ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর Logo ভিন্নমত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের শক্তি : মাহদী আমিন Logo রাজনৈতিক পরিচয়ে কারো প্রতি বৈষম্য হবে না : ৪৯তম বিসিএস প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo শাপলা এখন শরীয়তপুরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকায়নের অংশ Logo বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী Logo দল ছেড়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় রোনালদো Logo কতদিন পরপর ফোন বদলাবেন? Logo মিষ্টি ভালো লাগলেও কম খাবেন যারা Logo ‘দুনিয়াদারি হোক যাই ভেতরে রবের জিকির চাই’, মিশা সওদাগর

শহরের জীবনে কেন বাড়ছে হৃদরোগ

শহরে জীবনে সকাল শুরু হয় অ্যালার্মের শব্দে। ঘুম থেকে উঠেই তাড়াহুড়া করে তৈরি হওয়া, নাশতা কোনোভাবে শেষ করে অফিসের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়া। এরপর রাস্তায় দীর্ঘ যানজট। কর্মস্থলে পৌঁছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা। দুপুরের খাবারে কখনো ফাস্টফুড, কখনো অতিরিক্ত তেল-ঝাল। কাজের চাপের সঙ্গে বাড়তে থাকে মানসিক চাপও। সন্ধ্যায় ফেরার পথেও যানজট। বাসায় ফিরে ক্লান্ত শরীর নিয়ে মোবাইল বা ল্যাপটপের সামনে আরও কিছু সময়। এরপর ঘুমাতে ঘুমাতে রাত অনেক।
রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বড় বড় শহরের লাখ লাখ মানুষের কাছে এটি হয়তো খুব পরিচিত একটি দিনের চিত্র। তবে এমন জীবনযাপনের কারণে শুধু ক্লান্তিই বাড়ছে না। একইসঙ্গে হৃদস্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, হৃদরোগের ঝুঁকির সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন ও মানসিক চাপের মতো বিভিন্ন বিষয় জড়িত। নগরজীবনের অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘসময় বসে থাকা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও মানসিক চাপ এসব ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
চেয়ারে বসেই কেটে যাচ্ছে দিন
বর্তমানে অফিসে ঢোকার পর কাজের বড় অংশ কাটে কম্পিউটার বা মোবাইলে। একটানা কয়েক ঘণ্টা বসে থাকা অনেকের দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হয়ে গেছে। অফিসে যাওয়ার পথেও গাড়ি বা গণপরিবহনে বসে থাকতে হয় দীর্ঘ সময়। এ সময়ও অনেকেই ফোন ব্যবহার করেন। ফলে শরীরচর্চার সুযোগ অনেকের জীবন থেকে ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। হাঁটার পরিবর্তে লিফট, সিঁড়ির পরিবর্তে এস্কেলেটর, কাছের দূরত্বেও গাড়ি-সব মিলিয়ে দৈনন্দিন শারীরিক কর্মকা- কমে যাচ্ছে। শরীরকে সচল রাখার জন্য নিয়মিত শারীরিক কর্মকা- গুরুত্বপূর্ণ। তাই ব্যস্ত নগরজীবনে আলাদা করে হাঁটা বা ব্যায়ামের সময় বের করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিশেষ করে যাদের কাজ পুরোপুরিই বসে করতে হয়, তাদের দৈনন্দিন রুটিনে নড়াচড়ার সুযোগ তৈরি করা জরুরি।
খাবারের প্লেটে বদল
নগরজীবনের ব্যস্ততার সঙ্গে বদলে গেছে খাবারের ধরনও। ঘরে রান্না করা খাবারের বদলে অনেক সময় সহজলভ্য ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া, অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত, অতিরিক্ত লবণ বা চিনি থাকা খাবার বেছে নেওয়া হয়। অফিসপাড়ায় দুপুরের খাবার কিংবা বিকেলের নাশতায় বার্গার, ফ্রাই, ফাস্টফুড বা মিষ্টি পানীয় অনেকের নিয়মিত খাদ্যতালিকার অংশ হয়ে উঠেছে। দিন পর পর এমন খাদ্যাভ্যাস চলতে থাকলে ওজন, রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মতো হৃদরোগের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে প্রভাব পড়তে পারে।
যানজটের সঙ্গে মানসিক চাপও
ঢাকার যানজট শুধু সময়ই কেড়ে নেয় না, অনেকের জন্য এটি প্রতিদিনের মানসিক চাপেরও উৎস। নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে পৌঁছানোর তাড়া, রাস্তায় দীর্ঘ অপেক্ষা, হর্ন ও ভিড়-সব মিলিয়ে দিনের শুরুতেই তৈরি হয় চাপ। এর সঙ্গে যোগ হয় কর্মক্ষেত্রের চাপ, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, পারিবারিক দায়িত্ব এবং আর্থিক চিন্তা। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হৃদস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কেউ হয়তো চাপ সামলাতে ধূমপান বাড়িয়ে দেন, কেউ অনিয়মিত খাবার খান, আবার কেউ ঘুমের সময় কমিয়ে দেন। এতে আরও সমস্যা দিন দিন বাড়তেই থাকে।
ঘুম যখন বিলাসিতা
শহুরে মানুষের আরেকটি বড় সমস্যা ঘুমের অনিয়ম। অফিসের কাজ, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, রাত জাগার কারণে অনেকেই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম পান না। ঘুম শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতি থাকলে শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে হার্ট সুস্থ রাখতে ঘুম অপরিহার্য। তাই ব্যস্ততার মধ্যেও নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে।
ঢাকার জীবনযাত্রা একদিনে বদলে যাবে না। যানজট কমানো, কর্মঘণ্টা পরিবর্তন কিংবা নগর পরিকল্পনার মতো বিষয়গুলো ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ব্যক্তিগত অভ্যাসের দিকে নজর দেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। অফিসে দীর্ঘসময় একটানা বসে না থেকে মাঝেমধ্যে উঠে হাঁটা, সম্ভব হলে সিঁড়ি ব্যবহার করা, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়ামের জন্য সময় রাখা, খাবারে শাকসবজি, ফল, ডাল ও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদানের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এ ছাড়া ধূমপান এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা-এসব ছোট পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
একইসঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল বা অন্য কোনো হৃদরোগের ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে তা শুধু গ্যাস বা ক্লান্তি ভেবে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন। সবল হৃদয় মানেই সুস্থ শরীর ও প্রশান্ত মন। তাই হৃদযন্ত্রকে সুস্থ ও ভালো রাখতে নিজের প্রতি যতœশীল হোন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন এবং হৃদয়ের সুস্থতার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দিন।
সূত্র: অ্যাপোলো হাসপাতাল

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুঁজিবাজার প্রাতিষ্ঠানিক ও পুরোপুরি কাগজবিহীন করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

শহরের জীবনে কেন বাড়ছে হৃদরোগ

আপডেট সময় ০৯:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শহরে জীবনে সকাল শুরু হয় অ্যালার্মের শব্দে। ঘুম থেকে উঠেই তাড়াহুড়া করে তৈরি হওয়া, নাশতা কোনোভাবে শেষ করে অফিসের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়া। এরপর রাস্তায় দীর্ঘ যানজট। কর্মস্থলে পৌঁছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা। দুপুরের খাবারে কখনো ফাস্টফুড, কখনো অতিরিক্ত তেল-ঝাল। কাজের চাপের সঙ্গে বাড়তে থাকে মানসিক চাপও। সন্ধ্যায় ফেরার পথেও যানজট। বাসায় ফিরে ক্লান্ত শরীর নিয়ে মোবাইল বা ল্যাপটপের সামনে আরও কিছু সময়। এরপর ঘুমাতে ঘুমাতে রাত অনেক।
রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বড় বড় শহরের লাখ লাখ মানুষের কাছে এটি হয়তো খুব পরিচিত একটি দিনের চিত্র। তবে এমন জীবনযাপনের কারণে শুধু ক্লান্তিই বাড়ছে না। একইসঙ্গে হৃদস্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, হৃদরোগের ঝুঁকির সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন ও মানসিক চাপের মতো বিভিন্ন বিষয় জড়িত। নগরজীবনের অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, দীর্ঘসময় বসে থাকা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও মানসিক চাপ এসব ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
চেয়ারে বসেই কেটে যাচ্ছে দিন
বর্তমানে অফিসে ঢোকার পর কাজের বড় অংশ কাটে কম্পিউটার বা মোবাইলে। একটানা কয়েক ঘণ্টা বসে থাকা অনেকের দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হয়ে গেছে। অফিসে যাওয়ার পথেও গাড়ি বা গণপরিবহনে বসে থাকতে হয় দীর্ঘ সময়। এ সময়ও অনেকেই ফোন ব্যবহার করেন। ফলে শরীরচর্চার সুযোগ অনেকের জীবন থেকে ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। হাঁটার পরিবর্তে লিফট, সিঁড়ির পরিবর্তে এস্কেলেটর, কাছের দূরত্বেও গাড়ি-সব মিলিয়ে দৈনন্দিন শারীরিক কর্মকা- কমে যাচ্ছে। শরীরকে সচল রাখার জন্য নিয়মিত শারীরিক কর্মকা- গুরুত্বপূর্ণ। তাই ব্যস্ত নগরজীবনে আলাদা করে হাঁটা বা ব্যায়ামের সময় বের করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিশেষ করে যাদের কাজ পুরোপুরিই বসে করতে হয়, তাদের দৈনন্দিন রুটিনে নড়াচড়ার সুযোগ তৈরি করা জরুরি।
খাবারের প্লেটে বদল
নগরজীবনের ব্যস্ততার সঙ্গে বদলে গেছে খাবারের ধরনও। ঘরে রান্না করা খাবারের বদলে অনেক সময় সহজলভ্য ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া, অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত, অতিরিক্ত লবণ বা চিনি থাকা খাবার বেছে নেওয়া হয়। অফিসপাড়ায় দুপুরের খাবার কিংবা বিকেলের নাশতায় বার্গার, ফ্রাই, ফাস্টফুড বা মিষ্টি পানীয় অনেকের নিয়মিত খাদ্যতালিকার অংশ হয়ে উঠেছে। দিন পর পর এমন খাদ্যাভ্যাস চলতে থাকলে ওজন, রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মতো হৃদরোগের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে প্রভাব পড়তে পারে।
যানজটের সঙ্গে মানসিক চাপও
ঢাকার যানজট শুধু সময়ই কেড়ে নেয় না, অনেকের জন্য এটি প্রতিদিনের মানসিক চাপেরও উৎস। নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে পৌঁছানোর তাড়া, রাস্তায় দীর্ঘ অপেক্ষা, হর্ন ও ভিড়-সব মিলিয়ে দিনের শুরুতেই তৈরি হয় চাপ। এর সঙ্গে যোগ হয় কর্মক্ষেত্রের চাপ, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, পারিবারিক দায়িত্ব এবং আর্থিক চিন্তা। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ হৃদস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। কেউ হয়তো চাপ সামলাতে ধূমপান বাড়িয়ে দেন, কেউ অনিয়মিত খাবার খান, আবার কেউ ঘুমের সময় কমিয়ে দেন। এতে আরও সমস্যা দিন দিন বাড়তেই থাকে।
ঘুম যখন বিলাসিতা
শহুরে মানুষের আরেকটি বড় সমস্যা ঘুমের অনিয়ম। অফিসের কাজ, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম, রাত জাগার কারণে অনেকেই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম পান না। ঘুম শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতি থাকলে শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে হার্ট সুস্থ রাখতে ঘুম অপরিহার্য। তাই ব্যস্ততার মধ্যেও নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে।
ঢাকার জীবনযাত্রা একদিনে বদলে যাবে না। যানজট কমানো, কর্মঘণ্টা পরিবর্তন কিংবা নগর পরিকল্পনার মতো বিষয়গুলো ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তবে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ব্যক্তিগত অভ্যাসের দিকে নজর দেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। অফিসে দীর্ঘসময় একটানা বসে না থেকে মাঝেমধ্যে উঠে হাঁটা, সম্ভব হলে সিঁড়ি ব্যবহার করা, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়ামের জন্য সময় রাখা, খাবারে শাকসবজি, ফল, ডাল ও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদানের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এ ছাড়া ধূমপান এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা-এসব ছোট পদক্ষেপ দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
একইসঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল বা অন্য কোনো হৃদরোগের ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে তা শুধু গ্যাস বা ক্লান্তি ভেবে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন। সবল হৃদয় মানেই সুস্থ শরীর ও প্রশান্ত মন। তাই হৃদযন্ত্রকে সুস্থ ও ভালো রাখতে নিজের প্রতি যতœশীল হোন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন এবং হৃদয়ের সুস্থতার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দিন।
সূত্র: অ্যাপোলো হাসপাতাল