ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান Logo দেশের পুনর্গঠনে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে যুবদল: রুহুল কবির রিজভী Logo বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান Logo ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ মৃত্যু, ১০ মাসে প্রাণ গেল ৪০০ জনের Logo জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ Logo দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo পাকিস্তান এবার অলআউট ১১০ রানে Logo বাজারে আসতে না আসতেই আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল Logo খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে করণীয় Logo ‘সিআইডি’র স্রষ্টা বিপি সিং মারা গেছেনব্রিজেন্দ্র পাল সিং

বিশ্বকাপ মহাকাব্যের শেষ মঞ্চে একা মেসি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ যেন কোনো এক অদৃশ্য নাট্যকারের নিখুঁত স্ক্রিপ্ট, যা একই সাথে চরম নির্মম এবং অবিশ্বাস্য রকমের রোমাঞ্চকর। এই বিশ্বকাপ ফুটবলের একটি গোটা যুগের অবসান ঘটাতে এসেছে, যেখানে ফুটবল রোমান্টিসিজমের শেষ অধ্যায়টি রচিত হচ্ছে আমেরিকার মাটিতে। নকআউট পর্বের মহানাটকীয়তায় একে একে নিভে গেছে ফুটবলের আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রগুলো।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, নেইমার,লুকা মদরিচ আর মোহামেদ সালাহর মতো মহাতারকাদের বিদায়ে পুরো ফুটবল বিশ্ব যখন এক শূন্যতায় ডুবেছে, তখন সেই মহাকাব্যের শেষ মহানায়ক হিসেবে একা দাঁড়িয়ে আছেন লিওনেল মেসি। যেন এক সোনালী প্রজন্মের সমস্ত ঐতিহ্য, গৌরব আর ইতিহাসের ভার এখন একা তার কাঁধেই।
ফুটবল বিধাতা হয়তো এভাবেই গল্পটা সাজাতে চেয়েছিলেন। যে যুগে প্রায় দুই দশক ধরে একঝাঁক কিংবদন্তি পুরো বিশ্বকে শাসন করেছেন, তাদের বিদায়ের মিছিলে শেষ প্রদীপ হয়ে জ্বলছেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর।
নক্ষত্রপতনের রাত এবং একটি যুগের অবসান
নকআউট পর্বের শুরু থেকেই বিশ্ব দেখেছে একের পর এক ট্র্যাজেডি। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলমেশিন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো তার চিরচেনা ক্ষিপ্রতা নিয়ে শেষবারের মতো লড়েছিলেন। কিন্তু স্পেনের বিপক্ষে এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে অল্পের জন্য হেরে যায় তার পর্তুগাল। অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়ার সময় রোনালদো আসলে শুধু মাঠ ছাড়েননি, ফুটবলের এক অনন্য দ্বৈরথের চিরসমাপ্তি ঘটিয়ে গেছেন।
এরআগে, ফুটবল বিশ্ব সাখুরি হয় আরও বড় ট্র্যাজেডির। উত্তর ইউরোপের পরাশক্তি নরওয়ের কাছে হেরে হেক্সা জয়ের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ব্রাজিলের। সেই হারের ক্ষত বুকে নিয়ে ম্যাচ শেষেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দেন নেইমার। সাম্বার যে ছন্দ আর চপলতা নিয়ে তিনি ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছিলেন, তার সেই অধ্যায়ের এমন করুণ সমাপ্তি কেউ আশা করেনি।
অন্যদিক, মাঝমাঠের জাদুকর লুকা মদরিচও তার ক্লান্তিহীন ক্রোয়াট বাহিনীর ক্রুসেড আর দীর্ঘ করতে পারেননি। ক্রোয়েশিয়ার বিদায়ের সাথে সাথে ফুটবল বিশ্ব নিশ্চিতভাবেই হারিয়েছে তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা এক মায়েস্ত্রিকে, যিনি বল পায়ে কবিতা লিখতেন।
এমনকি আফ্রিকার গর্ব মোহাম্মদ সালাহও তার মিশরকে নিয়ে রূপকথা তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ইতিহাসের এক মহাকাব্যিক কামব্যাকে আর্জেন্টিনার কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয় মিশরের। সালাহর বিদায় নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই মূলত লিওনেল মেসি প্রমাণ করেন, এই মঞ্চে সহজে সিংহাসন ছাড়ার পাত্র তিনি নন।
ইতিহাসের মশাল এবং নিঃসঙ্গ মহানায়ক
চারপাশের এই নক্ষত্রপতনের পর ফুটবল দুনিয়া এখন স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে একজনের দিকে। তিনি লিওনেল মেসি। যে খেলোয়াড়টি ২০২২ সালেই তার ট্রফি ক্যাবিনেটের শেষ অপূর্ণতা দূর করে অমরত্ব লাভ করেছিলেন, তিনিই এখন ২০২৬ সালে এসে এক নিঃসঙ্গ শেরপা। তার সমসাময়িক সব যোদ্ধা একে একে রণক্ষেত্র ছেড়ে চলে গেছেন, কিন্তু আলবিসেলেস্তেদের এই সেনাপতি এখনও বর্ম পরে লড়াইয়ের ময়দানে অবিচল।
এখন প্রতিটি ম্যাচই মেসির জন্য শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং গোটা এক প্রজন্মের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লড়াই। রোনালদোর সেই ইস্পাতকঠিন সংকল্প, নেইমারের পায়ের জাদু, মদরিচের নিখুঁত দূরদর্শিতা আর সালাহর গতি, এই সবকিছু যেন এখন মেসির পায়ের জাদুতে এসে ভর করেছে। ফুটবল বিশ্ব এখন তার দিকে এমনভাবে তাকিয়ে আছে, যেন তিনি একাই পারেন এই আধুনিক ফুটবলের রোমান্টিক যুগটাকে আরও কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখতে।
কোয়ার্টারের লড়াই এবং অমরত্বের নতুন দিগন্ত
মিশরের বিপক্ষে সেই স্নায়ুক্ষয়ী জয়ের পর আর্জেন্টিনার সামনে এখন আরও কঠিন পথ। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শিরোপা ধরে রাখার চাপ তো আছেই, তার ওপর যোগ হয়েছে মেসির এই শেষ যাত্রাকে রাঙিয়ে তোলার আবেগ। প্রতিটি পাস, প্রতিটি ড্রিবলিং আর প্রতিটি ফ্রি-কিক এখন কোটি ভক্তের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মেসি এখন খেলছেন নিজের জন্য নয়, বরং ফুটবল ইতিহাসের সেই সোনালী অধ্যায়ের প্রতিনিধি হয়ে, যা তাকে এই টুর্নামেন্টের একমাত্র এবং অদ্বিতীয় মহানায়ক বানিয়ে তুলেছে। কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে যখন তিনি আকাশি-সাদা জার্সিতে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামবেন, তখন কোটি চোখ শুধু একজন ফুটবলারকে দেখবে না; তারা দেখবে ইতিহাসের শেষ জীবন্ত কিংবদন্তিকে, যিনি একাই একটি যুগের মশাল জ্বালিয়ে রেখে লড়াই করে যাচ্ছেন অমরত্বের এক নতুন দিগন্তে পৌঁছানোর জন্য।
অধ্যায়ের প্রতিনিধি হয়ে, যা তাকে এই টুর্নামেন্টের একমাত্র এবং অদ্বিতীয় মহানায়ক বানিয়ে তুলেছে। কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে যখন তিনি আকাশি-সাদা জার্সিতে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামবেন, তখন কোটি চোখ একজন ফুটবলারকে দেখবে না; তারা দেখবে ইতিহাসের শেষ জীবন্ত কিংবদন্তিকে, যিনি একাই একটি যুগের মশাল জ্বালিয়ে রেখে লড়াই করে যাচ্ছেন অমরত্বের এক নতুন দিগন্তে পৌঁছানোর জন্য।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর প্রতি ১১ দলীয় ঐক্যের আহবান

বিশ্বকাপ মহাকাব্যের শেষ মঞ্চে একা মেসি

আপডেট সময় ১২:৫৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ যেন কোনো এক অদৃশ্য নাট্যকারের নিখুঁত স্ক্রিপ্ট, যা একই সাথে চরম নির্মম এবং অবিশ্বাস্য রকমের রোমাঞ্চকর। এই বিশ্বকাপ ফুটবলের একটি গোটা যুগের অবসান ঘটাতে এসেছে, যেখানে ফুটবল রোমান্টিসিজমের শেষ অধ্যায়টি রচিত হচ্ছে আমেরিকার মাটিতে। নকআউট পর্বের মহানাটকীয়তায় একে একে নিভে গেছে ফুটবলের আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রগুলো।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, নেইমার,লুকা মদরিচ আর মোহামেদ সালাহর মতো মহাতারকাদের বিদায়ে পুরো ফুটবল বিশ্ব যখন এক শূন্যতায় ডুবেছে, তখন সেই মহাকাব্যের শেষ মহানায়ক হিসেবে একা দাঁড়িয়ে আছেন লিওনেল মেসি। যেন এক সোনালী প্রজন্মের সমস্ত ঐতিহ্য, গৌরব আর ইতিহাসের ভার এখন একা তার কাঁধেই।
ফুটবল বিধাতা হয়তো এভাবেই গল্পটা সাজাতে চেয়েছিলেন। যে যুগে প্রায় দুই দশক ধরে একঝাঁক কিংবদন্তি পুরো বিশ্বকে শাসন করেছেন, তাদের বিদায়ের মিছিলে শেষ প্রদীপ হয়ে জ্বলছেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর।
নক্ষত্রপতনের রাত এবং একটি যুগের অবসান
নকআউট পর্বের শুরু থেকেই বিশ্ব দেখেছে একের পর এক ট্র্যাজেডি। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলমেশিন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো তার চিরচেনা ক্ষিপ্রতা নিয়ে শেষবারের মতো লড়েছিলেন। কিন্তু স্পেনের বিপক্ষে এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে অল্পের জন্য হেরে যায় তার পর্তুগাল। অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়ার সময় রোনালদো আসলে শুধু মাঠ ছাড়েননি, ফুটবলের এক অনন্য দ্বৈরথের চিরসমাপ্তি ঘটিয়ে গেছেন।
এরআগে, ফুটবল বিশ্ব সাখুরি হয় আরও বড় ট্র্যাজেডির। উত্তর ইউরোপের পরাশক্তি নরওয়ের কাছে হেরে হেক্সা জয়ের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ব্রাজিলের। সেই হারের ক্ষত বুকে নিয়ে ম্যাচ শেষেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দেন নেইমার। সাম্বার যে ছন্দ আর চপলতা নিয়ে তিনি ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছিলেন, তার সেই অধ্যায়ের এমন করুণ সমাপ্তি কেউ আশা করেনি।
অন্যদিক, মাঝমাঠের জাদুকর লুকা মদরিচও তার ক্লান্তিহীন ক্রোয়াট বাহিনীর ক্রুসেড আর দীর্ঘ করতে পারেননি। ক্রোয়েশিয়ার বিদায়ের সাথে সাথে ফুটবল বিশ্ব নিশ্চিতভাবেই হারিয়েছে তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা এক মায়েস্ত্রিকে, যিনি বল পায়ে কবিতা লিখতেন।
এমনকি আফ্রিকার গর্ব মোহাম্মদ সালাহও তার মিশরকে নিয়ে রূপকথা তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ইতিহাসের এক মহাকাব্যিক কামব্যাকে আর্জেন্টিনার কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয় মিশরের। সালাহর বিদায় নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই মূলত লিওনেল মেসি প্রমাণ করেন, এই মঞ্চে সহজে সিংহাসন ছাড়ার পাত্র তিনি নন।
ইতিহাসের মশাল এবং নিঃসঙ্গ মহানায়ক
চারপাশের এই নক্ষত্রপতনের পর ফুটবল দুনিয়া এখন স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে একজনের দিকে। তিনি লিওনেল মেসি। যে খেলোয়াড়টি ২০২২ সালেই তার ট্রফি ক্যাবিনেটের শেষ অপূর্ণতা দূর করে অমরত্ব লাভ করেছিলেন, তিনিই এখন ২০২৬ সালে এসে এক নিঃসঙ্গ শেরপা। তার সমসাময়িক সব যোদ্ধা একে একে রণক্ষেত্র ছেড়ে চলে গেছেন, কিন্তু আলবিসেলেস্তেদের এই সেনাপতি এখনও বর্ম পরে লড়াইয়ের ময়দানে অবিচল।
এখন প্রতিটি ম্যাচই মেসির জন্য শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং গোটা এক প্রজন্মের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লড়াই। রোনালদোর সেই ইস্পাতকঠিন সংকল্প, নেইমারের পায়ের জাদু, মদরিচের নিখুঁত দূরদর্শিতা আর সালাহর গতি, এই সবকিছু যেন এখন মেসির পায়ের জাদুতে এসে ভর করেছে। ফুটবল বিশ্ব এখন তার দিকে এমনভাবে তাকিয়ে আছে, যেন তিনি একাই পারেন এই আধুনিক ফুটবলের রোমান্টিক যুগটাকে আরও কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখতে।
কোয়ার্টারের লড়াই এবং অমরত্বের নতুন দিগন্ত
মিশরের বিপক্ষে সেই স্নায়ুক্ষয়ী জয়ের পর আর্জেন্টিনার সামনে এখন আরও কঠিন পথ। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে শিরোপা ধরে রাখার চাপ তো আছেই, তার ওপর যোগ হয়েছে মেসির এই শেষ যাত্রাকে রাঙিয়ে তোলার আবেগ। প্রতিটি পাস, প্রতিটি ড্রিবলিং আর প্রতিটি ফ্রি-কিক এখন কোটি ভক্তের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মেসি এখন খেলছেন নিজের জন্য নয়, বরং ফুটবল ইতিহাসের সেই সোনালী অধ্যায়ের প্রতিনিধি হয়ে, যা তাকে এই টুর্নামেন্টের একমাত্র এবং অদ্বিতীয় মহানায়ক বানিয়ে তুলেছে। কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে যখন তিনি আকাশি-সাদা জার্সিতে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামবেন, তখন কোটি চোখ শুধু একজন ফুটবলারকে দেখবে না; তারা দেখবে ইতিহাসের শেষ জীবন্ত কিংবদন্তিকে, যিনি একাই একটি যুগের মশাল জ্বালিয়ে রেখে লড়াই করে যাচ্ছেন অমরত্বের এক নতুন দিগন্তে পৌঁছানোর জন্য।
অধ্যায়ের প্রতিনিধি হয়ে, যা তাকে এই টুর্নামেন্টের একমাত্র এবং অদ্বিতীয় মহানায়ক বানিয়ে তুলেছে। কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে যখন তিনি আকাশি-সাদা জার্সিতে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামবেন, তখন কোটি চোখ একজন ফুটবলারকে দেখবে না; তারা দেখবে ইতিহাসের শেষ জীবন্ত কিংবদন্তিকে, যিনি একাই একটি যুগের মশাল জ্বালিয়ে রেখে লড়াই করে যাচ্ছেন অমরত্বের এক নতুন দিগন্তে পৌঁছানোর জন্য।