ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় যুক্তরাজ্য : ব্রিটিশ হাইকমিশনার Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় গুগলের সদর দপ্তর পরিদর্শন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের Logo ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে ঘাটতির আশংকা নেই Logo দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo বিএনপি সরকারের উদ্যোগ : তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া Logo ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধ ঘর থেকেই শুরু হোক Logo মনের জটিল জট খোলার মতো ১০টি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা

ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে

  • আইটি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ০৯:১৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • 7

রাতে ঘুমানোর আগে ফোন অফ না করে ও ওয়াইফাই চালু রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকেই। কিন্তু সে সময় স্মার্টফোন একেবারে নিষ্ক্রিয় থাকে না। চার্জে থাকা, ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং ব্যবহার না করার সময় ফোনের সফটওয়্যার পেছনে নানা ধরনের কাজ চালাতে পারে। ছবি বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে অ্যাপের কার্যক্ষমতা ঠিক রাখা এসব প্রক্রিয়ার অনেকটাই ব্যবহারকারীর অগোচরে সম্পন্ন হয়।
তবে কোন ফোনে কী ধরনের ব্যাকগ্রাউন্ড কাজ হবে, তা নির্ভর করে ডিভাইসের মডেল, অপারেটিং সিস্টেম এবং নির্মাতার সফটওয়্যারের ওপর। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ফোন নিষ্ক্রিয় থাকা ও চার্জে থাকার সময় কিছু কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়। জেনে নেওয়া যাক এমন চারটি কাজ সম্পর্কে।

জিবোর্ডের এআই মডেল উন্নত করার কাজ
গুগলের জিবোর্ড কিবোর্ডে ফেডারেটেড লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ধরনের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া সরাসরি ব্যবহারকারীর ফোনেই সম্পন্ন হতে পারে। ফোন চার্জে থাকা, ওয়াই-ফাইয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং ব্যবহার না করার সময় এ ধরনের প্রক্রিয়া চালানো যেতে পারে। এতে ব্যবহারকারীর টাইপ করা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি গুগলের সার্ভারে পাঠানোর বদলে ফোনে শেখা তথ্যের নির্দিষ্ট অংশ বা মডেল হালনাগাদের তথ্য পাঠানো হয়। এর মাধ্যমে কিবোর্ডের পূর্বাভাসসহ বিভিন্ন সুবিধা উন্নত করার প্রক্রিয়া চলে।
স্টোরেজের বিভিন্ন তথ্য ব্যবস্থাপনা
ফোনে অ্যাপ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে নানা ধরনের অস্থায়ী ফাইল ও তথ্য জমা হয়। এগুলো ব্যবস্থাপনার জন্য অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড প্রক্রিয়া চালাতে পারে। ফোন চার্জে থাকা এবং ব্যবহার না করার সময় এসব কাজ চালানোর জন্য তুলনামূলক সুবিধাজনক সময় পাওয়া যায়। তবে প্রতিটি স্মার্টফোনে একই ধরনের ‘স্টোরেজ ক্লিন’ প্রক্রিয়া চলে এমন নয়। ডিভাইসের নির্মাতা, সফটওয়্যার সংস্করণ ও ব্যবহারভেদে ব্যাকগ্রাউন্ড কাজের ধরন বদলে যেতে পারে।
গ্যালারির ছবি বিশ্লেষণ
অনেক স্মার্টফোনের গ্যালারি বা ছবি ব্যবস্থাপনা অ্যাপ ছবির বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে। ছবিতে থাকা ব্যক্তি, বস্তু বা দৃশ্য শনাক্ত করার মতো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরে নির্দিষ্ট ছবি খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। এই বিশ্লেষণের কিছু অংশ ফোনের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে। ফোন নিষ্ক্রিয় থাকা এবং চার্জে যুক্ত থাকার সময় এসব কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাওয়া যায়। ফলে দিনের বেলায় তোলা ছবিগুলো রাতের দিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্লেষণ বা সাজানোর প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারে।
বেশি ব্যবহৃত অ্যাপ চালুর প্রস্তুতি
আপনি কোন অ্যাপ কতটা ব্যবহার করেন, সেটিও ফোনের সফটওয়্যার বিভিন্নভাবে বিবেচনা করতে পারে। বেশি ব্যবহৃত অ্যাপকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য সিস্টেম কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড প্রক্রিয়া চালাতে পারে। ফোন চার্জে থাকা ও নিষ্ক্রিয় থাকার সময় এমন কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ থাকে। এর উদ্দেশ্য হতে পারে পরবর্তী সময়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যাপ দ্রুত চালু করতে সহায়তা করা কিংবা ফোনের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা ঠিক রাখা।
অর্থাৎ রাতে চার্জে লাগানো অবস্থায় স্মার্টফোন সব সময় শুধু ব্যাটারি পূর্ণ করার কাজেই ব্যস্ত থাকে না। ডিভাইসের সফটওয়্যার ও সেটিংস অনুযায়ী নেপথ্যে নানা প্রক্রিয়াও চলতে পারে। তবে কোন কাজ কখন চলবে, তার নির্দিষ্টতা ফোনভেদে আলাদা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফোন নীরবে যে ৪ কাজ করে

আপডেট সময় ০৯:১৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

রাতে ঘুমানোর আগে ফোন অফ না করে ও ওয়াইফাই চালু রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়েন অনেকেই। কিন্তু সে সময় স্মার্টফোন একেবারে নিষ্ক্রিয় থাকে না। চার্জে থাকা, ওয়াই-ফাই সংযোগ এবং ব্যবহার না করার সময় ফোনের সফটওয়্যার পেছনে নানা ধরনের কাজ চালাতে পারে। ছবি বিশ্লেষণ থেকে শুরু করে অ্যাপের কার্যক্ষমতা ঠিক রাখা এসব প্রক্রিয়ার অনেকটাই ব্যবহারকারীর অগোচরে সম্পন্ন হয়।
তবে কোন ফোনে কী ধরনের ব্যাকগ্রাউন্ড কাজ হবে, তা নির্ভর করে ডিভাইসের মডেল, অপারেটিং সিস্টেম এবং নির্মাতার সফটওয়্যারের ওপর। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ফোন নিষ্ক্রিয় থাকা ও চার্জে থাকার সময় কিছু কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়। জেনে নেওয়া যাক এমন চারটি কাজ সম্পর্কে।

জিবোর্ডের এআই মডেল উন্নত করার কাজ
গুগলের জিবোর্ড কিবোর্ডে ফেডারেটেড লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ধরনের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া সরাসরি ব্যবহারকারীর ফোনেই সম্পন্ন হতে পারে। ফোন চার্জে থাকা, ওয়াই-ফাইয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং ব্যবহার না করার সময় এ ধরনের প্রক্রিয়া চালানো যেতে পারে। এতে ব্যবহারকারীর টাইপ করা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি গুগলের সার্ভারে পাঠানোর বদলে ফোনে শেখা তথ্যের নির্দিষ্ট অংশ বা মডেল হালনাগাদের তথ্য পাঠানো হয়। এর মাধ্যমে কিবোর্ডের পূর্বাভাসসহ বিভিন্ন সুবিধা উন্নত করার প্রক্রিয়া চলে।
স্টোরেজের বিভিন্ন তথ্য ব্যবস্থাপনা
ফোনে অ্যাপ ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে নানা ধরনের অস্থায়ী ফাইল ও তথ্য জমা হয়। এগুলো ব্যবস্থাপনার জন্য অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড প্রক্রিয়া চালাতে পারে। ফোন চার্জে থাকা এবং ব্যবহার না করার সময় এসব কাজ চালানোর জন্য তুলনামূলক সুবিধাজনক সময় পাওয়া যায়। তবে প্রতিটি স্মার্টফোনে একই ধরনের ‘স্টোরেজ ক্লিন’ প্রক্রিয়া চলে এমন নয়। ডিভাইসের নির্মাতা, সফটওয়্যার সংস্করণ ও ব্যবহারভেদে ব্যাকগ্রাউন্ড কাজের ধরন বদলে যেতে পারে।
গ্যালারির ছবি বিশ্লেষণ
অনেক স্মার্টফোনের গ্যালারি বা ছবি ব্যবস্থাপনা অ্যাপ ছবির বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে। ছবিতে থাকা ব্যক্তি, বস্তু বা দৃশ্য শনাক্ত করার মতো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরে নির্দিষ্ট ছবি খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। এই বিশ্লেষণের কিছু অংশ ফোনের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে। ফোন নিষ্ক্রিয় থাকা এবং চার্জে যুক্ত থাকার সময় এসব কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাওয়া যায়। ফলে দিনের বেলায় তোলা ছবিগুলো রাতের দিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্লেষণ বা সাজানোর প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারে।
বেশি ব্যবহৃত অ্যাপ চালুর প্রস্তুতি
আপনি কোন অ্যাপ কতটা ব্যবহার করেন, সেটিও ফোনের সফটওয়্যার বিভিন্নভাবে বিবেচনা করতে পারে। বেশি ব্যবহৃত অ্যাপকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য সিস্টেম কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড প্রক্রিয়া চালাতে পারে। ফোন চার্জে থাকা ও নিষ্ক্রিয় থাকার সময় এমন কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ থাকে। এর উদ্দেশ্য হতে পারে পরবর্তী সময়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যাপ দ্রুত চালু করতে সহায়তা করা কিংবা ফোনের সামগ্রিক কার্যক্ষমতা ঠিক রাখা।
অর্থাৎ রাতে চার্জে লাগানো অবস্থায় স্মার্টফোন সব সময় শুধু ব্যাটারি পূর্ণ করার কাজেই ব্যস্ত থাকে না। ডিভাইসের সফটওয়্যার ও সেটিংস অনুযায়ী নেপথ্যে নানা প্রক্রিয়াও চলতে পারে। তবে কোন কাজ কখন চলবে, তার নির্দিষ্টতা ফোনভেদে আলাদা।