ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo হানিফের মৃত্যুদণ্ড , ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড Logo ​নানা আয়োজনে বোরহানউদ্দিন যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ Logo ডিসকর্ডে থাকা আপনার ব্যক্তিগত বার্তাও চলে যেতে পারে গুগল সার্চে Logo ডায়াবেটিস থাকলে আঙুর নাকি আপেল খাবেন? Logo শরৎচন্দ্রের সাহিত্যকর্ম নিয়ে নতুন সিনেমা Logo মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের ১০ উপায় Logo আমার ছেলে আত্মহত্যা করেনি, তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলা হয়েছে : তাহসিফের বাবা

লালমোহনে অপরিকল্পিত বাড়িঘর-অতিবৃষ্টিতে আমন আবাদে ভোগান্তি, তবুও মাঠে ব্যস্ত কৃষক

ভোলার লালমোহন উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে জমে থাকা পানি ও অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আমন আবাদে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। ফলে এবারের আমন আবাদ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে। তবে সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এখন মাঠে আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহ মো. আরিফুল ইসলাম জানান, অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে অনেকগুলো কালভার্ট বন্ধ হয়ে গেছে। এজন্য আমনের মাঠে জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। এ কারণে আবাদে দেরি হয়েছে। তবে শুরুতেই কৃষকদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বীজধান করার পরামর্শ দেয়ায় বৃষ্টিতে কিছু বীজতলা নষ্ট হলেও চারার সংকট হয়নি। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ শেষ হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকি জমিতেও রোপণ শেষ হবে। এজন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে থেকে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে লালমোহনে মোট ২৩ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে উফশী ও স্বর্ণা জাতসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাত ২ হাজার ৭৫০ হেক্টর, স্থানীয় জাত ১ হাজার ১০ হেক্টর এবং নতুন হাইব্রিড-৪ জাত ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হবে। চরভূতা ইউনিয়নের তারাগঞ্জ এলাকার কৃষক মো. বেলাল বলেন, এবার ১৮ শতাংশ জমিতে আমন চাষের প্রস্তুতি নিয়েছি। অতিবৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে থাকায় দেরি হয়েছে। প্রথম দফার বীজতলার চারা নষ্ট হওয়ায় আবার নতুন করে চারা করতে হয়েছে। চারা থেকে রোপণ পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার টাকা খরচ হবে। ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের বালিরটেক এলাকার কৃষক মো. আবু তাহের বলেন, ৩৬০ শতাংশ জমিতে আমন করবো। বৃষ্টিতে বীজতলায় সমস্যা হলেও কাটিয়ে উঠেছি। জমি প্রস্তুত ও বীজতলায় এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন পাবো বলে আশা করছি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

লালমোহনে অপরিকল্পিত বাড়িঘর-অতিবৃষ্টিতে আমন আবাদে ভোগান্তি, তবুও মাঠে ব্যস্ত কৃষক

আপডেট সময় ০২:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলার লালমোহন উপজেলায় অতিবৃষ্টিতে জমে থাকা পানি ও অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আমন আবাদে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। ফলে এবারের আমন আবাদ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে। তবে সব প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে এখন মাঠে আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহ মো. আরিফুল ইসলাম জানান, অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে অনেকগুলো কালভার্ট বন্ধ হয়ে গেছে। এজন্য আমনের মাঠে জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না। এ কারণে আবাদে দেরি হয়েছে। তবে শুরুতেই কৃষকদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বীজধান করার পরামর্শ দেয়ায় বৃষ্টিতে কিছু বীজতলা নষ্ট হলেও চারার সংকট হয়নি। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ৩৪০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ শেষ হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাকি জমিতেও রোপণ শেষ হবে। এজন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে থেকে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে লালমোহনে মোট ২৩ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে উফশী ও স্বর্ণা জাতসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাত ২ হাজার ৭৫০ হেক্টর, স্থানীয় জাত ১ হাজার ১০ হেক্টর এবং নতুন হাইব্রিড-৪ জাত ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হবে। চরভূতা ইউনিয়নের তারাগঞ্জ এলাকার কৃষক মো. বেলাল বলেন, এবার ১৮ শতাংশ জমিতে আমন চাষের প্রস্তুতি নিয়েছি। অতিবৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে থাকায় দেরি হয়েছে। প্রথম দফার বীজতলার চারা নষ্ট হওয়ায় আবার নতুন করে চারা করতে হয়েছে। চারা থেকে রোপণ পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার টাকা খরচ হবে। ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের বালিরটেক এলাকার কৃষক মো. আবু তাহের বলেন, ৩৬০ শতাংশ জমিতে আমন করবো। বৃষ্টিতে বীজতলায় সমস্যা হলেও কাটিয়ে উঠেছি। জমি প্রস্তুত ও বীজতলায় এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন পাবো বলে আশা করছি।