ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নেত্রকোনা হাওরাঞ্চলের হাটবাজারে ধানের চারা ব্যাপক চাহিদা Logo জামালপুরে প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বঞ্চিত ৫১ জন আমরণ অনশনে Logo খাল খনন নামে ৩০ লাখ টাকার বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ Logo অফিস বন্ধ করে সদস্যদের তিন কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন সমিতির সভাপতি Logo টুঙ্গিপাড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান গাঁজা সেবনে ১ মাস, ইয়াবা সেবনে ৩ মাসের কারাদন্ড Logo গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে ফ্রেন্ডশিপের ভেড়া বিতরণ Logo তাড়াশে অতিরিক্ত টাকা দিলেই মিলছে গুদামজাত সার Logo ধনবাড়ীতে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান Logo ৯ প্রতারক গ্রেফতার, উদ্ধার নগদ টাকা-২০ সিম-১১ মোবাইল

টাঙ্গাইলে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিবিড় পরিচর্যায় আশ্বিনের শুরুতেই টাঙ্গাইলের দিগন্তজোড়া মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে আগাম শীতকালীন সবজির সবুজের সমারোহ। শীত আসতে এখনো প্রায় তিন মাসের বেশি সময় বাকি থাকলেও আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের কৃষকরা।
মানসম্মত বীজ ব্যবহারের কারিগরি সহায়তা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শে ভালো দাম পাওয়ার লক্ষ্যে শীতকালীন সবজি চাষে স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শীতকালীন সবজি চাষে এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। এরইমধ্যে মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি। যার মধ্যে মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, দেশি লাউ, গাজর ও শিম ইত্যাদি।
বিশেষ করে টাঙ্গাইলে সবজি চাষের জন্য বিখ্যাত পাহাড়ি অঞ্চল মধুপুর, ঘাটাইল, ধনবাড়ি, সখিপুর, যমুনা ও ধলেশ্বরীর অববাহিকার চরাঞ্চলের কৃষি জমিগুলো এখন হরেক রকমের সবজিতে ভরে উঠেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাষিরা সফলভাবে ফসল উৎপাদন করছেন। শীতকালীন নতুন সবজির ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকরা চাষাবাদে আগের তুলনায় এখন আরও আগ্রহী হচ্ছেন।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সারি সারি শাক-সবজির আবাদ। বেশিরভাগ কৃষি জমিতে মূলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, লাউ, টমেটো, লালশাক, পালং শাক ও পুঁইশাকসহ হরেক রকমের শীতকালীন সবজির চাষ শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে আগাম জাতের লালশাক, মূলা ও লাউ বাজারে উঠতে শুরু করেছে।
মৌসুমের শুরুতে এসব নতুন সবজির বেশি চাহিদা থাকায় বাজারে বেশ ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। অধিক ফলন ও কাঙ্খিত লাভের আশায় কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করছেন এ অঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীরা। কেউ নতুন চারা রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন, কেউ চারাগাছের গোড়ায় মাটি দিচ্ছেন, আবার কেউ ব্যস্ত নিড়ানি ও রোগবালাই দমনে বালাইনাশক স্প্রে করছেন। শুধু পুরুষরাই নন, সবজি পরিচর্যা ও চারা উৎপাদনে সমান তালে ভূমিকা রাখছেন গ্রামীণ নারীরাও।
স্থানীয় সবজি চাষিরা জানান, সাধারণ সময়ের চেয়ে আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলে দ্বিগুণ বা তিনগুণ পর্যন্ত লাভ করা যায়।
এ লাভজনক দিক বিবেচনা করে গত কয়েক বছর ধরে টাঙ্গাইলে বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরে আগাম শীতকালীন সবজি আবাদের ধুম পড়েছে। বিশেষ করে যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর চরাঞ্চল ও পাহাড়ি অঞ্চলের উর্বর মাটি আগাম সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরই এ জেলায় আবাদের পরিধি বাড়ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ অঞ্চলের সবজি প্রতিদিন ট্রাকবোঝাই হয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।
মধুপুর উপজেলার দরিহাসিল গ্রামের কৃষক রায়হান কাজী ফুলকপি ক্ষেত পরিচর্যায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতোমধ্যে সবুজে সবুজে ভরে উঠতে শুরু করেছে তার ফসলি জমি। সারি সারি ক্যাপটেন ও উইনার জাতের ফুলকপি শোভা পাচ্ছে তার ৭০ শতাংশ জমিতে।
তিনি বাসস’কে বলেন, তার ৭০ শতাংশ জমিতে ১৬ হাজার ক্যাপটেন ও উইনার জাতের ফুলকপি চারা রোপণ করেছেন। এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকার কিছু বেশি। মাস দুই পর কপি বিক্রি করতে পারবেন। ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, গ্রীষ্মকালীন সবজির বাজারদর ভালো ছিল। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায়নি। তাই লাভের আশায় দ্রুত শীতকালীন সবজি চাষাবাদ শুরু করেছেন।
ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের ফুলমালীর চালা গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, ১ মাস আগে তিনি ৪০ শতাংশ জমিতে শিম ও লাউ চাষ করেছেন। গাছগুলো অনেক ভালো হয়েছে, এরইমধ্যে কিছু কিছু গাছে ফল আসা শুরু হয়েছে। তিনি আশা করছেন এ বছর ভালো ফলন হবে। ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারলে তিনি লাভ করতে পারবেন।
মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বাসস’কে বলেন, আগাম জাতের ফুলকপি যেমন সুস্বাদু, তেমনই এর ভেষজ গুণও রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষি কর্মকর্তার সহায়তায় মধুপুর উপজেলার ২ হেক্টর জমিতে এবার মাঠ প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ চাষ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার ও সহযোগিতা দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিতে আগামীতে উপজেলার আরও অনেক কৃষককে আগাম সবজি চাষে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ পরিচালক সোয়েব মাহমুদ বাসস’কে বলেন, এ বছর টাঙ্গাইলে ১১ হাজার ৪৫০ হেক্টর কৃষি জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৪ হাজার ২২০ মেট্রিক টন।
তিনি বলেন, কিছু কিছু এলাকায় অধিক লাভের আশায় কৃষকরা এরইমধ্যে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন। তবে আগামী অক্টোবর মাস থেকে শীতকালীন সবজি চাষে পুরোপুরি ব্যস্ত হয়ে পড়বেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে সবজি চাষে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে এবংকৃষকরাও লাভবান হবেন। এর পাশাপাশি নিরাপদ ও মানসম্মত সবজি উৎপাদনের বিষয়েও কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা হাওরাঞ্চলের হাটবাজারে ধানের চারা ব্যাপক চাহিদা

টাঙ্গাইলে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক

আপডেট সময় ১১:১২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিবিড় পরিচর্যায় আশ্বিনের শুরুতেই টাঙ্গাইলের দিগন্তজোড়া মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে আগাম শীতকালীন সবজির সবুজের সমারোহ। শীত আসতে এখনো প্রায় তিন মাসের বেশি সময় বাকি থাকলেও আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের কৃষকরা।
মানসম্মত বীজ ব্যবহারের কারিগরি সহায়তা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শে ভালো দাম পাওয়ার লক্ষ্যে শীতকালীন সবজি চাষে স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শীতকালীন সবজি চাষে এখন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। এরইমধ্যে মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি। যার মধ্যে মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, দেশি লাউ, গাজর ও শিম ইত্যাদি।
বিশেষ করে টাঙ্গাইলে সবজি চাষের জন্য বিখ্যাত পাহাড়ি অঞ্চল মধুপুর, ঘাটাইল, ধনবাড়ি, সখিপুর, যমুনা ও ধলেশ্বরীর অববাহিকার চরাঞ্চলের কৃষি জমিগুলো এখন হরেক রকমের সবজিতে ভরে উঠেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাষিরা সফলভাবে ফসল উৎপাদন করছেন। শীতকালীন নতুন সবজির ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকরা চাষাবাদে আগের তুলনায় এখন আরও আগ্রহী হচ্ছেন।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন সারি সারি শাক-সবজির আবাদ। বেশিরভাগ কৃষি জমিতে মূলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, লাউ, টমেটো, লালশাক, পালং শাক ও পুঁইশাকসহ হরেক রকমের শীতকালীন সবজির চাষ শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে আগাম জাতের লালশাক, মূলা ও লাউ বাজারে উঠতে শুরু করেছে।
মৌসুমের শুরুতে এসব নতুন সবজির বেশি চাহিদা থাকায় বাজারে বেশ ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। অধিক ফলন ও কাঙ্খিত লাভের আশায় কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করছেন এ অঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীরা। কেউ নতুন চারা রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন, কেউ চারাগাছের গোড়ায় মাটি দিচ্ছেন, আবার কেউ ব্যস্ত নিড়ানি ও রোগবালাই দমনে বালাইনাশক স্প্রে করছেন। শুধু পুরুষরাই নন, সবজি পরিচর্যা ও চারা উৎপাদনে সমান তালে ভূমিকা রাখছেন গ্রামীণ নারীরাও।
স্থানীয় সবজি চাষিরা জানান, সাধারণ সময়ের চেয়ে আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলে দ্বিগুণ বা তিনগুণ পর্যন্ত লাভ করা যায়।
এ লাভজনক দিক বিবেচনা করে গত কয়েক বছর ধরে টাঙ্গাইলে বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরে আগাম শীতকালীন সবজি আবাদের ধুম পড়েছে। বিশেষ করে যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর চরাঞ্চল ও পাহাড়ি অঞ্চলের উর্বর মাটি আগাম সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরই এ জেলায় আবাদের পরিধি বাড়ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ অঞ্চলের সবজি প্রতিদিন ট্রাকবোঝাই হয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।
মধুপুর উপজেলার দরিহাসিল গ্রামের কৃষক রায়হান কাজী ফুলকপি ক্ষেত পরিচর্যায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতোমধ্যে সবুজে সবুজে ভরে উঠতে শুরু করেছে তার ফসলি জমি। সারি সারি ক্যাপটেন ও উইনার জাতের ফুলকপি শোভা পাচ্ছে তার ৭০ শতাংশ জমিতে।
তিনি বাসস’কে বলেন, তার ৭০ শতাংশ জমিতে ১৬ হাজার ক্যাপটেন ও উইনার জাতের ফুলকপি চারা রোপণ করেছেন। এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকার কিছু বেশি। মাস দুই পর কপি বিক্রি করতে পারবেন। ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, গ্রীষ্মকালীন সবজির বাজারদর ভালো ছিল। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায়নি। তাই লাভের আশায় দ্রুত শীতকালীন সবজি চাষাবাদ শুরু করেছেন।
ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের ফুলমালীর চালা গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, ১ মাস আগে তিনি ৪০ শতাংশ জমিতে শিম ও লাউ চাষ করেছেন। গাছগুলো অনেক ভালো হয়েছে, এরইমধ্যে কিছু কিছু গাছে ফল আসা শুরু হয়েছে। তিনি আশা করছেন এ বছর ভালো ফলন হবে। ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারলে তিনি লাভ করতে পারবেন।
মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বাসস’কে বলেন, আগাম জাতের ফুলকপি যেমন সুস্বাদু, তেমনই এর ভেষজ গুণও রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষি কর্মকর্তার সহায়তায় মধুপুর উপজেলার ২ হেক্টর জমিতে এবার মাঠ প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ চাষ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার ও সহযোগিতা দেয়া হয়েছে। এ পদ্ধতিতে আগামীতে উপজেলার আরও অনেক কৃষককে আগাম সবজি চাষে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ পরিচালক সোয়েব মাহমুদ বাসস’কে বলেন, এ বছর টাঙ্গাইলে ১১ হাজার ৪৫০ হেক্টর কৃষি জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৪ হাজার ২২০ মেট্রিক টন।
তিনি বলেন, কিছু কিছু এলাকায় অধিক লাভের আশায় কৃষকরা এরইমধ্যে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন। তবে আগামী অক্টোবর মাস থেকে শীতকালীন সবজি চাষে পুরোপুরি ব্যস্ত হয়ে পড়বেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া থাকলে সবজি চাষে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে এবংকৃষকরাও লাভবান হবেন। এর পাশাপাশি নিরাপদ ও মানসম্মত সবজি উৎপাদনের বিষয়েও কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে।