ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নেত্রকোনা হাওরাঞ্চলের হাটবাজারে ধানের চারা ব্যাপক চাহিদা Logo জামালপুরে প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বঞ্চিত ৫১ জন আমরণ অনশনে Logo খাল খনন নামে ৩০ লাখ টাকার বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ Logo অফিস বন্ধ করে সদস্যদের তিন কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন সমিতির সভাপতি Logo টুঙ্গিপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান গাঁজা সেবনে ১ মাস, ইয়াবা সেবনে ৩ মাসের কারাদন্ড Logo গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ফ্রেন্ডশিপের ভেড়া বিতরণ Logo তাড়াশে অতিরিক্ত টাকা দিলেই মিলছে গুদামজাত সার Logo ধনবাড়ীতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান Logo ৯ প্রতারক গ্রেফতার, উদ্ধার নগদ টাকা-২০ সিম-১১ মোবাইল

হাবিপ্রবি’র গবেষণায় তাপসহনশীল হাইব্রিড লাউ উদ্ভাবন

  • খবরপত্র ডেস্ক:
  • আপডেট সময় ১১:২৫:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 40

হাবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের জেনেটিক্স ও প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের গবেষক মো. শফিকুল ইসলাম তাপসহনশীল হাইব্রিড লাউ উদ্ভাবনে সাফল্য অর্জন করেছেন।। ছবি: বাসস

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-হাবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের জেনেটিক্স ও প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের গবেষণায় লাউয়ের তাপসহনশীল হাইব্রিড উদ্ভাবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
দিনাজপুর হাবিপ্রবি জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. খাদেমুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার রাতে এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন।
খাদেমুল ইসলাম জানান, হাবিপ্রবি কৃষি অনুষদের গবেষণায় বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপসহনশীল সবজি জাত উদ্ভাবন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি হয়ে উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-হাবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের জেনেটিক্স ও প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের গবেষক মো. শফিকুল ইসলাম তাঁর পিএইচডি গবেষণায় লাউয়ের তাপসহনশীল হাইব্রিড উদ্ভাবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।
সূত্র জানায়, মো. শফিকুল ইসলাম ৫৮টি লাউয়ের জেনোটাইপের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ও তাপসহনশীলতা মূল্যায়ন করে ৫টি সম্ভাবনাময় হাইব্রিড নির্বাচন করেছেন। তাঁর গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল উচ্চ তাপমাত্রা ও প্রতিকূল পরিবেশে লাউয়ের উৎপাদনশীলতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে উন্নত জাত উদ্ভাবনের ভিত্তি তৈরি করা।
গত মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় হাবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের ভিআইপি কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত তাঁর পিএইচডি চূড়ান্ত ডিফেন্স সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্ল্যা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপ-উপাচার্য ড. মো. নওশের ওয়ান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান খান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান, কৃষি অনুষদের ডিন.অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান বাহাদুর, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ও কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশীদ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ও সহ-তত্ত্বাবধায়কসহ শিক্ষক, গবেষক ও কর্মকর্তারা অংশ নেন।
গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তাপসহনশীল সবজি জাত উদ্ভাবন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। গবেষক মো. শফিকুল ইসলামের গবেষণায় নির্বাচিত ৫টি হাইব্রিড ভবিষ্যতে উন্নত জাত উদ্ভাবনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।’ গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে মো. শফিকুল ইসলাম ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের সবজি গবেষণা বিভাগে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত।
গবেষক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা প্রদানের জন্য ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক পদে কর্মরত রয়েছে।
তিনি তার গবেষণা বিভাগের প্রধান, সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক, সহ-তত্ত্বাবধায়ক, শিক্ষকবৃন্দ, পরিবার ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
দিনাজপুর হাবিপ্রবি’র ভিসি অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্ল্যা বাসস’কে জানান, হাবিপ্রবি’র শিক্ষা কার্যক্রমে গবেষণার অগ্রগতি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ফলে কৃষি অনুষদসহ সব ধরনের বিষয় নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামীতে এর অগ্রগতি আরও বিকাশিত হবে বলে তিনি আশাপ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা হাওরাঞ্চলের হাটবাজারে ধানের চারা ব্যাপক চাহিদা

হাবিপ্রবি’র গবেষণায় তাপসহনশীল হাইব্রিড লাউ উদ্ভাবন

আপডেট সময় ১১:২৫:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-হাবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের জেনেটিক্স ও প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের গবেষণায় লাউয়ের তাপসহনশীল হাইব্রিড উদ্ভাবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
দিনাজপুর হাবিপ্রবি জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. খাদেমুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার রাতে এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন।
খাদেমুল ইসলাম জানান, হাবিপ্রবি কৃষি অনুষদের গবেষণায় বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপসহনশীল সবজি জাত উদ্ভাবন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি হয়ে উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-হাবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের জেনেটিক্স ও প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের গবেষক মো. শফিকুল ইসলাম তাঁর পিএইচডি গবেষণায় লাউয়ের তাপসহনশীল হাইব্রিড উদ্ভাবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।
সূত্র জানায়, মো. শফিকুল ইসলাম ৫৮টি লাউয়ের জেনোটাইপের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ও তাপসহনশীলতা মূল্যায়ন করে ৫টি সম্ভাবনাময় হাইব্রিড নির্বাচন করেছেন। তাঁর গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল উচ্চ তাপমাত্রা ও প্রতিকূল পরিবেশে লাউয়ের উৎপাদনশীলতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে উন্নত জাত উদ্ভাবনের ভিত্তি তৈরি করা।
গত মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় হাবিপ্রবি’র কৃষি অনুষদের ভিআইপি কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত তাঁর পিএইচডি চূড়ান্ত ডিফেন্স সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্ল্যা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপ-উপাচার্য ড. মো. নওশের ওয়ান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান খান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান, কৃষি অনুষদের ডিন.অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান বাহাদুর, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ও কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মামুনুর রশীদ, বিভাগীয় চেয়ারম্যান গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ও সহ-তত্ত্বাবধায়কসহ শিক্ষক, গবেষক ও কর্মকর্তারা অংশ নেন।
গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তাপসহনশীল সবজি জাত উদ্ভাবন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। গবেষক মো. শফিকুল ইসলামের গবেষণায় নির্বাচিত ৫টি হাইব্রিড ভবিষ্যতে উন্নত জাত উদ্ভাবনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।’ গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে মো. শফিকুল ইসলাম ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের সবজি গবেষণা বিভাগে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত।
গবেষক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা প্রদানের জন্য ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক পদে কর্মরত রয়েছে।
তিনি তার গবেষণা বিভাগের প্রধান, সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক, সহ-তত্ত্বাবধায়ক, শিক্ষকবৃন্দ, পরিবার ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
দিনাজপুর হাবিপ্রবি’র ভিসি অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্ল্যা বাসস’কে জানান, হাবিপ্রবি’র শিক্ষা কার্যক্রমে গবেষণার অগ্রগতি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ফলে কৃষি অনুষদসহ সব ধরনের বিষয় নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আগামীতে এর অগ্রগতি আরও বিকাশিত হবে বলে তিনি আশাপ করেন।