ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫ সহজ কৌশল

একটা কাজ শেষ হতে না হতেই ঘাড়ে চাপে আরেকটা কাজ। দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনির পরও যেন শান্তি নেই।
বর্তমান করপোরেট দুনিয়ায় কাজের ধরন এমন দাঁড়িয়েছে যে, ঘুমানোর সময়েও নিস্তার মিলছে না। বিছানায় শুয়েও ভাবতে হয় পরের দিনের ডেডলাইন বা মিটিংয়ের কথা।
অফিসের এই লাগামহীন ব্যস্ততার চাপে বহু কর্মীর জীবনেই এখন দমবন্ধ অবস্থা। আর এই মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে অনেকেই ব্যক্তিজীবনেও অশান্তি ডেকে আনছেন; নিজের জন্য একটু সময় বের করাও যেন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাজের চাপ যতই থাকুক না কেন, সঠিক টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চলুন, জেনে নিই ব্যস্ততার মাঝেও জীবনকে সহজ করার ৫টি কৌশল।
কঠিন কাজগুলো আগেই সেরে ফেলুন: সারা দিনের সব কাজের ধরন এক রকম হয় না। যে কাজগুলোতে বেশি মাথা খাটাতে হয় বা পরিশ্রম বেশি, সেগুলো সকালের দিকেই সেরে ফেলুন।
রাতের ঘুমের পর সকালে আমাদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি সচল ও সতেজ থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্লান্তি বাড়ে, তাই কঠিন কাজ আগে শেষ করলে দুশ্চিন্তা কমে যায়।
বার বার নোটিফিকেশন দেখা বন্ধ করুন: কাজের মধ্যে অনবরত ইমেইল বা মেসেজ আসতে থাকা স্বাভাবিক। তবে কাজ করার সময় প্রতি মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইল চেক করলে মনোযোগ নষ্ট হয় এবং কাজের গতি কমে যায়। তাই কাজের মাঝে বিরতি দিয়ে, যেমন প্রতি এক ঘণ্টা পর পর একবার সব মেসেজ দেখার অভ্যাস করুন।
কাজের ফাঁকে ছোট বিরতি নিন: অনেকেই দিনভর একটানা কাজ করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। বিভিন্ন সমীক্ষা বলছে, কাজের মাঝে ছোট বিরতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে অন্তত ১০-১৫ মিনিট নিজের জন্য রাখুন। এই সময়ে মোবাইল না ঘেঁটে এক কাপ চা-কফিতে চুমুক দিতে পারেন অথবা খোলা হাওয়ায় একটু হেঁটে আসতে পারেন। এতে মন চাঙ্গা হবে।
ছুটির দিন হোক শুধু নিজের: সারা সপ্তাহ যতই ব্যস্ততা থাকুক, সপ্তাহের অন্তত একটি দিন বা কয়েকটা ঘণ্টা নিজের জন্য বরাদ্দ রাখুন। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে কাজের মানও খারাপ হতে বাধ্য। এই ছুটির সময়ে অফিস ভুলে শুধু নিজের ভালোলাগার কাজগুলো করুন।
প্রয়োজন বুঝে ছুটি নিন: কাজের চাপে শরীর ও মন যখন অতিরিক্ত ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত হয়ে পড়বে, তখন ছোটখাটো ছুটি নিন। মনে রাখবেন, ইঞ্জিনে জ্বালানি থাকলেই কেবল গাড়ি সচল থাকে; তেল ফুরিয়ে গেলে গাড়ি আর এগোয় না। আমাদের শরীরও ঠিক তেমনি।
ব্যস্ততা থাকবেই, তবে সঠিক কৌশল মেনে চললে অফিস, পরিবার ও নিজের শখ সবকিছুর মধ্যেই চমৎকার ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব। সূত্র :আনন্দবাজার

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫ সহজ কৌশল

আপডেট সময় ১০:৫৮:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

একটা কাজ শেষ হতে না হতেই ঘাড়ে চাপে আরেকটা কাজ। দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনির পরও যেন শান্তি নেই।
বর্তমান করপোরেট দুনিয়ায় কাজের ধরন এমন দাঁড়িয়েছে যে, ঘুমানোর সময়েও নিস্তার মিলছে না। বিছানায় শুয়েও ভাবতে হয় পরের দিনের ডেডলাইন বা মিটিংয়ের কথা।
অফিসের এই লাগামহীন ব্যস্ততার চাপে বহু কর্মীর জীবনেই এখন দমবন্ধ অবস্থা। আর এই মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে অনেকেই ব্যক্তিজীবনেও অশান্তি ডেকে আনছেন; নিজের জন্য একটু সময় বের করাও যেন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাজের চাপ যতই থাকুক না কেন, সঠিক টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। চলুন, জেনে নিই ব্যস্ততার মাঝেও জীবনকে সহজ করার ৫টি কৌশল।
কঠিন কাজগুলো আগেই সেরে ফেলুন: সারা দিনের সব কাজের ধরন এক রকম হয় না। যে কাজগুলোতে বেশি মাথা খাটাতে হয় বা পরিশ্রম বেশি, সেগুলো সকালের দিকেই সেরে ফেলুন।
রাতের ঘুমের পর সকালে আমাদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি সচল ও সতেজ থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্লান্তি বাড়ে, তাই কঠিন কাজ আগে শেষ করলে দুশ্চিন্তা কমে যায়।
বার বার নোটিফিকেশন দেখা বন্ধ করুন: কাজের মধ্যে অনবরত ইমেইল বা মেসেজ আসতে থাকা স্বাভাবিক। তবে কাজ করার সময় প্রতি মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইল চেক করলে মনোযোগ নষ্ট হয় এবং কাজের গতি কমে যায়। তাই কাজের মাঝে বিরতি দিয়ে, যেমন প্রতি এক ঘণ্টা পর পর একবার সব মেসেজ দেখার অভ্যাস করুন।
কাজের ফাঁকে ছোট বিরতি নিন: অনেকেই দিনভর একটানা কাজ করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। বিভিন্ন সমীক্ষা বলছে, কাজের মাঝে ছোট বিরতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে অন্তত ১০-১৫ মিনিট নিজের জন্য রাখুন। এই সময়ে মোবাইল না ঘেঁটে এক কাপ চা-কফিতে চুমুক দিতে পারেন অথবা খোলা হাওয়ায় একটু হেঁটে আসতে পারেন। এতে মন চাঙ্গা হবে।
ছুটির দিন হোক শুধু নিজের: সারা সপ্তাহ যতই ব্যস্ততা থাকুক, সপ্তাহের অন্তত একটি দিন বা কয়েকটা ঘণ্টা নিজের জন্য বরাদ্দ রাখুন। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে কাজের মানও খারাপ হতে বাধ্য। এই ছুটির সময়ে অফিস ভুলে শুধু নিজের ভালোলাগার কাজগুলো করুন।
প্রয়োজন বুঝে ছুটি নিন: কাজের চাপে শরীর ও মন যখন অতিরিক্ত ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত হয়ে পড়বে, তখন ছোটখাটো ছুটি নিন। মনে রাখবেন, ইঞ্জিনে জ্বালানি থাকলেই কেবল গাড়ি সচল থাকে; তেল ফুরিয়ে গেলে গাড়ি আর এগোয় না। আমাদের শরীরও ঠিক তেমনি।
ব্যস্ততা থাকবেই, তবে সঠিক কৌশল মেনে চললে অফিস, পরিবার ও নিজের শখ সবকিছুর মধ্যেই চমৎকার ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব। সূত্র :আনন্দবাজার