ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি Logo কীট সংকটে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ Logo জাংগালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেঙ্গু মশা নিধন সম্পর্কে র‌্যালি ও আলোচনা Logo নবীনগর দেওয়ানী আদালত পরিদর্শন করেন দুই হাইকোটের বিচারপতি Logo মনোহরগঞ্জে ২০ মাসেও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ Logo ধনবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে ৭৮ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo পাঁচবিবিতে মাওড়িতলা ব্রিজে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল, লাইট পোস্ট দাবি Logo স্পিকারের এপিএস সবুজকে ঘিরে অপপ্রচার, প্রতিবাদ Logo স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রচেষ্টায় উপকুলবাসী পেল ইউবিইএসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদন Logo মৌলভীবাজারে চাঞ্চল্যকর নাঈম হত্যা মামলায় ৪ জনের ফাঁসি, ৫ জন খালাস

২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম কি সত্যিই ত্বকের উপকার করে

গোল্ড সিরাম নিয়ে সৌন্দর্যচর্চায় আগ্রহ বাড়ছে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সিরাম এখন অনেকের দৈনন্দিন স্কিনকেয়ার রুটিনের অংশ। ভিটামিন সি, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, নিয়াসিনামাইড কিংবা পেপটাইডের পাশাপাশি বাজারে জায়গা করে নিয়েছে ‘২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম’। নামের মধ্যেই রয়েছে বিলাসিতার ইঙ্গিত। সিরামে থাকা সূক্ষ্ম সোনার কণার কারণে অনেক পণ্যই ত্বককে আরও উজ্জ্বল, মসৃণ ও তারুণ্যদীপ্ত করে তোলার দাবি করে।
কিন্তু সত্যিই কি সোনা ত্বকের বয়সের ছাপ, দাগছোপ কিংবা শুষ্কতা কমাতে পারে, আসুন জেনে নেওয়া যাক-
২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম কী?
২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম বলতে এমন ধরনের স্কিনকেয়ার পণ্যকে বোঝায়, যাতে সূক্ষ্ম সোনার কণা বা গোল্ড-ভিত্তিক উপাদান থাকার দাবি করা হয়। তবে শুধু সোনা থাকলেই কোনো সিরাম বিশেষ কার্যকর হয়ে যায় না। তবে অনেক পণ্যে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বা অন্যান্য সক্রিয় উপাদানও থাকে। সেগুলোর নিজস্ব কার্যকারিতাও ত্বকে ভূমিকা রাখতে পারে।

ত্বকে সোনা মাখার প্রবণতা নতুন নয়
সৌন্দর্যচর্চায় সোনার ব্যবহার বেশ পুরোনো। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে সোনার ব্যবহারে নানা প্রচলন ছিল। বিংশ শতাব্দীর গোড়া দিক থেকে জনপ্রিয় হতে থাকে গোল্ড ফেশিয়াল। এবার আধুনিক সময়ে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, ই,পেপটাইডের মতো সিরামে সোনার ব্যবহার দেখা যাচ্ছে।
গোল্ড সিরাম ব্যবহারে ত্বকে যেসব উপকার পাবেন
গোল্ড সিরাম ব্যবহারের পর ত্বক কিছুটা মসৃণ, সতেজ ও উজ্জ্বল দেখাতে পারে। সিরামে থাকা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বা অন্যান্য ময়েশ্চারাইজিং উপাদানও ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।
সোনার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে গোল্ড সিরামকে ত্বকের লালচে ভাব ও জ্বালাভাব কমাতে পারে, ব্রণের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
গোল্ড সিরামকে অ্যান্টি-এজিং পণ্য হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। সোনার কণা কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বক টান টান থাকে, বলিরেখা কমায়।
অনেক গোল্ড সিরামে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড থাকে, যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের যাবতীয় দাগছোপ দূর করে দেয় সোনা সমৃদ্ধ সিরাম। এটি ত্বকের বাড়িয়ে তোলে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
প্রথমে ফেসওয়াশ দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। পরিষ্কার মুখে প্রয়োজন অনুযায়ী টোনার ব্যবহারের করুন। মুখ ও ঘাড়ে ২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম মেখে নিন। শেষে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। দিনের বেলায় অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। এতেই ত্বক সোনার মতো উজ্জ্বল হবে।
নতুন কোনো সিরাম ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো। জ্বালা, চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম দেখতে আকর্ষণীয় এবং বিলাসবহুল হলেও শুধু নাম দেখে এর কার্যকারিতা বিচার করা উচিত নয়। ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী সিরামের উপাদান নির্বাচন করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেনার আগে উপাদানের তালিকা দেখুন, নিজের ত্বকের ধরন বুঝুন এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সলঙ্গা-তাড়াশ সড়কের বেহাল দশা: দুর্ভোগে যাত্রী ও চালক, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম কি সত্যিই ত্বকের উপকার করে

আপডেট সময় ০৯:৩৮:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

গোল্ড সিরাম নিয়ে সৌন্দর্যচর্চায় আগ্রহ বাড়ছে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সিরাম এখন অনেকের দৈনন্দিন স্কিনকেয়ার রুটিনের অংশ। ভিটামিন সি, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, নিয়াসিনামাইড কিংবা পেপটাইডের পাশাপাশি বাজারে জায়গা করে নিয়েছে ‘২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম’। নামের মধ্যেই রয়েছে বিলাসিতার ইঙ্গিত। সিরামে থাকা সূক্ষ্ম সোনার কণার কারণে অনেক পণ্যই ত্বককে আরও উজ্জ্বল, মসৃণ ও তারুণ্যদীপ্ত করে তোলার দাবি করে।
কিন্তু সত্যিই কি সোনা ত্বকের বয়সের ছাপ, দাগছোপ কিংবা শুষ্কতা কমাতে পারে, আসুন জেনে নেওয়া যাক-
২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম কী?
২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম বলতে এমন ধরনের স্কিনকেয়ার পণ্যকে বোঝায়, যাতে সূক্ষ্ম সোনার কণা বা গোল্ড-ভিত্তিক উপাদান থাকার দাবি করা হয়। তবে শুধু সোনা থাকলেই কোনো সিরাম বিশেষ কার্যকর হয়ে যায় না। তবে অনেক পণ্যে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বা অন্যান্য সক্রিয় উপাদানও থাকে। সেগুলোর নিজস্ব কার্যকারিতাও ত্বকে ভূমিকা রাখতে পারে।

ত্বকে সোনা মাখার প্রবণতা নতুন নয়
সৌন্দর্যচর্চায় সোনার ব্যবহার বেশ পুরোনো। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে সোনার ব্যবহারে নানা প্রচলন ছিল। বিংশ শতাব্দীর গোড়া দিক থেকে জনপ্রিয় হতে থাকে গোল্ড ফেশিয়াল। এবার আধুনিক সময়ে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, ই,পেপটাইডের মতো সিরামে সোনার ব্যবহার দেখা যাচ্ছে।
গোল্ড সিরাম ব্যবহারে ত্বকে যেসব উপকার পাবেন
গোল্ড সিরাম ব্যবহারের পর ত্বক কিছুটা মসৃণ, সতেজ ও উজ্জ্বল দেখাতে পারে। সিরামে থাকা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বা অন্যান্য ময়েশ্চারাইজিং উপাদানও ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে।
সোনার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে গোল্ড সিরামকে ত্বকের লালচে ভাব ও জ্বালাভাব কমাতে পারে, ব্রণের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
গোল্ড সিরামকে অ্যান্টি-এজিং পণ্য হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। সোনার কণা কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বক টান টান থাকে, বলিরেখা কমায়।
অনেক গোল্ড সিরামে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড থাকে, যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রেখে শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের যাবতীয় দাগছোপ দূর করে দেয় সোনা সমৃদ্ধ সিরাম। এটি ত্বকের বাড়িয়ে তোলে।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
প্রথমে ফেসওয়াশ দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। পরিষ্কার মুখে প্রয়োজন অনুযায়ী টোনার ব্যবহারের করুন। মুখ ও ঘাড়ে ২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম মেখে নিন। শেষে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। দিনের বেলায় অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। এতেই ত্বক সোনার মতো উজ্জ্বল হবে।
নতুন কোনো সিরাম ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো। জ্বালা, চুলকানি বা লালচে ভাব দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
২৪ ক্যারেট গোল্ড সিরাম দেখতে আকর্ষণীয় এবং বিলাসবহুল হলেও শুধু নাম দেখে এর কার্যকারিতা বিচার করা উচিত নয়। ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী সিরামের উপাদান নির্বাচন করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেনার আগে উপাদানের তালিকা দেখুন, নিজের ত্বকের ধরন বুঝুন এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস