মিডামারের পণ্য যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। বিশেষ করে মুসলিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বিমান সংস্থা এবং হোটেল খাতে হালাল খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি সুপরিচিত।
৪. আল ইসলামী ফুডস : সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পণ্যের মধ্যে আছে মুরগির মাংস, গরুর মাংস, খাসির মাংস, কিমা, সসেজ, বার্গারের প্যাটি, মাংসের কাবাব, মাংসের বল, চিকেন নাগেটস, চিকেন স্ট্রিপস, সমুচা, স্প্রিং রোল, বিভিন্ন ধরনের সবজি, হিমায়িত রুটি ও পেস্ট্রি। আল ইসলামী ফুডস সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। পাশাপাশি ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও এর পণ্য পাওয়া যায়।
৫. কে অ্যান্ড এন’স : এটি পাকিস্তানের সবচেয়ে পরিচিত হালাল খাদ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম। আধুনিক পোলট্রিশিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে তাজা মুরগির মাংস, মুরগির কিমা, নাগেটস, সসেজ, বার্গারের প্যাটি, কাবাব, মাংসের বল, সমুচা, পরোটা, প্রস্তুত রান্না করা মুরগির বিভিন্ন পদ এবং হিমায়িত খাদ্য। পাকিস্তানের প্রায় প্রতিটি শহরে এর পণ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও রপ্তানি করা হয়।
৬. ক্রিসেন্ট ফুডস : যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ হালাল মুরগির মাংস উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ক্রিসেন্ট ফুডস। তাদের উৎপাদিত খাদ্যের মধ্যে আছে তাজা মুরগির মাংস, হিমায়িত মুরগি, চিকেন নাগেটস, চিকেন উইংস, চিকেন স্ট্রিপস, মুরগির সসেজ, মুরগির কিমা এবং প্রস্তুত রান্নার উপযোগী বিভিন্ন পণ্য। যুক্তরাষ্ট্রের বড় সুপার মার্কেটে ক্রিসেন্ট ফুডসের পণ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া কানাডা ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশেও এর বাজার রয়েছে।
৭. তাহিরা ফুডস : তাহিরা ফুডস যুক্তরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ হালাল প্রস্তুত খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এটি ব্রিটেনের মুসলিম পরিবারগুলোর প্রয়োজন সামনে রেখে নানা ধরনের হিমায়িত ও প্রস্তুত খাবার তৈরি করে। তাদের পণ্যের মধ্যে আছে মুরগির মাংস, গরুর মাংস, কাবাব, বার্গারের প্যাটি, সসেজ, সমুচা, বিভিন্ন ধরনের পিঠা, প্রস্তুত খাবার এবং হিমায়িত নাশতা। যুক্তরাজ্যের প্রায় সব বড় সুপারমার্কেটে তাহিরা ফুডসের পণ্য পাওয়া যায়। এ ছাড়া ইউরোপের কয়েকটি দেশেও এটি পরিচিত।
৮. আল কাবির : মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম পুরনো হালাল হিমায়িত খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি আন্তর্জাতিক বাজারে হালাল প্রস্তুত খাবার সরবরাহ করছে। তাদের পণ্যের মধ্যে আছে মুরগির মাংস, গরুর মাংস, মাছ, চিংড়ি, সমুচা, কাবাব, পরোটা, সবজি, বিভিন্ন ধরনের হিমায়িত নাশতা এবং প্রস্তুত খাবার। আল কাবিরের পণ্য উপসাগরীয় অঞ্চল, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ এবং আফ্রিকার বহু দেশে পাওয়া যায়।
৯. আয়ামাস : আয়ামাস মালয়েশিয়ার অন্যতম শীর্ষ হালাল পোলট্রি ও প্রস্তুত খাদ্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠান। তাদের উৎপাদিত খাদ্যের মধ্যে আছে মুরগির মাংস, নাগেটস, সসেজ, বার্গারের প্যাটি, কাবাব, মাংসের বল, মুরগির কিমা এবং বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুত খাবার। মালয়েশিয়ার পাশাপাশি সিঙ্গাপুর, ব্রুনেই এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরো কয়েকটি দেশে এর পণ্য রপ্তানি করা হয়।
১০. সিনিওরা ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ : জর্দানের হালাল খাদ্য উৎপাদনকারী এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু ১৯২০ সালে। সে হিসেবে এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রাচীন হালাল মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি হালাল খাদ্য উৎপাদন করে আসছে। তাদের প্রধান পণ্যের মধ্যে আছে গরুর মাংস, মুরগির মাংস, সসেজ, মরটাডেলা, কিমা, বার্গারের প্যাটি, কাবাব এবং বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়াজাত মাংসজাত খাদ্য। জর্দান, ফিলিস্তিন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশে সিনিওরার শক্তিশালী বাজার রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার কিছু বাজারেও তাদের পণ্য রপ্তানি করা হয়।
তথ্যসূত্র : বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম